ঝড়ে দেয়াল ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ডেট্রয়েটের এ-লাইন প্রোডাক্টস কর্পোরেশনের ভবন। ঘটনাস্থলে তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা বলছেন তিন ব্যক্তি। ছবিটি ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর/Jose Juarez, Special To Detroit News
মেট্রো ডেট্রয়েট, ৪ সেপ্টেম্বর : দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আঘাত হানা ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবারের ঝড়ের পর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র খতিয়ে দেখছিলেন ডেট্রয়েটের বাসিন্দা ও নগর কর্মকর্তারা। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি শহরের পূর্বাঞ্চলে সম্ভাব্য টর্নেডোর আঘাতের মতো ঘটনাও ঘটেছে।
ডেট্রয়েটের মেয়র মেরি শেফিল্ড জানিয়েছেন, শহরে সত্যিই টর্নেডো আঘাত হেনেছিল কি না, তা কর্মকর্তারা এখনও “পুরোপুরি নিশ্চিত” হতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ডেট্রয়েটবাসী, আজ বিকেলে আমরা অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছি। আমি প্রার্থনা করি, সবাই যেন নিরাপদে এই পরিস্থিতি পার করতে পেরেছেন।”
মেয়র শহরের পূর্বাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। ইস্ট ভার্নর ও ইস্ট জেফারসন এবং মাউন্ট এলিয়ট ও ইস্ট গ্র্যান্ড বুলেভার্ডের মধ্যবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য টর্নেডোর কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শেফিল্ড বলেন, “আমি দেখেছি, অনেক বাড়িঘর ও ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন উপড়ে পড়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত, ওই এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত কারও গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।”
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় পাঠানো হবে। দলটি ক্ষয়ক্ষতির ধরন পর্যালোচনা করে সেখানে টর্নেডো আঘাত হেনেছিল কি না, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। তবে দলটি ঠিক কখন ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কর্মকর্তারা জানান, হোয়াইট লেক টাউনশিপে অবস্থিত ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে ডেট্রয়েটে যাওয়ার পথে দলটি মিশিগানের অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাও পরিদর্শন করতে পারে।
শেফিল্ড জানান, বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করতে নগর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে যৌথভাবে কাজ করছে।
এই কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে যেসব বিভাগকে কাজে লাগানো হয়েছে, তার তালিকাও তুলে ধরেন মেয়র শেফিল্ড:
ডেট্রয়েট ফায়ার ডিপার্টমেন্ট : বাসিন্দাদের খোঁজখবর নিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিদর্শন করছে।
জেনারেল সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট : রাস্তা ও ফুটপাতে পড়ে থাকা গাছপালা অপসারণে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করছে। বিশেষ করে যেসব গাছ পড়ে যাওয়ায় বাসিন্দারা নিজেদের বাড়িতে আটকা পড়ে থাকতে পারেন, সেসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে।
ডিপিডব্লিউ (DPW) প্রায় ৮০টি মোড়ে অচল হয়ে পড়া ট্রাফিক লাইটের বিষয়টি মোকাবিলায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেনারেটর ও ‘স্টপ সাইন’ ব্যবহারের ব্যবস্থা করছে। পাশাপাশি ডিপিডব্লিউ কর্মীরা রাস্তা থেকে ভবনের ধ্বংসাবশেষও অপসারণ করবেন।
বিল্ডিং ইন্সপেকশন টিম : ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো শনাক্ত করবে। এসব ভবনে প্রবেশ করা নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন করা হবে।
ডিপার্টমেন্ট অব হিউম্যান, হোমলেস অ্যান্ড ফ্যামিলি সার্ভিসেস: যেসব পরিবারের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যাদের জরুরি আশ্রয়ের প্রয়োজন হতে পারে, তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
“আমাদের শহরের বাসিন্দা ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান—উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহর কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে,” ‘এক্স’ (X)-এ পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় মেয়র মেরি শেফিল্ড এ কথা বলেন।
২ সেপ্টেম্বরের ঝড়ের পর ৩ সেপ্টেম্বর আবারও দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে আঘাত হানে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এ সময় টর্নেডোর সতর্কতা জারি করা হয়। ঝড়ের তীব্রতার সময় ওই অঞ্চলে ৩ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েন।
ডেট্রয়েট নগর কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের প্রতিবেশীদের খোঁজখবর নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তার, উপড়ে পড়া গাছপালা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের তাণ্ডব
বৃহস্পতিবার গ্রাটিয়ট অ্যাভিনিউয়ের পূর্ব দিকে এবং ম্যাক অ্যাভিনিউয়ের দক্ষিণে একটি এলাকায় ব্যাপকভাবে গাছপালা ভেঙে পড়ে। প্রেস্টন স্ট্রিটে একটি সাদা ক্যাডিলাক গাড়ি ভেঙে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়।
বার্ট ডেভিস জানান, বিকেলে আকাশ যখন “কালো হয়ে আসে”, তখনই তিনি বুঝতে পারেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ধেয়ে আসছে। প্রেস্টন স্ট্রিটে অবস্থিত তাঁর মায়ের বাড়িতে অবস্থানকালে তিনি হঠাৎ কিছু একটা আঘাত করার শব্দ শুনতে পান।
“তখন মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওটা কী ছিল?’” ডেভিস বলেন। “আমি বললাম, ‘মা, আমার মনে হয় আমাদের গাছটাই বাড়ির ওপর পড়েছে।’”
গ্রস পয়েন্ট পার্কের বাসিন্দা ডেভিস তাঁর মায়ের দেখাশোনা করেন। তিনি জানান, একটি বড় গাছ ভেঙে বাড়ির ওপর পড়ে তাঁর মায়ের ঘরের ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে গাছটি বাড়ির বেড়া ও আবর্জনার পাত্রও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ডেভিস বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে তিনি বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন, কারণ তাঁর মা শয্যাশায়ী।
এলাকায় টর্নেডো আঘাত হেনেছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ডেভিসের বিশ্বাস, সেখানে সত্যিই টর্নেডো আঘাত হেনেছিল।
“বাতাসের গতিবেগ ছিল অত্যন্ত তীব্র,” তিনি বলেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com
মেট্রো ডেট্রয়েট, ৪ সেপ্টেম্বর : দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আঘাত হানা ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবারের ঝড়ের পর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র খতিয়ে দেখছিলেন ডেট্রয়েটের বাসিন্দা ও নগর কর্মকর্তারা। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি শহরের পূর্বাঞ্চলে সম্ভাব্য টর্নেডোর আঘাতের মতো ঘটনাও ঘটেছে।
ডেট্রয়েটের মেয়র মেরি শেফিল্ড জানিয়েছেন, শহরে সত্যিই টর্নেডো আঘাত হেনেছিল কি না, তা কর্মকর্তারা এখনও “পুরোপুরি নিশ্চিত” হতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ডেট্রয়েটবাসী, আজ বিকেলে আমরা অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছি। আমি প্রার্থনা করি, সবাই যেন নিরাপদে এই পরিস্থিতি পার করতে পেরেছেন।”
মেয়র শহরের পূর্বাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। ইস্ট ভার্নর ও ইস্ট জেফারসন এবং মাউন্ট এলিয়ট ও ইস্ট গ্র্যান্ড বুলেভার্ডের মধ্যবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য টর্নেডোর কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শেফিল্ড বলেন, “আমি দেখেছি, অনেক বাড়িঘর ও ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন উপড়ে পড়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত, ওই এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত কারও গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।”
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় পাঠানো হবে। দলটি ক্ষয়ক্ষতির ধরন পর্যালোচনা করে সেখানে টর্নেডো আঘাত হেনেছিল কি না, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। তবে দলটি ঠিক কখন ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কর্মকর্তারা জানান, হোয়াইট লেক টাউনশিপে অবস্থিত ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে ডেট্রয়েটে যাওয়ার পথে দলটি মিশিগানের অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাও পরিদর্শন করতে পারে।
শেফিল্ড জানান, বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করতে নগর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে যৌথভাবে কাজ করছে।
এই কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে যেসব বিভাগকে কাজে লাগানো হয়েছে, তার তালিকাও তুলে ধরেন মেয়র শেফিল্ড:
ডেট্রয়েট ফায়ার ডিপার্টমেন্ট : বাসিন্দাদের খোঁজখবর নিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিদর্শন করছে।
জেনারেল সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট : রাস্তা ও ফুটপাতে পড়ে থাকা গাছপালা অপসারণে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করছে। বিশেষ করে যেসব গাছ পড়ে যাওয়ায় বাসিন্দারা নিজেদের বাড়িতে আটকা পড়ে থাকতে পারেন, সেসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে।
ডিপিডব্লিউ (DPW) প্রায় ৮০টি মোড়ে অচল হয়ে পড়া ট্রাফিক লাইটের বিষয়টি মোকাবিলায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেনারেটর ও ‘স্টপ সাইন’ ব্যবহারের ব্যবস্থা করছে। পাশাপাশি ডিপিডব্লিউ কর্মীরা রাস্তা থেকে ভবনের ধ্বংসাবশেষও অপসারণ করবেন।
বিল্ডিং ইন্সপেকশন টিম : ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো শনাক্ত করবে। এসব ভবনে প্রবেশ করা নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন করা হবে।
ডিপার্টমেন্ট অব হিউম্যান, হোমলেস অ্যান্ড ফ্যামিলি সার্ভিসেস: যেসব পরিবারের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যাদের জরুরি আশ্রয়ের প্রয়োজন হতে পারে, তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
“আমাদের শহরের বাসিন্দা ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান—উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহর কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে,” ‘এক্স’ (X)-এ পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় মেয়র মেরি শেফিল্ড এ কথা বলেন।
২ সেপ্টেম্বরের ঝড়ের পর ৩ সেপ্টেম্বর আবারও দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে আঘাত হানে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এ সময় টর্নেডোর সতর্কতা জারি করা হয়। ঝড়ের তীব্রতার সময় ওই অঞ্চলে ৩ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েন।
ডেট্রয়েট নগর কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের প্রতিবেশীদের খোঁজখবর নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তার, উপড়ে পড়া গাছপালা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের তাণ্ডব
বৃহস্পতিবার গ্রাটিয়ট অ্যাভিনিউয়ের পূর্ব দিকে এবং ম্যাক অ্যাভিনিউয়ের দক্ষিণে একটি এলাকায় ব্যাপকভাবে গাছপালা ভেঙে পড়ে। প্রেস্টন স্ট্রিটে একটি সাদা ক্যাডিলাক গাড়ি ভেঙে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়।
বার্ট ডেভিস জানান, বিকেলে আকাশ যখন “কালো হয়ে আসে”, তখনই তিনি বুঝতে পারেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ধেয়ে আসছে। প্রেস্টন স্ট্রিটে অবস্থিত তাঁর মায়ের বাড়িতে অবস্থানকালে তিনি হঠাৎ কিছু একটা আঘাত করার শব্দ শুনতে পান।
“তখন মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওটা কী ছিল?’” ডেভিস বলেন। “আমি বললাম, ‘মা, আমার মনে হয় আমাদের গাছটাই বাড়ির ওপর পড়েছে।’”
গ্রস পয়েন্ট পার্কের বাসিন্দা ডেভিস তাঁর মায়ের দেখাশোনা করেন। তিনি জানান, একটি বড় গাছ ভেঙে বাড়ির ওপর পড়ে তাঁর মায়ের ঘরের ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে গাছটি বাড়ির বেড়া ও আবর্জনার পাত্রও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ডেভিস বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে তিনি বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন, কারণ তাঁর মা শয্যাশায়ী।
এলাকায় টর্নেডো আঘাত হেনেছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ডেভিসের বিশ্বাস, সেখানে সত্যিই টর্নেডো আঘাত হেনেছিল।
“বাতাসের গতিবেগ ছিল অত্যন্ত তীব্র,” তিনি বলেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com