ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত মানচিত্রে রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় জরুরি নিরাপত্তা অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে। লাল রঙে চিহ্নিত এক মাইল ব্যাসার্ধের এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হলুদ রঙে চিহ্নিত তিন মাইল ব্যাসার্ধের এলাকার বাসিন্দাদের নিজ নিজ ঘরে নিরাপদে আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে/Provided By City Of Toledo, Ohio.
টলেডো, ২১ অক্টোবর : যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও-মিশিগান সীমান্তের কাছে টলেডোতে বিপজ্জনক রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় শহরের উত্তরাঞ্চলের প্রায় ১,০০০ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, আশপাশের অন্যান্য বাসিন্দাকে নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
শহরের ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ১২৬৬ প্রোগ্রেস অ্যাভিনিউয়ের এক মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসরত বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই এলাকায় বিপজ্জনক রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়েছিল।
কর্মকর্তারা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় আরকানসাসভিত্তিক তরল পদার্থ পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান এমসি ট্যাঙ্ক ট্রান্সপোর্ট (MC Tank Transport)-এর একটি স্থাপনা রয়েছে।
এদিকে, সরিয়ে নেওয়ার এলাকার বাইরে আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশের আওতায় বাসিন্দাদের নিজ নিজ ঘরের ভেতরে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কীভাবে এই ঘটনা ঘটল?
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছড়িয়ে পড়া রাসায়নিকটির নাম ‘গ্লাইসিডিল মেথাক্রাইলেট’ (Glycidyl Methacrylate)। এটি একটি স্বচ্ছ তরল পদার্থ, যা চোখ, নাক, মুখ ও ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত সংস্পর্শে এলে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, বমি ভাব ও বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে টলেডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসজুকিভিচ বলেন, রাসায়নিকটি শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত এক ধরনের কোটিং পণ্য।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কোম্পানিটির ৫ হাজার ৫০০ গ্যালন ধারণক্ষমতার একটি ট্যাঙ্ক বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় কোম্পানির এক কর্মী ৯১১ নম্বরে ফোন করে জরুরি সহায়তা চান।
কেউ কি আহত হয়েছেন?
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত লুকাস কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের এক ডেপুটি আহত হয়েছেন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।
মেয়র বলেন, “এখন পর্যন্ত আমাদের জানা মতে, তিনিই একমাত্র আহত ব্যক্তি। তিনি নিজেই হাসপাতালে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।”
এলাকা ছেড়ে যাওয়া বাসিন্দাদের নিকটবর্তী একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় অথবা একটি দোকানের পার্কিং লটে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় যানবাহনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বুধবার ভোরে দুর্ঘটনাস্থলের তিন মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকতে, জানালা-দরজা বন্ধ রাখতে, বাইরের বাতাস প্রবেশ করে এমন ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখতে এবং পোষা প্রাণীদেরও ঘরের ভেতরে রাখতে বলা হয়েছে।
মেয়র ক্যাপসজুকিভিচ জানান, কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, “আশঙ্কা করা হচ্ছে, ট্যাঙ্কটি থেকে এখনো রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হচ্ছে এবং আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি বিস্ফোরক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
টলেডো, ২১ অক্টোবর : যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও-মিশিগান সীমান্তের কাছে টলেডোতে বিপজ্জনক রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় শহরের উত্তরাঞ্চলের প্রায় ১,০০০ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, আশপাশের অন্যান্য বাসিন্দাকে নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
শহরের ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ১২৬৬ প্রোগ্রেস অ্যাভিনিউয়ের এক মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসরত বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই এলাকায় বিপজ্জনক রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়েছিল।
কর্মকর্তারা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় আরকানসাসভিত্তিক তরল পদার্থ পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান এমসি ট্যাঙ্ক ট্রান্সপোর্ট (MC Tank Transport)-এর একটি স্থাপনা রয়েছে।
এদিকে, সরিয়ে নেওয়ার এলাকার বাইরে আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশের আওতায় বাসিন্দাদের নিজ নিজ ঘরের ভেতরে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কীভাবে এই ঘটনা ঘটল?
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছড়িয়ে পড়া রাসায়নিকটির নাম ‘গ্লাইসিডিল মেথাক্রাইলেট’ (Glycidyl Methacrylate)। এটি একটি স্বচ্ছ তরল পদার্থ, যা চোখ, নাক, মুখ ও ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত সংস্পর্শে এলে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, বমি ভাব ও বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে টলেডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসজুকিভিচ বলেন, রাসায়নিকটি শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত এক ধরনের কোটিং পণ্য।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কোম্পানিটির ৫ হাজার ৫০০ গ্যালন ধারণক্ষমতার একটি ট্যাঙ্ক বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় কোম্পানির এক কর্মী ৯১১ নম্বরে ফোন করে জরুরি সহায়তা চান।
কেউ কি আহত হয়েছেন?
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত লুকাস কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের এক ডেপুটি আহত হয়েছেন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।
মেয়র বলেন, “এখন পর্যন্ত আমাদের জানা মতে, তিনিই একমাত্র আহত ব্যক্তি। তিনি নিজেই হাসপাতালে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।”
এলাকা ছেড়ে যাওয়া বাসিন্দাদের নিকটবর্তী একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় অথবা একটি দোকানের পার্কিং লটে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় যানবাহনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বুধবার ভোরে দুর্ঘটনাস্থলের তিন মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকতে, জানালা-দরজা বন্ধ রাখতে, বাইরের বাতাস প্রবেশ করে এমন ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখতে এবং পোষা প্রাণীদেরও ঘরের ভেতরে রাখতে বলা হয়েছে।
মেয়র ক্যাপসজুকিভিচ জানান, কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, “আশঙ্কা করা হচ্ছে, ট্যাঙ্কটি থেকে এখনো রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হচ্ছে এবং আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি বিস্ফোরক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com