মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পলে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০১৯-০৮-২৬ ২২:০৯:১৮
image

ছবিতে দুর্গা টেম্পলের শ্রীরাধাবিনোদিনী সম্প্রদায় কীর্তনীয়া দল। (ছবি নৃপেশ সূত্রধর)

ডেট্রয়েট : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ উৎসব, দিনভর হরিনাম সংকীর্তন, দধি ভান্ড ভাঙ্গা, হরির লুটের মধ্য দিয়ে ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পলের দু’দিন ব্যাপী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী শেষ হয়েছে।
জন্মাষ্টমীকে সামনে রেখে গতকাল রোববার মন্দির প্রাঙ্গনে ছিল উৎসবের আমেজ। ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি চলে হরিনাম সংকীর্তন। হরিনাম সংকীর্তনে অংশ নেন শ্রী দুর্গা টেম্পল সম্প্রদায়, শ্রী বাসুদেব সংঘ, শ্রী মহানাম  সম্প্রদায়, শ্রী রাধাবিনোদিনী সম্প্রদায়, শ্রী সৎ সংঘ, শ্রী রাধাকৃষ্ণ  সম্প্রদায় ও ইসকন ডেট্রয়েট। তবে বিকেল ৫ টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত পরিবেশিত হয় লীলা কীর্তন। পরিবেশন করেন জিতেন্দ্র গোপ ও তার দল। লীলা কীর্তন শেষে জন্মাষ্টমী শতনামে অংশ নেন অগণিত ভক্তবৃন্দ। শতনাম শেষে মন্দিরের পুরোহিত পারিন্দ্র চক্রবর্তী কীর্তন পরিবেশন করেন। এরপরই অরুণ আচার্য্য এর সাথে দধি ভান্ড গীতে (‘এই তো বাজার ভেঙ্গে যায়, বেলা গেল, সন্ধ্যা হলো’.....) সুর মেলান সকলেই। দধি ভান্ড মাথায় নেন  গীতা পাঠ এন্ড রিচুয়্যাল ডাইরেক্টর স্বদেশ সরকার। তুলসী পরিক্রমা শেষে তিনি তা নিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভক্তরা এই দধি অঙ্গে মাখেন পূণ্যের আশায়। সবশেষে হরিরলুটের মাধ্যমে দু’দিন ব্যাপী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসবের আয়োজন শেষ হয়। এছাড়া মহাপ্রসাদের আয়োজন ছিল দুপুর থেকে রাত অবধি। শত শত ভক্ত মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন। 
এদিকে ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পলের আয়োজনে শনিবার বিকেলে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা  হ্যামট্রাম্যাক শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ক্যানিফ রোডের পার্কিং লট থেকে এই শোভাযাত্রা বের হয়। এদিনের শোভাযাত্রাটি ছিল আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু। রাধা কৃষ্ণের ছবি সম্বলিত ব্যানার পোষ্টার তো ছিলই। শিশু-কিশোরসহ অনেকের হাতেই শোভা পায় গৈরিক পতাকা। কীর্তনীয়া দল, হাই ভোল্টেজ সাউন্ড সিস্টেম সব-ই ছিল শোভাযাত্রায়। শহর পরিক্রমা শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয় শোভাযাত্রাটি।


এ জাতীয় আরো খবর