বরিশাল, ১২ সেপ্টেম্বর : জাতীয় দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরো চিফ পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধা ৭টায় ব্যুরো অফিস থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তার হাতে লেখা পাঁচটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়।
সমকালের বরিশাল ব্যুরো প্রধান সুমন চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া চিরকুটগুলোর একটি ছিল পুলকের স্ত্রীর উদ্দেশে লেখা। অন্যগুলো বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, সমকাল ব্যুরো প্রধান সুমন চৌধুরী ও পুলকের ভাইয়ের উদ্দেশে লেখা। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুটে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ করেছেন পুলক। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও চিকিৎসার নানা চেষ্টার কথাও সেখানে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ নিয়ে যেন পরিবারের সদস্যদের কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে অনুরোধও করেছেন তিনি।
সুমনের উদ্দেশে লেখা চিরকুটে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে বিরক্ত করার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন পুলক।
পুলক প্রায় তিন বছর ধরে সমকালে চাকরি করছিলেন না। বর্তমান ব্যুরোর দায়িত্বে থাকা সাংবাদিক সুমন চৌধুরি জানান, পুলক চ্যাটার্জির কাছে অফিসের একটা চাবি থাকত। তিনি প্রায়শই রাতে এসে অফিস খুলে সময় কাটাতেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমন অফিসে এসে দেখেন ভিতর থেকে অফিস তালাবদ্ধ। দরজা একটু ফাঁক করে দেখেন গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পুলক চ্যাটার্জি ঝুলছেন। এসময় দ্রুত পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে পুলক চ্যাটার্জির মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তার হাতে লেখা পাঁচটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। চিরকুটগুলো যাচাই করে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে নিজের মরদেহের ময়নাতদন্ত না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন পুলক।
এর আগে বিকেলে পুলকের স্ত্রী প্রেসক্লাবের অফিস স্টাফ মানিকসহ কয়েকজন সাংবাদিককে ফোন করে পুলক কোথায় আছেন, তা জানতে চান। তবে কেউ তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জানাতে পারেননি।
পুলক চ্যাটার্জি ১৯৯৯ সালে দৈনিক যুগান্তর প্রকাশের সময় বরিশাল ব্যুরো অফিসে জুনিয়র রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। প্রায় পাঁচ বছর পর দৈনিক সমকাল প্রকাশিত হলে তিনি সেখানে বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসেবে যোগ দেন। ১৮ বছরের বেশি সময় সমকালে কাজ করার পর ২০২৩ সালের মাঝামাঝি তাঁকে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়তে হয়।
সমকালের বরিশাল ব্যুরো প্রধান সুমন চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া চিরকুটগুলোর একটি ছিল পুলকের স্ত্রীর উদ্দেশে লেখা। অন্যগুলো বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, সমকাল ব্যুরো প্রধান সুমন চৌধুরী ও পুলকের ভাইয়ের উদ্দেশে লেখা। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুটে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ করেছেন পুলক। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও চিকিৎসার নানা চেষ্টার কথাও সেখানে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ নিয়ে যেন পরিবারের সদস্যদের কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে অনুরোধও করেছেন তিনি।
সুমনের উদ্দেশে লেখা চিরকুটে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে বিরক্ত করার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন পুলক।
পুলক প্রায় তিন বছর ধরে সমকালে চাকরি করছিলেন না। বর্তমান ব্যুরোর দায়িত্বে থাকা সাংবাদিক সুমন চৌধুরি জানান, পুলক চ্যাটার্জির কাছে অফিসের একটা চাবি থাকত। তিনি প্রায়শই রাতে এসে অফিস খুলে সময় কাটাতেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমন অফিসে এসে দেখেন ভিতর থেকে অফিস তালাবদ্ধ। দরজা একটু ফাঁক করে দেখেন গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পুলক চ্যাটার্জি ঝুলছেন। এসময় দ্রুত পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে পুলক চ্যাটার্জির মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তার হাতে লেখা পাঁচটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। চিরকুটগুলো যাচাই করে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে নিজের মরদেহের ময়নাতদন্ত না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন পুলক।
এর আগে বিকেলে পুলকের স্ত্রী প্রেসক্লাবের অফিস স্টাফ মানিকসহ কয়েকজন সাংবাদিককে ফোন করে পুলক কোথায় আছেন, তা জানতে চান। তবে কেউ তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জানাতে পারেননি।
পুলক চ্যাটার্জি ১৯৯৯ সালে দৈনিক যুগান্তর প্রকাশের সময় বরিশাল ব্যুরো অফিসে জুনিয়র রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। প্রায় পাঁচ বছর পর দৈনিক সমকাল প্রকাশিত হলে তিনি সেখানে বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসেবে যোগ দেন। ১৮ বছরের বেশি সময় সমকালে কাজ করার পর ২০২৩ সালের মাঝামাঝি তাঁকে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়তে হয়।