রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

হতাশা নয় এসো স্বপ্ন দেখি, নতুন করে দাঁড়াবার

  • মইন উদ্দীন :
image

হতাশা নয়, চলুন স্বপ্ন দেখি। এক আলোকিত পৃথিবী গড়ি। যেখানে মানুষ সব ব্যাধি দূর  করে এক ঝকঝকে এক নতুন সকালের শুভ সূচনা করি। হতাশা এক ব্যাধি। যে ব্যাধি মানুষকে তার স্বপ্ন দেখতে বাধাগ্রস্ত করে। হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তি সমাজ সংসার থেকে সে নিজেই নিজেকে আলাদা করে দেয়, তার লক্ষ্য থেকে সে বিচ্যুত হয়ে যায়। মানুষের জীবনে লক্ষ্যমাত্রা মানুষকে অনেক উপরে নিয়ে যায়। যার পেছনে পরিশ্রম বুদ্ধিমত্তা আর স্বপ্নকে লালন করে হতাশা থেকে বেরিয়ে ঘুরে দাঁড়াবার মজবুত অবকাঠামো তৈরি করে দেয়।
জীবন চলার পথে হতাশা, বিপদ, অসফলতা আসবেই। তবে, তাই বলে আপনি এর ভেতর নিজেকে আত্মসমর্পণ করবেন না।
আপনি হতাশা থেকে বেরিয়ে নিজের স্বপ্নকে মজবুত ভাবে আঁকড়ে ধরে এ ব্যস্ততম পৃথিবীতে আপনি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।আপনার মনোবল আর পরিশ্রম স্বপ্নকে পুঁজি করে নিয়ে আপনার পৃথিবী আপনাকে বদলে দেবে। আজ এই পৃথিবী থেমে নেই। সবাই ছুটে যাচ্ছে মানুষের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে তবে আমি কেন থেমে থাকবো। আমি হতাশার সাগরে নিজেকে ডুবিয়ে মিল্কিওয়েতে  নিজের আবাস গড়ে কি লাভ? নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলবেন করোনা কেন কোন ভয় যেন আপনাকে অপরাজিত করতে না পারে।জীবনটা তখনই  আপনার বদলে যাবে যখন আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি হতাশার ধ্রুমজাল থেকে বেরিয়ে আপনার স্বপ্নকে  নতুন করে বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবেন। বর্তমান পৃথিবীর এই মহামারীর মোকাবেলায় নিজেকে শক্ত করে ধরে রাখুন।মানসিকভাবে নিজে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন পৃথিবীর শেষ অবধি কাল পর্যন্ত একটার পর একটা অনভিপ্রেত ঘটনা আমাদের পৃথিবীতে নেমে আসে। এই অবস্থায় নিজের সাহসিকতা মনোবলকে দৃঢ় করে আপনি সব বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে নিজেকে প্রফুল্ল রাখবেন। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করার ধৈর্য্য নিজে রাখবেন, অন্যকেও সাহস দিবেন। এই ছোট্ট পৃথিবীতে পেছনে পড়ে যাওয়ার লোকগুলির কোন স্থান নেই, মানুষ আপনাকে দেখে অনুশোচনা করবে তবে ভালোবাসবে না। অতএব আজ থেকে ঘন কালো অন্ধকার পৃথিবী থেকে সব বিপদ থেকে  মোকাবেলা করে এর থেকে বেরিয়ে এসে মাথা উঁচু করে নিজের স্বপ্নকে লালন করা শিখুন। নিজেকে ঘুরে দাঁড়াবার অসম এই প্রতিযোগিতার মাঝে নিজেই শেষ চেষ্টা করুন। আল্লাহ পাকের উপর ভরসা রাখুন, এগিয়ে যান সফলতা আপনার অনিবার্য।

 

লেখক : ইতালি প্রবাসী।


এ জাতীয় আরো খবর