বুধবার, জুলাই ২৮, ২০২১

করোনার প্রভাব হ্রাস : মিশিগানের পর্যটন কেন্দ্রে গুলোতে ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক :
image

হ্যামট্রাম্যাক, ১১ জুলাই : আনন্দ উল্লাস, ভ্রমনে করোনার বাধা কেটেছে। উৎকণ্ঠা, ভীতি আর ঘরবন্দি জীবন, এসব নিয়েই কেটেছে  প্রায় দেড় বছর । ইতিমধ্যে মিশিগানে সরকারি বিধিনিষেধও শিথিল করা হয়েছে। ফের হাতছানি দিচ্ছে দূরদূরান্তের প্রকৃতি, কিংবা  দিগন্তছোঁয়া নীল জলরাশি। আর তাই ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিরা পরিবার পরিজন নিয়ে নিবিড়ভাবে উপভোগ করছেন সামার। সেই সাথে বনভোজন বা পিকনিকের আয়োজন চলছে।

করোনার কামড়ে বহুদিন কেটেছে ঘরবন্দি অবস্থায়। এখন আর ভ্রমণে আর কোনও বাধাই নেই। সব কিছু খুলে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্র এবং আকর্ষনীয় স্থানগুলো এখন উন্মুক্ত। আর তাই যেখানে মন চায়, সেখানেই ছুটছে মানুষ। সবাই যেন হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন। করোনার প্রভাব কমার কারণে এখানকার প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রেই  ভীড়  করছে  ভ্রমণপিপাসুরা। বিচ গুলোও লোকে লোকরন্য। মাক্স ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছেন পিকনিক ও পর্যটন স্পটে। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে।
সামারে উৎসব প্রিয় বাঙ্গালীদের আরেক আনন্দোৎসব হলো বার্ষিক বনভোজন বা পিকনিক।  ইতিমধ্যে এখানকার বিভিন্ন সংগঠন এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের ব্যানারে পিকনিকের প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। চলছে পিকনিকের তারিখ ঘোষণাও। ইতিমধ্যে একাধিক সংগঠন পিকনিকের তারিখ ঘোষণা করেছে। শুধুমাত্র বিভিন্ন সংগঠন বা সমিতির ব্যানারেই নয়, কয়েকটি পরিবার মিলেও বের হচ্ছেন আনন্দ ভ্রমন কিংবা পিকনিক-এ। 

সপ্তাহের শনিবার ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটি। তাই পুরো সামারের সাপ্তাহিক ছুটির এই দুদিন বাংলাদেশিরা মেতে উঠবে ব্যতিক্রমধর্মী এসব পিকনিক বা বনভোজনে। আকর্ষণীয় সব আয়োজন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বনভোজনের আনন্দ। এসব বনভোজনে  ২শ থেকে ৫শ মানুষের সমাগম ঘটে। মজার মজার সব খেলা আর ইভেন্টে পরিপূর্ণ থাকে এসব বনভোজন। বনভোজনের শুরুতেই মুড়ি চানাচুর, পিয়াজী, ডালের ভরা, ডাল পুরী, আলু পুরী এবং সিঙ্গারা দিয়ে সবাই সেরে নেন মধ্যাহ্ন পূর্ববর্তী স্ন্যাকস। থাকে খেলাধুলা। শিশু, মহিলাসহ সব বয়সী মানুষের জন্য পৃথক পৃথক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকে এসব বনভোজনে। দুপুরে খেলাধুলার মাঝখানে খাবার পরিবেশিত হয়। 
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীদের আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি বনভোজনে অংশগ্রহণকারীদের দেয়া হয় সান্ত্বনা পুরস্কার। সবশেষে পরিচালিত হয় আকর্ষণীয় র‍্যাফল ড্র। বনভোজনে আগতরা দিনব্যাপী বিভিন্ন ইভেন্টে সাজানো মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠান উৎসাহ উদ্দীপনায় উপভোগ করেন। 


 

এ জাতীয় আরো খবর