ঢাকা, ১১ অক্টোবর : রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি লেপে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম-০৩) জসিতা ইসলাম এই আদেশ দেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর সভাপতি আল নূর মোহাম্মদ আয়াস ও মো. সাকিবুল হাসানের তিন দিন করে এবং মো. সুজন মিয়া ও মারজিয়া খন্দকার রিমির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।
এদিন তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল গাফফার হিমেল।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হকার উচ্ছেদ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বিপরীত পাশে গণপূর্ত বিভাগের সীমানাপ্রাচীরে শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন গ্রাফিতি আঁকা হয়।
আবেদন অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর আল নূর মোহাম্মদ আয়াস ওই গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে আসামিরা সেখানে জড়ো হন। এ সময় সাকিবুল হাসান উসকানিমূলক বক্তব্য দেন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মারজিয়া খন্দকার রিমি সেখানে উপস্থিত হয়ে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারিতে মুসলমানদের ওপর অত্যাচার-নিপীড়নের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের কোনো দেয়ালে তাঁর ছবি দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেন। এরপর তিনি রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালো কালি মাখিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁরা পালানোর চেষ্টা করেন বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, উসকানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ১২০খ, ১৫৩ক ও ২৯৫ক ধারায় শাহবাগ থানায় মামলা নম্বর ১১ দায়ের করা হয়েছে।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর সভাপতি আল নূর মোহাম্মদ আয়াস ও মো. সাকিবুল হাসানের তিন দিন করে এবং মো. সুজন মিয়া ও মারজিয়া খন্দকার রিমির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।
এদিন তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল গাফফার হিমেল।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হকার উচ্ছেদ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বিপরীত পাশে গণপূর্ত বিভাগের সীমানাপ্রাচীরে শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন গ্রাফিতি আঁকা হয়।
আবেদন অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর আল নূর মোহাম্মদ আয়াস ওই গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে আসামিরা সেখানে জড়ো হন। এ সময় সাকিবুল হাসান উসকানিমূলক বক্তব্য দেন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মারজিয়া খন্দকার রিমি সেখানে উপস্থিত হয়ে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারিতে মুসলমানদের ওপর অত্যাচার-নিপীড়নের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের কোনো দেয়ালে তাঁর ছবি দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেন। এরপর তিনি রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালো কালি মাখিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁরা পালানোর চেষ্টা করেন বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, উসকানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ১২০খ, ১৫৩ক ও ২৯৫ক ধারায় শাহবাগ থানায় মামলা নম্বর ১১ দায়ের করা হয়েছে।