রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১

মিশিগানে গণেশ চতুর্থী পালন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক :
image

ওয়ারেন, ১১ সেপ্টেম্বর : বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের সর্বোচ্চ দেবতা গণেশ। গতকাল শুক্রবার শুরু হয়েছে গণেশ চতুর্থী। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থী তিথিতে গনেশ পূজা হয়। টানা ১০ দিন ধরে চলে গনেশ উত্‍সব।  হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, এই দিনে গণেশ তার ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে মর্ত্যে আসেন। 

ভারত, বাংলাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর আরও অনেক দেশে গনেশ পুজা হয়ে থাকে। বিশেষ করে লন্ডন, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, মরিশাস, আফ্রিকার ঘানা, ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের মতো জায়গায় গণেশ চতুর্থী উদযাপিত হয়। এদিকে মিশিগান  রাজ্যের বিভিন্ন সিটিতে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়রা তাদের মন্দির এবং বাসা বাড়িতে ভক্তিভরে পালন করছেন গণেশ চতুর্থী। গণেশ পূজার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে রয়েছে পূজা অর্চনা, সন্ধ্যারতি, প্রসাদ বিতরণ ইত্যাদি। আজ শনিবার ওয়ারেন সিটির বাসিন্দা সিনিয়র সফটওয়্যার ভেলিডেশন ইঞ্জিনিয়ার বালাজি রাজাগোপালান এবং তার সহধর্মিনী শ্রুতি রাভিন্দ্রন এর বাসভবনে সীমিত পরিসরে গণেশ পূজার আয়োজন করা হয়। এতে সুপ্রভাত মিশিগানের সম্পাদক চিন্ময় আচার্য্য, স্ত্রী বেবী আচার্য্য, বড় ছেলে সফটওয়্যার ভেলিডেশন ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় আচার্য্য, ছোট ছেলে রিস্ক এনালিস্ট তীর্থ আচার্য্য অংশ নেন।

বাংলায় গণেশ এক অত্যন্ত জনপ্রিয় দেবতা। ইনি ঘরে ঘরে পূজিত হন। তবে শুধুমাত্র গণেশের নামে উৎসর্গিত কোনও উৎসব বাংলায় পালিত হয় না। এই অঞ্চলে গণেশের সবচেয়ে বড় উৎসব পয়লা বৈশাখ তারিখে বাংলা নববর্ষের দিন পালিত হয়। প্রত্যেক বাঙালি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এইদিন গণেশ পূজিত হন। দুর্গাপূজার সময় গণেশ বিশেষভাবে পূজিত হন। দুর্গামূর্তির ডানদিকে অথবা কোনও কোনও ক্ষেত্রে বাঁদিকে গণেশের মূর্তি নির্মাণ করে পূজা করা হয়। এছাড়া ভাদ্র ও মাঘ মাসের শুক্লাচতুর্থী তিথিতেও ঘরোয়া গণেশ পূজা বাংলায় প্রচলিত। কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান এই সময় সর্বজনীন গণেশ পূজারও আয়োজন করে থাকেন। 


 

এ জাতীয় আরো খবর