বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯

ফের সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন ট্রুডো

  • সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্কঃ
  • ২০১৯-১০-২২ ২০:১৩:৫৪
image

কানাডা : কানাডার ৪৩তম সাধারণ নির্বাচনে ১৫৫ আসন পেয়ে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি। এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে  টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন ট্রুডো। তবে গতবারের মতো পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন সরকারের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকছে না। প্রয়োজন হবে একটি দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। খবর কানাডার জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিবিসি সূত্রের।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখে গেছে, ৩৩৮টি আসনের মধ্যে ট্রুডোর দল পেয়েছে ১৫৬টি আসন। মাত্র ১৪ আসনের জন্য লিবারেল পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ড্রু শির কনজারভেটিভ পার্টি ১২২টি আসন পেয়েছে। এছাড়া কুবেকুয়া পার্টি ৩২টি, নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি ২৪ টি, গ্রিন পার্টি তিনটি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী একটি আসনে জয় লাভ করেছে। দেশটিতে এককভাবে সরকার গঠনে প্রয়োজন ১৭২টি আসন।

এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য ছয়টি দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল প্রধানমন্ত্রী ও লিবারেল পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডো এবং কনজারভেটিভ পার্টির নেতা অ্যান্ড্রু শির মধ্যে। হাউজ অব কমন্সের ৩৩৮ আসনে গতবারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে না রাখতে পারায় চলতি মেয়াদে বেশ বিপাকে পড়বে লিবারেল পার্টির সরকার। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন আইন পাস করতে অন্য দলগুলোর সহায়তা নিতে হবে ট্রুডো সরকারকে।

নির্বাচনে জয়ের পর মন্ট্রিলে সমর্থকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো বলেন, এ বিজয় আপনাদের সবার। আপনারা এটা করে দেখিয়েছেন আমার বন্ধুরা। যারা তাকে ভোট দিয়েছেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের স্বাগত, আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। তিনি বলেন, গত চার বছর যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছি, আগামী দিনগুলোতে আরো ভালোভাবে আপনাদেরকে নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে চাই। এদিকে লিবারেল পার্টির বিজয়ের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে জাস্টিন ট্রুডো সমর্থকরা মন্ট্রিয়েলের রাস্তায় রাস্তায় নেমে আসেন। তারা আনন্দ উল্লাস আর বিজয় মিছিল করে।

উল্লেখ্য, চার বছর আগে সত্যিকারের পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে বিশাল এক বিজয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন জাস্টিন ট্রুডো। তবে ক্ষমতার মেয়াদের শেষের দিকে এসে বিতর্কে জড়িয়ে বেশ কিছুটা সুনাম হারান ট্রুডো। ফলে নির্বাচনে ট্রুডোকে বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে। কিন্তু এরপরও চূড়ান্ত বিজয় হয়েছে লিবারেল পার্টির।


এ জাতীয় আরো খবর