ওয়ারেন, ২২ সেপ্টেম্বর: শারদীয় দুর্গোৎসবের পবিত্র আবহে মেতে উঠতে যাচ্ছে মিশিগান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে মিশিগান কালীবাড়ি গ্রহণ করেছে ব্যাপক কর্মসূচি। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহন থেকে শুরু করে বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলা পর্যন্ত নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর থাকবে কালীবাড়ি প্রাঙ্গণ।
১১ অক্টোবর রোববার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে শুভ মহালয়া। দেবী দুর্গার আবাহনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। একই দিন দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত হবে নবদুর্গা পূজা।
১৬ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের মূল আয়োজন চলবে। প্রতিদিন দুপুর ১টায় থাকবে পুষ্পাঞ্জলি এবং সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে আরতি ও ধুনুচি নাচ। ভক্তদের পূজা, প্রার্থনা ও আরতিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ধুনুচির ছন্দে সৃষ্টি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ।
১৭ অক্টোবর শনিবার বিকেল ৫টায় মঞ্চস্থ হবে নৃত্যনাট্য ‘দ্রৌপদী’। পরে অতিথি শিল্পী মহুয়া পারিয়াল সংগীত পরিবেশন করবেন।
১৮ অক্টোবর রোববার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে পদ্মাঞ্জলি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় থাকবে বিশেষ সন্ধিপূজা। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ১০৮ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন। একই দিনে সন্ধ্যা ৬টায় রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে মনোজ মিত্র রচিত নাটক ‘ভেলায় ভাসে সীতা’ মঞ্চস্থ হবে।
উৎসবের শেষ দিন ২০ অক্টোবর বিজয়া দশমী। এদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে নানা ধর্মীয় ও আনুষ্ঠানিকতা। সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা। দেবীকে বিদায়ের বেদনার মুহূর্তেও ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও শুভকামনার রঙে রাঙিয়ে উঠবে সিঁদুর খেলা। বিদায়ের সুরে মিশে থাকবে মায়ের কাছে মঙ্গল ও শান্তির প্রার্থনা।
দেবী দুর্গার আরাধনায় মিশিগান কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ধ্বনিত হবে শঙ্খ ও উলুধ্বনি, জ্বলে উঠবে প্রদীপের আলো। প্রবাসের মাটিতে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক শিকড়কে ধারণ করে শারদীয় দুর্গোৎসব হয়ে উঠবে মিলন ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব।
মিশিগান কালীবাড়ির আয়োজকরা আশা করছেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মসহ বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে এবারের দুর্গোৎসব হয়ে উঠবে আনন্দ, ভক্তি ও সম্প্রীতির এক মিলনমেলা।
১১ অক্টোবর রোববার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে শুভ মহালয়া। দেবী দুর্গার আবাহনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। একই দিন দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত হবে নবদুর্গা পূজা।
১৬ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের মূল আয়োজন চলবে। প্রতিদিন দুপুর ১টায় থাকবে পুষ্পাঞ্জলি এবং সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে আরতি ও ধুনুচি নাচ। ভক্তদের পূজা, প্রার্থনা ও আরতিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ধুনুচির ছন্দে সৃষ্টি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ।
১৭ অক্টোবর শনিবার বিকেল ৫টায় মঞ্চস্থ হবে নৃত্যনাট্য ‘দ্রৌপদী’। পরে অতিথি শিল্পী মহুয়া পারিয়াল সংগীত পরিবেশন করবেন।
১৮ অক্টোবর রোববার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে পদ্মাঞ্জলি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় থাকবে বিশেষ সন্ধিপূজা। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ১০৮ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন। একই দিনে সন্ধ্যা ৬টায় রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে মনোজ মিত্র রচিত নাটক ‘ভেলায় ভাসে সীতা’ মঞ্চস্থ হবে।
উৎসবের শেষ দিন ২০ অক্টোবর বিজয়া দশমী। এদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে নানা ধর্মীয় ও আনুষ্ঠানিকতা। সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা। দেবীকে বিদায়ের বেদনার মুহূর্তেও ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও শুভকামনার রঙে রাঙিয়ে উঠবে সিঁদুর খেলা। বিদায়ের সুরে মিশে থাকবে মায়ের কাছে মঙ্গল ও শান্তির প্রার্থনা।
দেবী দুর্গার আরাধনায় মিশিগান কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ধ্বনিত হবে শঙ্খ ও উলুধ্বনি, জ্বলে উঠবে প্রদীপের আলো। প্রবাসের মাটিতে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক শিকড়কে ধারণ করে শারদীয় দুর্গোৎসব হয়ে উঠবে মিলন ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব।
মিশিগান কালীবাড়ির আয়োজকরা আশা করছেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মসহ বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে এবারের দুর্গোৎসব হয়ে উঠবে আনন্দ, ভক্তি ও সম্প্রীতির এক মিলনমেলা।