ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর : চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বরদাশত করা হবে না। শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের হাতে অতিষ্ঠ। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি ভুতুড়ে বিলের কারণে মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। সিফাত নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্যের ভাষাকে সমর্থন না করলেও যে বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছেন, প্রয়োজনে দেশের কোটি কোটি মানুষ সেই প্রতিবাদে সোচ্চার হবে। সিফাতকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, না হলে অতীতের গণআন্দোলনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
লংমার্চ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের দাবিতে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
সমাবেশ শেষে প্রায় দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হয়। পথে কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা হওয়ার কথা রয়েছে। পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।
১১ দলের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
উদ্বোধনী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আনোয়ারুল ইসলাম চান, মুফতি ফখরুল ইসলাম, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, নুরুল ইসলাম বুলবুল, সেলিম উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ড. রেজাউল করিম ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের হাতে অতিষ্ঠ। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি ভুতুড়ে বিলের কারণে মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। সিফাত নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্যের ভাষাকে সমর্থন না করলেও যে বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছেন, প্রয়োজনে দেশের কোটি কোটি মানুষ সেই প্রতিবাদে সোচ্চার হবে। সিফাতকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, না হলে অতীতের গণআন্দোলনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
লংমার্চ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের দাবিতে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
সমাবেশ শেষে প্রায় দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হয়। পথে কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা হওয়ার কথা রয়েছে। পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।
১১ দলের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
উদ্বোধনী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আনোয়ারুল ইসলাম চান, মুফতি ফখরুল ইসলাম, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, নুরুল ইসলাম বুলবুল, সেলিম উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ড. রেজাউল করিম ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।