কোডি প্যাটারসন/Oakland County Sheriff's Office
হেজেল পার্ক, ৭ অক্টোবর: হেজেল পার্কে চার সপ্তাহ বয়সী ছেলের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। শিশুটির আঘাতের বিষয়ে কর্মকর্তারা চাইল্ড প্রোটেক্টিভ সার্ভিসেসকে (CPS) অবহিত করেছেন।
কর্মকর্তারা জানান, সোমবার হেজেল পার্কের ৪৩তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ২০ বছর বয়সী কোডি ক্রিস্টোফার প্যাটারসনকে হাজির করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে সেকেন্ড-ডিগ্রি চাইল্ড অ্যাবিউজের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
দোষী সাব্যস্ত হলে প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর জামিনের পরিমাণ ৫ লাখ ডলার নির্ধারণ করেছেন। পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৩ অক্টোবর।
মঙ্গলবার পর্যন্ত আদালতের নথিতে প্যাটারসনের পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
যেভাবে আঘাতের বিষয়টি ধরা পড়ে
পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার হেজেল পার্কের একটি বাড়িতে শিশুর হাত ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়ে কর্মকর্তারা সেখানে যান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা প্রায় এক মাস বয়সী একটি শিশুকে দেখতে পান। শিশুটির ডান কাঁধে ব্যথা এবং বাম চোখের ওপর কালশিটে দাগ ছিল। পরে চিকিৎসাকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
তদন্তকারীরা জানান, চিকিৎসাকর্মীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, শিশুটির শরীরে একাধিক হাড় ভাঙার চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুই হাত, পা ও পাঁজরের হাড়ও রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, আঘাতগুলো বিভিন্ন সময়ে লেগেছে এবং সেগুলো সেরে ওঠার বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল।
মঙ্গলবার ওকল্যান্ড কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানায়, মেডিকেল ইমেজিং পরীক্ষায় শিশুটির পাঁজরের ৩০টিরও বেশি হাড় ভাঙার বিষয়টি ধরা পড়ে। এছাড়া বাম পায়ের নিচের অংশের দুটি হাড় এবং ডান হাতের ওপরের অংশের একটি হাড়ও ভাঙা ছিল। শিশুটির মুখ, কপাল ও কলারবোনেও কালশিটে দাগ পাওয়া যায়।
তদন্তের সময় গোয়েন্দারা শিশুটির বাবা কোডি ক্রিস্টোফার প্যাটারসনের সঙ্গে কথা বলেন। প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্যাটারসন পুলিশকে বলেন, তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এবং শিশুটির কান্না সহ্য করতে পারছিলেন না। তিনি শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে তার হাত-পা জোরে চেপে ধরেন ও মোচড় দেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। এতে শিশুটির আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।
প্রসিকিউটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির পা চেপে ধরার সময় প্যাটারসন হাড় ভাঙার মতো একটি শব্দ শুনেছিলেন বলেও পুলিশকে জানান।
পরে পুলিশ হাসপাতাল থেকেই প্যাটারসনকে গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ওকল্যান্ড কাউন্টির প্রসিকিউটর ক্যারেন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “এই অভিযোগগুলো অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। চার সপ্তাহ বয়সী একটি শিশু কথা বলতে বা নিজেকে রক্ষা করতে পারে না। তার দেখভাল ও সুরক্ষার জন্য তাকে জীবনের প্রাপ্তবয়স্কদের ওপরই নির্ভর করতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু এই বিবাদী নিজের সন্তানকে সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে তার ওপর ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
হেজেল পার্ক, ৭ অক্টোবর: হেজেল পার্কে চার সপ্তাহ বয়সী ছেলের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। শিশুটির আঘাতের বিষয়ে কর্মকর্তারা চাইল্ড প্রোটেক্টিভ সার্ভিসেসকে (CPS) অবহিত করেছেন।
কর্মকর্তারা জানান, সোমবার হেজেল পার্কের ৪৩তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ২০ বছর বয়সী কোডি ক্রিস্টোফার প্যাটারসনকে হাজির করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে সেকেন্ড-ডিগ্রি চাইল্ড অ্যাবিউজের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
দোষী সাব্যস্ত হলে প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর জামিনের পরিমাণ ৫ লাখ ডলার নির্ধারণ করেছেন। পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৩ অক্টোবর।
মঙ্গলবার পর্যন্ত আদালতের নথিতে প্যাটারসনের পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
যেভাবে আঘাতের বিষয়টি ধরা পড়ে
পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার হেজেল পার্কের একটি বাড়িতে শিশুর হাত ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়ে কর্মকর্তারা সেখানে যান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা প্রায় এক মাস বয়সী একটি শিশুকে দেখতে পান। শিশুটির ডান কাঁধে ব্যথা এবং বাম চোখের ওপর কালশিটে দাগ ছিল। পরে চিকিৎসাকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
তদন্তকারীরা জানান, চিকিৎসাকর্মীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, শিশুটির শরীরে একাধিক হাড় ভাঙার চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুই হাত, পা ও পাঁজরের হাড়ও রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, আঘাতগুলো বিভিন্ন সময়ে লেগেছে এবং সেগুলো সেরে ওঠার বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল।
মঙ্গলবার ওকল্যান্ড কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানায়, মেডিকেল ইমেজিং পরীক্ষায় শিশুটির পাঁজরের ৩০টিরও বেশি হাড় ভাঙার বিষয়টি ধরা পড়ে। এছাড়া বাম পায়ের নিচের অংশের দুটি হাড় এবং ডান হাতের ওপরের অংশের একটি হাড়ও ভাঙা ছিল। শিশুটির মুখ, কপাল ও কলারবোনেও কালশিটে দাগ পাওয়া যায়।
তদন্তের সময় গোয়েন্দারা শিশুটির বাবা কোডি ক্রিস্টোফার প্যাটারসনের সঙ্গে কথা বলেন। প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্যাটারসন পুলিশকে বলেন, তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এবং শিশুটির কান্না সহ্য করতে পারছিলেন না। তিনি শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে তার হাত-পা জোরে চেপে ধরেন ও মোচড় দেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। এতে শিশুটির আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।
প্রসিকিউটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির পা চেপে ধরার সময় প্যাটারসন হাড় ভাঙার মতো একটি শব্দ শুনেছিলেন বলেও পুলিশকে জানান।
পরে পুলিশ হাসপাতাল থেকেই প্যাটারসনকে গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ওকল্যান্ড কাউন্টির প্রসিকিউটর ক্যারেন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “এই অভিযোগগুলো অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। চার সপ্তাহ বয়সী একটি শিশু কথা বলতে বা নিজেকে রক্ষা করতে পারে না। তার দেখভাল ও সুরক্ষার জন্য তাকে জীবনের প্রাপ্তবয়স্কদের ওপরই নির্ভর করতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু এই বিবাদী নিজের সন্তানকে সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে তার ওপর ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com