পাবনা, ৩০ অক্টোবর : পাবনা সদর উপজেলায় বজ্রপাতে শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতির বিলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন মালঞ্চি ইউনিয়নের গজমতিকুন্ডা এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন (২৪), নলমুড়া এলাকার ইসমাইল মোল্লার ছেলে রব্বেল মোল্লা (২০), শাহজাহান প্রামাণিকের ছেলে মিজানুর রহমান (১০), নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১৪), শাহাদুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৮) এবং ইবাদুলের ছেলে ইমন (১৪)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকে সোনাপাতির বিলে মাছ ধরতে যান। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে আটজন বিলের একটি টঙঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং দুজন গুরুতর আহত হন। বজ্রপাতের পর হতাহতরা বেশ কিছুক্ষণ টঙঘরেই পড়ে ছিলেন।
সন্ধ্যার দিকে আশপাশের এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলটি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতির বিলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন মালঞ্চি ইউনিয়নের গজমতিকুন্ডা এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন (২৪), নলমুড়া এলাকার ইসমাইল মোল্লার ছেলে রব্বেল মোল্লা (২০), শাহজাহান প্রামাণিকের ছেলে মিজানুর রহমান (১০), নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১৪), শাহাদুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৮) এবং ইবাদুলের ছেলে ইমন (১৪)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকে সোনাপাতির বিলে মাছ ধরতে যান। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে আটজন বিলের একটি টঙঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং দুজন গুরুতর আহত হন। বজ্রপাতের পর হতাহতরা বেশ কিছুক্ষণ টঙঘরেই পড়ে ছিলেন।
সন্ধ্যার দিকে আশপাশের এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলটি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।