বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার মালেক ১৪ দিনের রিমান্ডে

  • ঢাকা প্রতিনিধি :
image

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার আব্দুল মালেককে  অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি মামলায়  ১৪ দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত । তুরাগ থানা পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ডে দেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে শুনানী শেষে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রবিবার ভোরে র‌্যাব-১ এর একটি দল তুরাগ থানাধীন কামারপাড়ার বামনেরটেক এলাকার বাসা থেকে আবদুল মালেককে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জালনোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল জব্দ করা হয়। র‍্যাব সংবাদ সম্মেলনে জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়ী চালক আব্দুল মালেকের গ্রেপ্তার করেছেন তারা। সন্ধান মিলেছে মালেকের সম্পদের পাহাড়ের।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, ঢাকায় তার ২৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ধানমন্ডি, উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় বিলাসবহুল ৭ তলা তিনটি বাড়ি আছে। ছেলের নামে তুরাগে ডেইরী ফার্ম করেছেন কোটি টাকা দিয়ে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৭ জন আত্মীয়কে বিভিন্ন পদে চাকরিও দিয়েছেন তিনি। সাথে নিয়ন্ত্রণ করতেন স্বাস্থ্যের গাড়ির বাণিজ্যও।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তার এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শক্তির মহড়া ও দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছেন এবং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। তার ভয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মনে সর্বদা আতঙ্ক বিরাজ করে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা এবং জাল টাকার ব্যবসা করে আসছেন।  বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।
র‍্যাব আরও জানায়, মালেক পেশায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিবহন পুলের একজন চালক এবং তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। তিনি ১৯৮২ সালে সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পে  চালক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিবহন পুলে চালক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরে কাজ করেন।


এ জাতীয় আরো খবর