শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০

পুলিশ, প্রশাসক ও সাধারণ মানুষকে এক মঞ্চে আনলো জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকান্ড

  • সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্কঃ
image

ছবি : হাইল্যান্ড পার্কের মিছিলের অগ্রভাগে গভর্ণর গ্রেটচেন হুইটমার এবং দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট গভর্ণর গারলিন গিলক্রিস্ট। (Photo: Clarence Tabb Jr., The Detroit News)

হাইল্যান্ড পার্ক : মিনেসোটার মিনেয়াপোলিসের কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকান্ড ভিন্নধর্মী এক সমাবেশ ঘটালো হাইল্যান্ড পার্কে। সমাবেশে ছিলেন যাজক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষ। ছিলেন মিশিগানের গভর্ণর গ্রেচেন হুইটমার এবং লেফটেন্যান্ট গভর্ণর গার্লিন গিলক্রিস্ট দ্বিতীয়।
গিলক্রিস্ট বলেন, পুলিশের নিষ্ঠুরতা আমাদের প্রজন্মে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। আমরা আলোচনা করছি যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কিভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়। এজন্য দরকার সংস্কার। বাহিনীকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক গড়ে তোলাটা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গিলক্রিস্ট বলেন, আমরা এটা বলছি না যে কেবল কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনও জীবন। তাদের ভবিষ্যত এবং তাদের মেধাও আমাদের গুরুত্বপূর্ণ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ডেট্রয়েটের মেয়র মাইক ডুগানও। তিনি বলেন, এটা একটা অস্বাভাবিক বা অসাধারণ সময়। তিনি জানান, ডেট্রয়েট সিটি কাউন্সিল চেম্বারে সব ব্যবসায়ী বর্ণবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ যা অপ্রত্যাশিতভাবেই হয়েছে।

ছবি : হাইল্যান্ড পার্কের মিছিলে গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার এবং ডেট্রয়েটের মেয়র মাইক ডুগান অন্যদের সাথে মিছিল করেছেন। (Photo: Clarence Tabb Jr., The Detroit News)

ডেট্রয়েট সিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডা জোনস বলেন, তিনি জোরালোভাবে এই পার্কের সমাবেশকে সমর্থন জানাচ্ছেন। তিনি মার্চেও অংশ নেন। এই সময় তার গ্লাসের লেন্স নীচে পড়ে যায়। জোনস বলেন, তিনি ডেট্রয়েটে এসেছে আলাবামার বার্মিংহাম থেকে। যেখানে কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। ডেট্রয়েট ছিল ১৯৬৭ সালের দাঙ্গার মাঝে। তিনি বলেন, ‘আমরা একত্র হতে এসেছি। আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং দেখাতে চাই যে, এখন বর্ণবাদের সময় নয়, এখন পুলিশি নির্যাতনের সময় নয়, এখন পরিবর্তনের সময়’। জোনস বলেন, তিনি একটি প্রস্তাবের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন।  তিনি বলেন, মিশিগান সরকার একটি আইন পাস করবে যাতে পুলিশের জন্য নিরপেক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা আছে। গভর্ণর হুইটমার বুধবার আইনসভায় প্রস্তাবটি তোলার কথা বলেছেন এবং বৃহস্পতিবার এটি সিনেটে পাশ হবে।
জোনস বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু বিক্ষোভকারী শান্তিপূর্ণ ছিলেন না। তারা হয়তো ডেট্রয়েটে নন। তাদের উচিত নিজের এলাকায় গিয়ে বিক্ষোভ করা। কারণ এখানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হচ্ছে। সমাবেশ শেষে সবাই মানবিক মার্চ করেন। এই সময় পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা দেয়। আকাশে হেলিকপ্টারও উড়তে দেখা যায়। গ্রেটার গ্রেস টেম্বলের বিশপ চার্লস এলিস তৃতীয় বলেন, এই ধরনের সমাবেশ মিশিগানের অন্যান্য শহরেও করা উচিত যেমন সাগিনা এবং কালামাজুতে।

Source & Photo: http://detroitnews.com


এ জাতীয় আরো খবর