লক্ষ্মীপুর, ১৩ অক্টোবর: সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থার মেরামত না হলে বর্তমান ব্যবস্থায় ক্ষমতায় থাকা যে কেউ পাঁচ বছরে আরেক শেখ হাসিনায় পরিণত হতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে জেলা খেলাফত মজলিস আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিএনপিকে ভূতে ধরেছে। কোন ভূতে? যে ভূতে হাসিনাকে ধরেছিল।”
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি মাওলানা লোকমান হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ ও গাজীপুর জামিয়া মাহমুদিয়ার শায়খুল হাদিস মুফতি আব্দুল মতিন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত শ্রমিক মজলিসের সভাপতি মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ, খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্লাহ এবং এনসিপির জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সোহেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মামুনুল হক বলেন, সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সরকার সংবিধান সংস্কারের দাবি ও অঙ্গীকার থেকে সরে এসে সংশোধনের পথে হাঁটছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সরকারি দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। এর মাধ্যমে সরকার রাষ্ট্র মেরামত ও জুলাই বিপ্লবের চেতনার প্রতি নিজেদের অঙ্গীকারের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপিকে জুলাই বিপ্লবের চেতনায় বিশ্বাসের প্রমাণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতা ও তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দিয়েছে; বিএনপি সেখানে মুখ্য ভূমিকা রাখতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি খাত ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের দোসরদের হাতে বন্দি হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি রক্ষা এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে তাঁরা রাজপথে রয়েছেন বলে জানান।
মামুনুল হক বলেন, সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে স্পষ্ট পরিবর্তন আনতে হবে এবং দলীয়করণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। গণভোটের জনরায় কার্যকর না করলে বিএনপিকে চরম মাশুল দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, তাঁরা ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি মাওলানা লোকমান হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ ও গাজীপুর জামিয়া মাহমুদিয়ার শায়খুল হাদিস মুফতি আব্দুল মতিন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত শ্রমিক মজলিসের সভাপতি মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ, খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্লাহ এবং এনসিপির জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সোহেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মামুনুল হক বলেন, সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সরকার সংবিধান সংস্কারের দাবি ও অঙ্গীকার থেকে সরে এসে সংশোধনের পথে হাঁটছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সরকারি দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। এর মাধ্যমে সরকার রাষ্ট্র মেরামত ও জুলাই বিপ্লবের চেতনার প্রতি নিজেদের অঙ্গীকারের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপিকে জুলাই বিপ্লবের চেতনায় বিশ্বাসের প্রমাণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতা ও তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দিয়েছে; বিএনপি সেখানে মুখ্য ভূমিকা রাখতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি খাত ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের দোসরদের হাতে বন্দি হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি রক্ষা এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে তাঁরা রাজপথে রয়েছেন বলে জানান।
মামুনুল হক বলেন, সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে স্পষ্ট পরিবর্তন আনতে হবে এবং দলীয়করণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। গণভোটের জনরায় কার্যকর না করলে বিএনপিকে চরম মাশুল দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, তাঁরা ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান।