মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২৩

শিব মন্দিরে পৌষ সংক্রান্তির আনন্দ উৎসব

  • নিজস্ব প্রতিবেদক :
image

ওয়ারেন, ১৬ জানুয়ারী : পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে গতকাল নগরীর শিব মন্দির টেম্পল অব জয়ে জমজমাট পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ২টায় উৎসব মুখর পরিবেশ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং স্বনামধন্য দার্শনিক ড. দেবাশীষ মৃধা। এর আগে  বিশেষ পুজা, নাম সংকীর্তন ও হরির লুট অনুষ্ঠিত হয়। 

পিঠা উৎসবে রাজ্যের বিভিন্ন সিটি থেকে নানা নামের বাহারি নকশার মুখরোচক সব পিঠা নিয়ে হাজির হন ভক্তরা। এরমধ্যে ছিল  ভাপা পিঠা, নারিকেল দুধ পুলি, গোলাপ ফুল পিঠা, পাটি সাপটা, চিতই পিঠা, মালপোয়া পিঠা, সন্দেশসহ মজার সব সুস্বাদু ও নজরকাড়া পিঠা। উৎসবে প্রায় ৫০ জন গৃহিণী শতাধিক রকমের বাহারি পিঠা প্রদর্শন করেন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. দেবাশীষ মৃধা বলেছেন, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে পিঠা। আর তাই পিঠা বাঙালির জীবন ও লোকজ খাদ্য সংস্কৃতির এক অপরিহার্য অংশ। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর পিঠা প্রতিযোগিতায় ৮ সদস্যের বিচারকমন্ডলীর নাম ঘোষণা করা হয়। তাঁরা হলেন- ড. দেবাশীষ মৃধা, চিনু মৃধা, আশুতোষ চৌধুরী, অজিত দাশ, তপন শিকদার, প্রশান্ত দাশ, স্বদেশ রঞ্জন সরকার এবং হ্যাপি রানী হাওলাদার। 

এ সময় মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা চিনু মৃধা বলেন,  বিচারকমন্ডলী বিভিন্ন সুস্বাদু পিঠার স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি গুণ, মান, বৈচিত্র বিবেচনায় এনে ফলাফল নির্ধারণ করবেন। ফলাফল নির্ধারণে বিচারকমন্ডলীর নজরে ছিল বাহারি ও নজর কাড়া পিঠা। সেই সাথে তারা নেন পিঠার স্বাদ। এদিকে ভোজন-রসিক মানুষজন প্লেট হাতে নিয়ে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান। কারণ তাদের যেন আর অপেক্ষা সইছে না।

 এক পর্যায়ে বিচারকমন্ডলীরা জানান, তাদের দায়িত্ব শেষ; এবার আপনাদের পালা। সাথে সাথে সবাই যে যার ইচ্ছে মতো পিঠা তুলে নিয়েছেন প্লেটে, খেয়েছেন মনের আনন্দে। সবাই তৃপ্তির সাথে পিঠা খেয়ে মুগ্ধ হন। সেই সাথে আস্বাদন করেছেন গরম গরম খিচুরি, আলু ভাজি আর সব্জি।

পিঠা প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে ৬ জন বিজয়ী হয়েছেন। প্রথম হয়েছেন সুপর্না চৌধুরী, দ্বিতীয় শিল্পী পাল, ৩য় নীলিমা রায়,  ৪র্থ রত্না দেবনাথ, ৫ম  অমিতা মৃধা, ষষ্ট অনন্যা দাশ। পুরষ্কার স্পন্সর করেছেন মন্দিরের কো অর্ডিনেটর রতন হাওলাদার, শিব মন্দির, প্রশান্ত দাশ, রাহুল দাশ, সুজন বিশ্বাস এবং কুলেন্দু পাল। 


এ জাতীয় আরো খবর