ইস্ট ল্যানসিং, ১২ সেপ্টেম্বর : সাউথ হাগাডর্ন রোডে অবস্থিত মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি হেলথ কেয়ার সেন্টারে কর্মরত এক চিকিৎসককে গত বছরের শুরুতে দুই রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর কাছে চিকিৎসা নেওয়া অন্য রোগীদের কাছ থেকেও তথ্য বা অভিযোগ জানতে চাইছে পুলিশ।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি পুলিশের প্রধান মাইক ইয়াঙ্কোস্কি ১১ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ৩ সেপ্টেম্বর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ৩৯ বছর বয়সী অর্পিত সাক্সেনাকে ১০ সেপ্টেম্বর জর্জিয়ার আটলান্টা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সাক্সেনার বিরুদ্ধে দুই ভুক্তভোগীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘তৃতীয় ডিগ্রির অপরাধমূলক যৌন আচরণ’-এর তিনটি এবং ‘চতুর্থ ডিগ্রির অপরাধমূলক যৌন আচরণ’-এর একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতের নথিতে অর্পিত সাক্সেনার পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
আদালতের নথিতে ঘটনার তারিখ হিসেবে ৩ এপ্রিল ২০২৫ উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ওই দিন এক নারী অভিযোগ করেন, একজন চিকিৎসক তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এমএসইউ পুলিশ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যায়।
এমএসইউ কর্মকর্তারা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি (DPPS)-এর তদন্ত চলাকালে দ্বিতীয় এক প্রাপ্তবয়স্ক নারী ভুক্তভোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। তিনিও অভিযোগ করেন, একই আবাসিক চিকিৎসক তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন।
পুলিশ জানায়, অর্পিত সাক্সেনা ২০২৪ সালের জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। ৭ এপ্রিল ২০২৫-এর পর তিনি আর রোগী দেখা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।
পুলিশ জানায়, ৪ সেপ্টেম্বর থেকে তারা অর্পিত সাক্সেনার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিল। পরে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জর্জিয়ার আটলান্টা থেকে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি জর্জিয়ায় আটক রয়েছেন। তাঁকে মিশিগানে ফিরিয়ে আনতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, এমএসইউ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত অর্পিত সাক্সেনার কাছে চিকিৎসা নেওয়া সব রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তাঁর কাছে চিকিৎসা নেওয়া কোনো রোগীর উদ্বেগ বা অসদাচরণের অভিযোগ থাকলে ৮৪৪-৯৯-এমএসইউপিডি (844-99-MSUPD) নম্বরে অথবা [email protected] ই-মেইলে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগের সমর্থনে আদালতে দাখিল করা নথিতে পুলিশ উল্লেখ করেছে, ওই দুই নারী অভিযোগ করেছেন যে চিকিৎসা পরীক্ষার সময় অর্পিত সাক্সেনা তাঁদের যৌন নিপীড়ন করেন। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী, চিকিৎসক তাঁদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণ বা স্পর্শ করেছিলেন।
আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে যে অভিযুক্ত সাক্সেনা উভয় ভুক্তভোগীর ওপর জোর বা চাপ প্রয়োগ করে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন। নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ড কোনো প্রয়োজনীয় বা অনুমোদিত চিকিৎসা-প্রক্রিয়ার অংশ ছিল না। শুক্রবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের পর এমএসইউ (MSU) দ্বিতীয়বারের মতো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “রোগীরা মর্যাদা, সম্মান ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার রাখেন। এই আস্থা ক্ষুণ্ণ হওয়ায় আমরা দুঃখিত। এ ঘটনায় যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং অপব্যবহারের শিকার ব্যক্তিদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমাদের সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর এসব কর্মকাণ্ডের প্রভাব আমরা উপলব্ধি করছি এবং তাঁদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি ও সংবেদনশীলতা প্রকাশ করছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “যারা এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে চান, উপলব্ধ সহায়তা ও রিসোর্স সম্পর্কে জানতে চান কিংবা কীভাবে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করতে চান, তাঁদের জন্য এমএসইউ ডিপিএস (MSU DPPS) একটি হটলাইন—৮৪৪-৯৯-এমএসইউপিডি (844-996-7873) এবং ই-মেইল ঠিকানা ([email protected]) চালু করেছে। এছাড়া ‘সেন্টার ফর সারভাইভারস’-এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সহায়তা ও প্রয়োজনীয় রিসোর্স পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ জন্য ৫১৭-৩৭২-৬৬৬৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি পুলিশের প্রধান মাইক ইয়াঙ্কোস্কি ১১ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ৩ সেপ্টেম্বর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ৩৯ বছর বয়সী অর্পিত সাক্সেনাকে ১০ সেপ্টেম্বর জর্জিয়ার আটলান্টা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সাক্সেনার বিরুদ্ধে দুই ভুক্তভোগীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘তৃতীয় ডিগ্রির অপরাধমূলক যৌন আচরণ’-এর তিনটি এবং ‘চতুর্থ ডিগ্রির অপরাধমূলক যৌন আচরণ’-এর একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতের নথিতে অর্পিত সাক্সেনার পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
আদালতের নথিতে ঘটনার তারিখ হিসেবে ৩ এপ্রিল ২০২৫ উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ওই দিন এক নারী অভিযোগ করেন, একজন চিকিৎসক তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এমএসইউ পুলিশ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যায়।
এমএসইউ কর্মকর্তারা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি (DPPS)-এর তদন্ত চলাকালে দ্বিতীয় এক প্রাপ্তবয়স্ক নারী ভুক্তভোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। তিনিও অভিযোগ করেন, একই আবাসিক চিকিৎসক তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন।
পুলিশ জানায়, অর্পিত সাক্সেনা ২০২৪ সালের জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। ৭ এপ্রিল ২০২৫-এর পর তিনি আর রোগী দেখা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।
পুলিশ জানায়, ৪ সেপ্টেম্বর থেকে তারা অর্পিত সাক্সেনার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিল। পরে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জর্জিয়ার আটলান্টা থেকে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি জর্জিয়ায় আটক রয়েছেন। তাঁকে মিশিগানে ফিরিয়ে আনতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, এমএসইউ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত অর্পিত সাক্সেনার কাছে চিকিৎসা নেওয়া সব রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তাঁর কাছে চিকিৎসা নেওয়া কোনো রোগীর উদ্বেগ বা অসদাচরণের অভিযোগ থাকলে ৮৪৪-৯৯-এমএসইউপিডি (844-99-MSUPD) নম্বরে অথবা [email protected] ই-মেইলে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগের সমর্থনে আদালতে দাখিল করা নথিতে পুলিশ উল্লেখ করেছে, ওই দুই নারী অভিযোগ করেছেন যে চিকিৎসা পরীক্ষার সময় অর্পিত সাক্সেনা তাঁদের যৌন নিপীড়ন করেন। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী, চিকিৎসক তাঁদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণ বা স্পর্শ করেছিলেন।
আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে যে অভিযুক্ত সাক্সেনা উভয় ভুক্তভোগীর ওপর জোর বা চাপ প্রয়োগ করে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন। নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ড কোনো প্রয়োজনীয় বা অনুমোদিত চিকিৎসা-প্রক্রিয়ার অংশ ছিল না। শুক্রবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের পর এমএসইউ (MSU) দ্বিতীয়বারের মতো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “রোগীরা মর্যাদা, সম্মান ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার রাখেন। এই আস্থা ক্ষুণ্ণ হওয়ায় আমরা দুঃখিত। এ ঘটনায় যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং অপব্যবহারের শিকার ব্যক্তিদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমাদের সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর এসব কর্মকাণ্ডের প্রভাব আমরা উপলব্ধি করছি এবং তাঁদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি ও সংবেদনশীলতা প্রকাশ করছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “যারা এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে চান, উপলব্ধ সহায়তা ও রিসোর্স সম্পর্কে জানতে চান কিংবা কীভাবে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করতে চান, তাঁদের জন্য এমএসইউ ডিপিএস (MSU DPPS) একটি হটলাইন—৮৪৪-৯৯-এমএসইউপিডি (844-996-7873) এবং ই-মেইল ঠিকানা ([email protected]) চালু করেছে। এছাড়া ‘সেন্টার ফর সারভাইভারস’-এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সহায়তা ও প্রয়োজনীয় রিসোর্স পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ জন্য ৫১৭-৩৭২-৬৬৬৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com