স্টার্লিং হাইটস, ৪ অক্টোবর : শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তায় মুখর হয়ে উঠছে মিশিগানের প্রবাসী বাঙালি হিন্দু সমাজ। শরতের আকাশে কাশফুলের দোলা আর মায়ের আগমনী সুরের সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে মন্দিরে চলছে পূজার প্রস্তুতি। এবার সেই উৎসবে যোগ হয়েছে আরও একটি নতুন পূজামণ্ডপ। রচেস্টার হিলসে নবপ্রতিষ্ঠিত শিবশক্তি রাধামাধব মন্দিরে এবার প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা।
এর মধ্য দিয়ে মিশিগানের প্রবাসী বাঙালি হিন্দু সমাজে দুর্গাপূজার পরিধি আরও বিস্তৃত হলো। প্রতি বছরের মতো এবারও শিব মন্দির, মিশিগান কালীবাড়ি, ডেট্রয়েট দুর্গা মন্দির, রাধাকৃষ্ণ টেম্পল, উদয়ন ও স্বজন অব গ্রেট লেকসসহ বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন চলছে।
আগামী ১১ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী দিয়ে শুরু হবে পাঁচ দিনব্যাপী মূল পূজার আয়োজন। বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় উৎসব।
দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, প্রবাসের মাটিতে বাঙালির সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। তাই পূজাকে ঘিরে মিশিগানের বিভিন্ন প্রান্তে এখন তৈরি হচ্ছে উৎসবের আবহ। পূজা, অঞ্জলি, আরতি ও প্রসাদের পাশাপাশি থাকছে নাচ, গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটকসহ নানা আয়োজন।
এবারের দুর্গোৎসবকে আরও বর্ণিল করে তুলতে ভারতের জনপ্রিয় কয়েকজন শিল্পীও মিশিগানে আসছেন। মিশিগান কালীবাড়িতে থাকছেন মহুয়া পারিয়াল ও শমিত বড়ুয়া। ডেট্রয়েট দুর্গা মন্দিরে থাকছেন অভিষেক সিনহা ও সিরশা রক্ষিত। শিব মন্দিরে থাকছেন দেয়াশিনী রায় ও তার দল।
এ ছাড়া উদয়নের আয়োজনে থাকছেন শুভমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিশোর সোধা, উজ্জয়িনী রায় ও ত্রিজয় দে। স্বজন অব গ্রেট লেকসের আয়োজনে থাকছেন ঋষি পান্ডা ও সৌম্য চক্রবর্তী। পূজার বিভিন্ন আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদের পরিবেশনা দর্শনার্থীদের আনন্দ দেবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।
বিদেশের মাটিতে দুর্গাপূজা তাই শুধু দেবীর আরাধনা নয়- এ যেন শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগময় উপলক্ষ। নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি সংস্কৃতি ও সনাতন ঐতিহ্যকে তুলে ধরারও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
মিশিগানের পূজামণ্ডপগুলোতে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে শিগগিরই মুখর হয়ে উঠবে প্রবাসের শরৎ। অপেক্ষা শুধু মায়ের আগমনের। মা আসছেন- ভক্তির আলো, সংস্কৃতির রঙ আর সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে।
এর মধ্য দিয়ে মিশিগানের প্রবাসী বাঙালি হিন্দু সমাজে দুর্গাপূজার পরিধি আরও বিস্তৃত হলো। প্রতি বছরের মতো এবারও শিব মন্দির, মিশিগান কালীবাড়ি, ডেট্রয়েট দুর্গা মন্দির, রাধাকৃষ্ণ টেম্পল, উদয়ন ও স্বজন অব গ্রেট লেকসসহ বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন চলছে।
আগামী ১১ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী দিয়ে শুরু হবে পাঁচ দিনব্যাপী মূল পূজার আয়োজন। বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় উৎসব।
দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, প্রবাসের মাটিতে বাঙালির সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। তাই পূজাকে ঘিরে মিশিগানের বিভিন্ন প্রান্তে এখন তৈরি হচ্ছে উৎসবের আবহ। পূজা, অঞ্জলি, আরতি ও প্রসাদের পাশাপাশি থাকছে নাচ, গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটকসহ নানা আয়োজন।
এবারের দুর্গোৎসবকে আরও বর্ণিল করে তুলতে ভারতের জনপ্রিয় কয়েকজন শিল্পীও মিশিগানে আসছেন। মিশিগান কালীবাড়িতে থাকছেন মহুয়া পারিয়াল ও শমিত বড়ুয়া। ডেট্রয়েট দুর্গা মন্দিরে থাকছেন অভিষেক সিনহা ও সিরশা রক্ষিত। শিব মন্দিরে থাকছেন দেয়াশিনী রায় ও তার দল।
এ ছাড়া উদয়নের আয়োজনে থাকছেন শুভমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিশোর সোধা, উজ্জয়িনী রায় ও ত্রিজয় দে। স্বজন অব গ্রেট লেকসের আয়োজনে থাকছেন ঋষি পান্ডা ও সৌম্য চক্রবর্তী। পূজার বিভিন্ন আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদের পরিবেশনা দর্শনার্থীদের আনন্দ দেবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।
বিদেশের মাটিতে দুর্গাপূজা তাই শুধু দেবীর আরাধনা নয়- এ যেন শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগময় উপলক্ষ। নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি সংস্কৃতি ও সনাতন ঐতিহ্যকে তুলে ধরারও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
মিশিগানের পূজামণ্ডপগুলোতে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে শিগগিরই মুখর হয়ে উঠবে প্রবাসের শরৎ। অপেক্ষা শুধু মায়ের আগমনের। মা আসছেন- ভক্তির আলো, সংস্কৃতির রঙ আর সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে।