মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ৩০ অক্টোবর : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিশেষ আমন্ত্রণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনে যান।
সাক্ষাৎকালে সংসদ সদস্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় হবিগঞ্জ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন এমপি ফয়সল।
সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিণী, জ্যেষ্ঠ ছেলে ও সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং তাঁর সহধর্মিণী। এ ছাড়া ছিলেন কনিষ্ঠ ছেলে ও সায়হাম নিট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ এবং তাঁর সহধর্মিণী।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে এলাকার উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে বঙ্গভবনে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেন সংসদ সদস্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল বলেন, সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাধবপুর ও চুনারুঘাটের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরায় নির্বাচনী এলাকার মানুষ খুশি হয়েছেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটন, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংসদ সদস্যের এ উদ্যোগের মাধ্যমে মাধবপুর ও চুনারুঘাটের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, চা-বাগান ও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জীবনমান পরিবর্তন এবং স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সাক্ষাৎকালে সংসদ সদস্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় হবিগঞ্জ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন এমপি ফয়সল।
সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিণী, জ্যেষ্ঠ ছেলে ও সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং তাঁর সহধর্মিণী। এ ছাড়া ছিলেন কনিষ্ঠ ছেলে ও সায়হাম নিট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ এবং তাঁর সহধর্মিণী।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে এলাকার উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে বঙ্গভবনে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেন সংসদ সদস্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল বলেন, সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাধবপুর ও চুনারুঘাটের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরায় নির্বাচনী এলাকার মানুষ খুশি হয়েছেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটন, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংসদ সদস্যের এ উদ্যোগের মাধ্যমে মাধবপুর ও চুনারুঘাটের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, চা-বাগান ও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জীবনমান পরিবর্তন এবং স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।