শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১

খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল

  • নিজস্ব প্রতিবেদক :
image

ঢাকা, ১৫ মার্চ (ঢাকা পোস্ট) :  বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন। এখন নিয়মানুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সোমবার (১৫ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে খালেদা জিয়া এই ছয় মাসে বিদেশে যেতে পারবেন না বলেও ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। ২৫ মাস কারাভোগের পর করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর ২৫ মার্চ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার সাজা শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ছয় মাস সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সে মেয়াদ এ মাসেই শেষ হওয়ার কথা। 
গত ২ মার্চ খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আবারও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়, করোনাকালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই সময়ে তার কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাও সম্ভব হয়নি। তাই চিকিৎসার সুবিধার্থে তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার অনুমতিও চাওয়া হয় আবেদনে।
এরপর আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের পর তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়।
এ প্রসঙ্গে গত ৮ মার্চ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পরিবারের সাজা স্থগিতের সময়সীমা বাড়ানো এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য যে আবেদন, সেটি আমাদের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছিল। আগের মতো বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানোর বিষয়ে আমরা মতামত দিয়েছি। যে শর্তগুলো আগে ছিল সেগুলো হলো- তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন।
এদিন তিনি জানান, আবেদনে তারা একটা কথা লিখেছিলেন বিশেষায়িত চিকিৎসার ব্যাপারে, মতামতে বলা হয়েছে দেশের ভেতরে তিনি যদি বিশেষায়িত চিকিৎসা নেন, সরকারের তাতে কোনো আপত্তি নেই।
দণ্ড মওকুফ করে বিদেশে যাওয়ার আবেদনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, আমরা আবেদনপত্র পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এই মতামত দিয়েছি। তবে তার কোনো হাসপাতাল নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। তিনি স্পেশালিস্ট কাকে রাখবেন, সেই স্বাধীনতা তার রয়েছে।

 


এ জাতীয় আরো খবর