হবিগঞ্জ ২১ সেপ্টেম্বর : সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণে একপেশে সীমানা চিহ্নিতকরণের প্রতিবাদে ও বিদ্যমান হবিগঞ্জ-লাখাই রাস্তার উভয় পাশে সমান মাপে ভূমি অধিগ্রহণের দাবিতে কোর্ট স্টেশন, সুলতান মাহমুদপুর ও রিচি গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে শহরে মাববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশের পর জেলা প্রশাসক বরাবরে দু’টি পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। স্মারকলিপিসমূহে বলা হয়, সুলতান মাহমুদপুর গোল চত্বর হতে অকাইয়ে’র পুল পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় আধা কিলোমিটারের কিছু বেশি (প্রায় ৬০০ মিটার) ঘনবসতি ও বাণিজ্যিক এলাকায় সম্প্রতি ভূমি অধিগ্রহণের যে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে, তা চরম একপেশে ও বৈষম্যমূলক। উক্ত সীমানা চিহ্নায়নে রাস্তার অপর পাশকে সম্পূর্ণ অক্ষত রেখে, এক পাশের অসংখ্য বাণিজ্যিক প্লট, মার্কেট, পাকা দোকান ও বহুতল ভবনসহ সমস্ত সম্পত্তি অধিগ্রহণের আওতাভুক্ত করা হয়েছে, অপর পাশে সরকারি খতিয়ানভুক্ত জায়গা থাকা সত্বেও। অধিগ্রহণের তালিকায় বাদ যায়নি সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের শত বছরের পুরনো কবরস্থানও। যা ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, ২০১৭’-এর সম্পূর্ণ পরিপন্থী। একইভাবে রিচি গ্রামের পাশ দিয়েও কিছু জায়গায় রাস্তার একপাশকে অধিগ্রহণের আওতায় এনে একটা প্রাথমিক নকশা করা হয়েছে। এভাবে বৈষম্যমূলক নীতিতে অধিগ্রহণের প্রস্তুতির কারণে কোর্ট স্টেশন, সুলতান মাহমুদপুর, লাখাই রোড ও রিচি গ্রামের এলাকার হাজার হাজার মানুষের মনে চরম প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। যদি রাস্তার একদিকে পুরোপুরি অধিগ্রহণ করা হয় ও একদিকে অধিগ্রহণ মোটেও না করা হয় তাহলে মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী কিছু এলাকার বর্তমান বাসিন্দাদের বসতি এবং ব্যবসা বাণিজ্য অনেকাংশে বিলুপ্ত হয়ে যাবে ও বহু পরিবার চিরতরে গৃহহীন ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। বহু ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী তাঁদের একমাত্র উপার্জনের সম্বল দোকান ও মার্কেট হারিয়ে পথে বসতে বাধ্য হবেন। এমন বৈষম্যমূলক অধিগ্রহণের ফলে স্থানীয় আর্থ-সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়বে এবং পরিবারগুলোর আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে চরম মানবিক সংকট তৈরি হবে। তাই রাস্তা সোজা করণের নামে কোনও স্থানে শুধু একপাশে পুরোপুরি ভ‚মি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হোক, কারণ উপরে উল্লিখিত জায়গার রাস্তাটি মোটের উপর সোজা-সরলই আছে। উভয় পাশে সম আয়তনের ভ‚মি অধিগ্রহণ করলেও মহাসড়কটা সোজা-সরলই থাকে। উপরন্তু রাস্তার উভয় পাশে সরকারি খতিয়ানের জায়গা রয়েছেও।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রিচি গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি মোঃ নূর জামাল, আলী আহমেদ, সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি আবদুস সাত্তার, কোর্ট স্টেশন এলাকার বাসিন্দা মোঃ আবদুল আহাদ, হারুন সিদ্দিকী প্রমুখ। মানববন্ধন ও সমাবেশের পর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দুই শতাধিক মানুষের স্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে উভয় স্মারকলিপি গ্রহণ করেন নেজারত ডেপুটি কালেক্টর।
সমাবেশে উভয় গ্রামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রিচি বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ রুস্তম আলী, শেখ মোঃ আলাউদ্দিন, তোফাজ্জল হোসেন, আব্দুর রশিদ, মোঃ আবু মুসা, মোঃ শরিফ মিয়া, আজিজুল বারী রমজান, হুমায়ূন কবির শফিক, ইকবাল মাহমুদ, শাহীন মিয়া, এনামুল হক, আব্দুল হান্নান, আবদুশ শহীদ মিয়া, সোহানুর জামাল, মিজান মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, কালন মিয়া, সুজন মিয়া, মোঃ রফিক আলী, জিহান মাহমুদ প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, মানুষর জীবন-জীবিকার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে একপেশে নিয়মে ভূমি অধিগ্রহণ করা হলে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের সকল ভুক্তভোগী গ্রামের জনতা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। স্মারকলিপিসমূহে বলা হয়, সুলতান মাহমুদপুর গোল চত্বর হতে অকাইয়ে’র পুল পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় আধা কিলোমিটারের কিছু বেশি (প্রায় ৬০০ মিটার) ঘনবসতি ও বাণিজ্যিক এলাকায় সম্প্রতি ভূমি অধিগ্রহণের যে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে, তা চরম একপেশে ও বৈষম্যমূলক। উক্ত সীমানা চিহ্নায়নে রাস্তার অপর পাশকে সম্পূর্ণ অক্ষত রেখে, এক পাশের অসংখ্য বাণিজ্যিক প্লট, মার্কেট, পাকা দোকান ও বহুতল ভবনসহ সমস্ত সম্পত্তি অধিগ্রহণের আওতাভুক্ত করা হয়েছে, অপর পাশে সরকারি খতিয়ানভুক্ত জায়গা থাকা সত্বেও। অধিগ্রহণের তালিকায় বাদ যায়নি সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের শত বছরের পুরনো কবরস্থানও। যা ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, ২০১৭’-এর সম্পূর্ণ পরিপন্থী। একইভাবে রিচি গ্রামের পাশ দিয়েও কিছু জায়গায় রাস্তার একপাশকে অধিগ্রহণের আওতায় এনে একটা প্রাথমিক নকশা করা হয়েছে। এভাবে বৈষম্যমূলক নীতিতে অধিগ্রহণের প্রস্তুতির কারণে কোর্ট স্টেশন, সুলতান মাহমুদপুর, লাখাই রোড ও রিচি গ্রামের এলাকার হাজার হাজার মানুষের মনে চরম প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। যদি রাস্তার একদিকে পুরোপুরি অধিগ্রহণ করা হয় ও একদিকে অধিগ্রহণ মোটেও না করা হয় তাহলে মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী কিছু এলাকার বর্তমান বাসিন্দাদের বসতি এবং ব্যবসা বাণিজ্য অনেকাংশে বিলুপ্ত হয়ে যাবে ও বহু পরিবার চিরতরে গৃহহীন ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। বহু ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী তাঁদের একমাত্র উপার্জনের সম্বল দোকান ও মার্কেট হারিয়ে পথে বসতে বাধ্য হবেন। এমন বৈষম্যমূলক অধিগ্রহণের ফলে স্থানীয় আর্থ-সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়বে এবং পরিবারগুলোর আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে চরম মানবিক সংকট তৈরি হবে। তাই রাস্তা সোজা করণের নামে কোনও স্থানে শুধু একপাশে পুরোপুরি ভ‚মি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হোক, কারণ উপরে উল্লিখিত জায়গার রাস্তাটি মোটের উপর সোজা-সরলই আছে। উভয় পাশে সম আয়তনের ভ‚মি অধিগ্রহণ করলেও মহাসড়কটা সোজা-সরলই থাকে। উপরন্তু রাস্তার উভয় পাশে সরকারি খতিয়ানের জায়গা রয়েছেও।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রিচি গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি মোঃ নূর জামাল, আলী আহমেদ, সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি আবদুস সাত্তার, কোর্ট স্টেশন এলাকার বাসিন্দা মোঃ আবদুল আহাদ, হারুন সিদ্দিকী প্রমুখ। মানববন্ধন ও সমাবেশের পর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দুই শতাধিক মানুষের স্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে উভয় স্মারকলিপি গ্রহণ করেন নেজারত ডেপুটি কালেক্টর।
সমাবেশে উভয় গ্রামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রিচি বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ রুস্তম আলী, শেখ মোঃ আলাউদ্দিন, তোফাজ্জল হোসেন, আব্দুর রশিদ, মোঃ আবু মুসা, মোঃ শরিফ মিয়া, আজিজুল বারী রমজান, হুমায়ূন কবির শফিক, ইকবাল মাহমুদ, শাহীন মিয়া, এনামুল হক, আব্দুল হান্নান, আবদুশ শহীদ মিয়া, সোহানুর জামাল, মিজান মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, কালন মিয়া, সুজন মিয়া, মোঃ রফিক আলী, জিহান মাহমুদ প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, মানুষর জীবন-জীবিকার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে একপেশে নিয়মে ভূমি অধিগ্রহণ করা হলে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের সকল ভুক্তভোগী গ্রামের জনতা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে।