হেনরি মন্টগোমারি/Detroit police
ডেট্রয়েট, ১১ সেপ্টেম্বর : একটি র্যাকুন পুড়িয়ে হত্যা এবং সেই ঘটনার ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের অভিযোগে প্রাণী নির্যাতনের দায় স্বীকার করেছেন ডেট্রয়েটের এক ব্যক্তি। কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানায়, ৩৮ বছর বয়সী হেনরি বার্নার্ড মন্টগোমারি বৃহস্পতিবার ডেট্রয়েটের ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টে দোষ স্বীকার করেন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃতীয় মাত্রার প্রাণী হত্যা বা নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা সর্বোচ্চ চার বছর কারাদণ্ডযোগ্য একটি গুরুতর অপরাধ।
আগামী ১৪ অক্টোবর তাঁর সাজা ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। দোষ স্বীকারের চুক্তি অনুযায়ী, তাঁকে ১৮ মাসের প্রবেশন দেওয়া হবে। প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, এ মেয়াদ প্রচলিত সাজা নির্দেশিকার শূন্য থেকে ১১ মাসের সীমার চেয়ে বেশি।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রবেশন চলাকালে মন্টগোমারি কোনো পোষা প্রাণী রাখতে পারবেন না। এছাড়া তাঁকে ৮০ ঘণ্টা সমাজসেবামূলক কাজ, জরিমানা ও সংশ্লিষ্ট খরচ পরিশোধ এবং প্রাণী সুরক্ষা বিষয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে।
এক বিবৃতিতে ওয়েইন কাউন্টির প্রসিকিউটর কিম ওয়ার্দি বলেন, “অভিযুক্তের কর্মকাণ্ডে কী ধরনের বিকৃত আনন্দ ছিল, তা কল্পনা করাও কঠিন। ঘটনাটি অবিশ্বাস্য মনে হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটি সত্য। এতে অবাক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু আমি অবাক নই।”
শুক্রবার মন্তব্যের জন্য মন্টগোমারির আইনজীবীর সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০১৭ সালের ১৭ জুন সকাল পৌনে ১১টার দিকে ডেট্রয়েটের পশ্চিম পাশে গ্র্যান্ড রিভার ও ওয়াইমিং এভিনিউয়ের কাছে ওয়াশবার্ন স্ট্রিটের ১২০০০ ব্লকের একটি বাড়িতে মন্টগোমারি একটি র্যাকুনকে জীবন্ত পুড়িয়ে নির্যাতন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রাণীটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর তিনি নিজের ফেসবুক পেজে ঘটনার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি পরে হাজারো মানুষ শেয়ার ও মন্তব্য করেন। অনেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ডেট্রয়েট পুলিশ, প্রসিকিউটরের কার্যালয়, গণমাধ্যম ও প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে ট্যাগ করেন। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
ভিডিওতে মন্টগোমারিকে বলতে শোনা যায়, “আমি একটি পোসাম ধরেছিলাম এবং সেটিকে পুড়িয়ে মেরেছি। ওটা পোসাম—বা ছিল পোসাম। দেখতে অনেকটা কুকুরের মতো, কিন্তু কুকুর নয়।” এরপর তিনি প্রাণীটিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার কথা বলেন।
নিজের পোস্টে মন্টগোমারি দাবি করেন, তিনি প্রাণী নিয়ন্ত্রণ বিভাগে ফোন করলেও তারা সাড়া দেয়নি। ফলে বাড়ির পেছনের আঙিনায় থাকা বিপজ্জনক বন্য প্রাণীগুলো তাঁকেই ধরতে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, তিনটি গ্রাউন্ডহগসহ আরেকটি প্রাণী ধরেছিলেন, যেটিকে তিনি রসিকতা করে ‘ক্রিসপি ক্রিম’-এ পরিণত করার কথা বলেন। প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি নিজেকেই সামাল দিতে হয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ডেট্রয়েট পুলিশ ২০ জুন মন্টগোমারিকে গ্রেপ্তার করে। এর দুই দিন পর ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
ডেট্রয়েট, ১১ সেপ্টেম্বর : একটি র্যাকুন পুড়িয়ে হত্যা এবং সেই ঘটনার ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের অভিযোগে প্রাণী নির্যাতনের দায় স্বীকার করেছেন ডেট্রয়েটের এক ব্যক্তি। কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানায়, ৩৮ বছর বয়সী হেনরি বার্নার্ড মন্টগোমারি বৃহস্পতিবার ডেট্রয়েটের ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টে দোষ স্বীকার করেন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃতীয় মাত্রার প্রাণী হত্যা বা নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা সর্বোচ্চ চার বছর কারাদণ্ডযোগ্য একটি গুরুতর অপরাধ।
আগামী ১৪ অক্টোবর তাঁর সাজা ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। দোষ স্বীকারের চুক্তি অনুযায়ী, তাঁকে ১৮ মাসের প্রবেশন দেওয়া হবে। প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, এ মেয়াদ প্রচলিত সাজা নির্দেশিকার শূন্য থেকে ১১ মাসের সীমার চেয়ে বেশি।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রবেশন চলাকালে মন্টগোমারি কোনো পোষা প্রাণী রাখতে পারবেন না। এছাড়া তাঁকে ৮০ ঘণ্টা সমাজসেবামূলক কাজ, জরিমানা ও সংশ্লিষ্ট খরচ পরিশোধ এবং প্রাণী সুরক্ষা বিষয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে।
এক বিবৃতিতে ওয়েইন কাউন্টির প্রসিকিউটর কিম ওয়ার্দি বলেন, “অভিযুক্তের কর্মকাণ্ডে কী ধরনের বিকৃত আনন্দ ছিল, তা কল্পনা করাও কঠিন। ঘটনাটি অবিশ্বাস্য মনে হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটি সত্য। এতে অবাক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু আমি অবাক নই।”
শুক্রবার মন্তব্যের জন্য মন্টগোমারির আইনজীবীর সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০১৭ সালের ১৭ জুন সকাল পৌনে ১১টার দিকে ডেট্রয়েটের পশ্চিম পাশে গ্র্যান্ড রিভার ও ওয়াইমিং এভিনিউয়ের কাছে ওয়াশবার্ন স্ট্রিটের ১২০০০ ব্লকের একটি বাড়িতে মন্টগোমারি একটি র্যাকুনকে জীবন্ত পুড়িয়ে নির্যাতন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রাণীটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর তিনি নিজের ফেসবুক পেজে ঘটনার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি পরে হাজারো মানুষ শেয়ার ও মন্তব্য করেন। অনেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ডেট্রয়েট পুলিশ, প্রসিকিউটরের কার্যালয়, গণমাধ্যম ও প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে ট্যাগ করেন। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
ভিডিওতে মন্টগোমারিকে বলতে শোনা যায়, “আমি একটি পোসাম ধরেছিলাম এবং সেটিকে পুড়িয়ে মেরেছি। ওটা পোসাম—বা ছিল পোসাম। দেখতে অনেকটা কুকুরের মতো, কিন্তু কুকুর নয়।” এরপর তিনি প্রাণীটিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার কথা বলেন।
নিজের পোস্টে মন্টগোমারি দাবি করেন, তিনি প্রাণী নিয়ন্ত্রণ বিভাগে ফোন করলেও তারা সাড়া দেয়নি। ফলে বাড়ির পেছনের আঙিনায় থাকা বিপজ্জনক বন্য প্রাণীগুলো তাঁকেই ধরতে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, তিনটি গ্রাউন্ডহগসহ আরেকটি প্রাণী ধরেছিলেন, যেটিকে তিনি রসিকতা করে ‘ক্রিসপি ক্রিম’-এ পরিণত করার কথা বলেন। প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি নিজেকেই সামাল দিতে হয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ডেট্রয়েট পুলিশ ২০ জুন মন্টগোমারিকে গ্রেপ্তার করে। এর দুই দিন পর ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।
Source & Photo: http://detroitnews.com