ওয়ারেন, ১৭ সেপ্টেম্বর : শরৎ যেন কড়া নাড়ছে মিশিগানের দুয়ারে। নীল আকাশ, সাদা মেঘের ভেলা, শিউলি ফুলের সুবাস আর কাশফুলের দোল প্রকৃতির এই চিরচেনা রূপের সঙ্গে বাঙালির হৃদয়ে বেজে ওঠে আগমনী সুর। আর সেই সুরের পথ ধরে আসছেন জগৎজননী মা দুর্গা।
শরৎ মানেই বাঙালির কাছে শারদীয় দুর্গোৎসব। তাই মিশিগানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সনাতনী হিন্দুদের মধ্যেও এখন শুরু হয়েছে দুর্গাপূজার কাউন্টডাউন। দূর প্রবাসে থেকেও শিকড়ের টান, ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়ে মা দুর্গাকে বরণ করার প্রস্তুতি চলছে বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে।
এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে ১৬ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর বিজয়া দশমীর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবকে ঘিরে মিশিগানের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হচ্ছে উৎসবের আবহ। পূজার পাশাপাশি নাচ, গান, আরতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটকসহ নানা আয়োজন থাকবে।
প্রবাসে দুর্গাপূজা হলেও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কোনো কমতি থাকে না। তিথি অনুযায়ী নবপত্রিকা প্রবেশ, সন্ধিপূজা, আরতি, দর্পণ বিসর্জনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়। কোথাও কোথাও সপ্তাহান্তে বিজয়া দশমী ও বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পূজার আনন্দ ভাগ করে নেবেন প্রবাসী বাঙালিরা।
এবারের দুর্গোৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে মিশিগানে আসছেন ভারতের কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী। পূজার বিভিন্ন আয়োজন মাতাবেন তারা। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনাও থাকবে বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপের অনুষ্ঠানে।
অ্যান আরবারের ওয়াশটেনাও কমিউনিটি কলেজ আয়োজিত সঙ্গীত সন্ধ্যায় গান পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সংগীতশিল্পী সৌম্য এবং পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় স্বাধীন সংগীতশিল্পী ঋষি পান্ডা।
এবার মিশিগানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মন্দির ও পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শিব মন্দির, টেম্পল অব জয়, মিশিগান কালীবাড়ি, ডেট্রয়েট দুর্গা মন্দির, রাধাকৃষ্ণ টেম্পল এবং স্বজন অব গ্রেট লেকসসহ আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ।
বেশিরভাগ মন্দির ও মণ্ডপে তিথি অনুযায়ী ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। কোনো কোনো মন্দিরে সপ্তাহান্তে বিজয়া দশমী ও বিশেষ সেলিব্রেশনের আয়োজন করা হবে।
দূর প্রবাসে থেকেও বাঙালির সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবকে ঘিরে যেন ফিরে আসে বাংলার শরৎ। ঢাকের বাদ্যি, ধূপের গন্ধ, উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি আর ‘বলো দুর্গা মাই কি জয়’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে মিশিগানের পূজামণ্ডপগুলো।
মা দুর্গার আগমনে দূর হবে অশুভ, প্রতিষ্ঠিত হবে শুভ ও কল্যাণ এই প্রার্থনাতেই এখন দিন গুনছেন মিশিগানের প্রবাসী সনাতনী বাঙালিরা।
শরৎ মানেই বাঙালির কাছে শারদীয় দুর্গোৎসব। তাই মিশিগানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সনাতনী হিন্দুদের মধ্যেও এখন শুরু হয়েছে দুর্গাপূজার কাউন্টডাউন। দূর প্রবাসে থেকেও শিকড়ের টান, ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়ে মা দুর্গাকে বরণ করার প্রস্তুতি চলছে বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে।
এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে ১৬ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর বিজয়া দশমীর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবকে ঘিরে মিশিগানের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হচ্ছে উৎসবের আবহ। পূজার পাশাপাশি নাচ, গান, আরতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটকসহ নানা আয়োজন থাকবে।
প্রবাসে দুর্গাপূজা হলেও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কোনো কমতি থাকে না। তিথি অনুযায়ী নবপত্রিকা প্রবেশ, সন্ধিপূজা, আরতি, দর্পণ বিসর্জনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়। কোথাও কোথাও সপ্তাহান্তে বিজয়া দশমী ও বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পূজার আনন্দ ভাগ করে নেবেন প্রবাসী বাঙালিরা।
এবারের দুর্গোৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে মিশিগানে আসছেন ভারতের কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী। পূজার বিভিন্ন আয়োজন মাতাবেন তারা। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনাও থাকবে বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপের অনুষ্ঠানে।
অ্যান আরবারের ওয়াশটেনাও কমিউনিটি কলেজ আয়োজিত সঙ্গীত সন্ধ্যায় গান পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সংগীতশিল্পী সৌম্য এবং পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় স্বাধীন সংগীতশিল্পী ঋষি পান্ডা।
এবার মিশিগানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মন্দির ও পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শিব মন্দির, টেম্পল অব জয়, মিশিগান কালীবাড়ি, ডেট্রয়েট দুর্গা মন্দির, রাধাকৃষ্ণ টেম্পল এবং স্বজন অব গ্রেট লেকসসহ আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ।
বেশিরভাগ মন্দির ও মণ্ডপে তিথি অনুযায়ী ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। কোনো কোনো মন্দিরে সপ্তাহান্তে বিজয়া দশমী ও বিশেষ সেলিব্রেশনের আয়োজন করা হবে।
দূর প্রবাসে থেকেও বাঙালির সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবকে ঘিরে যেন ফিরে আসে বাংলার শরৎ। ঢাকের বাদ্যি, ধূপের গন্ধ, উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি আর ‘বলো দুর্গা মাই কি জয়’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে মিশিগানের পূজামণ্ডপগুলো।
মা দুর্গার আগমনে দূর হবে অশুভ, প্রতিষ্ঠিত হবে শুভ ও কল্যাণ এই প্রার্থনাতেই এখন দিন গুনছেন মিশিগানের প্রবাসী সনাতনী বাঙালিরা।