বুধবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২২

৪০ লাখ টাকার ঘাটতি নিয়ে হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটির যাত্রা শুরু

  • নিজস্ব প্রতিবেদক :
image

হবিগঞ্জ, ২৪ ডিসেম্বর : জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটির যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার ঘাটতি নিয়ে। এই ঘাটতির মাঝে রয়েছে নতুন স্টেডিয়ামের দোকানঘরের জামানতের দায় ও বকেয়া বিদ্যুৎ বিল। কর্মচারীদের বেতনভাতাসহ আরও বকেয়া পাওনাও রয়েছে। ব্যাংক হিসাবে মাত্র ১হাজার ২শ টাকা নিয়েই কাজ শুরু করেছে এই কমিটি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আধুনিক স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে নতুন কমিটির প্রথম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই কমিটি।  আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকার পরও তারুণ্যে ভরপুর নতুন কমিটি বছরব্যাপি মাঠে খেলা রাখার আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এডভোকেট মো. আবু জাহির, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান ও পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি। 
যাত্রার শুরুতেই আর্থিক সমস্যা দূর করতে এমপি আবু জাহির ৩ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। নতুন নতুন অনেক খেলা আয়োজনের জন্য গঠন করা হয়েছে বিভিন্ন উপ-কমিটি। কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন কার্যকরি কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সাধারন পরিষদের সদস্যরাও। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক বদরুল আলমের সঞ্চালনায় প্রথম সভায়
প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এডভোকেট মো. আবু জাহির। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মিন্টু চৌধুরী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, শঙ্খ শুভ্র রায়, এডভোকেট সুলতান মাহমুদ, এডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক মঈনউদ্দিন তালুকদার সাচ্চু, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, রাসেল চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির চৌধুরী শাহেদ, সদস্য এডভোকেট বিভৎসু চক্রবর্তী বিভু, মকসুদুর রহমান উজ্জল, আসাদুজ্জামান, জামাল উদ্দিন তালুকদার খোকন,সুজন, মিজবা আহমেদ পুলক, মেজবা আহমেদ জামি, ইব্রাহিম খলিল সোহেল, শাহ আরেফিন সুমন,সৈয়দ আহমেদ, মশিউর রহমান নাইম, ফেরদৌস আহমেদ, শওকত আরা চৌধুরী ও লুৎফুন্নাহার চৌধুরী স্মৃতি।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমপি আবু জাহির বলেন, সততা নিষ্টা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সারা বছর মাঠে খেলা রাখতে হবে। এর জন্য একটি ক্রীড়া পুঞ্জি তৈরি করে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করলে জেলার ক্রীড়াঙ্গন অনেক এগিয়ে যাবে। 
সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন, ক্রীড়াঙ্গনকেএগিয়ে নিতে দানশীল ব্যাক্তি ও ক্রীড়ামোদিদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ আয়োজন এবং জাতীয় পর্যায়ে সফল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।
 বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি বলেন, খেলাধুলা নিয়মিত আয়োজন করা হলে যুব সমাজ মাদক থেকে দূরে থাকবে। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতেও খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে পুলিশ প্রশাসন পাশে থাকবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


এ জাতীয় আরো খবর