ওয়েইন কাউন্টি/হ্যামট্রাম্যাক, ৩১ অক্টোবর: হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী মুহিত মাহমুদের পক্ষে রায় দিয়েছেন ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের এক বিচারক। এ রায়ের ফলে বর্তমান মেয়র অ্যাডাম আলহারবিকে সরিয়ে মুহিত মাহমুদের মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের পথ আরও সুগম হলো।
৩০ অক্টোবর দেওয়া এক আদেশে ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক ক্যাথলিন এম. ম্যাকার্থি বলেন, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত মনে করে, মুহিত মাহমুদ হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় বসবাসের শর্ত পূরণ করেছেন।
আলহারবির অভিযোগ ছিল, মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আবাসিক যোগ্যতা মুহিত মাহমুদের নেই। ডেট্রয়েট শহরবেষ্টিত বহুজাতিক শহর হ্যামট্রাম্যাকের তৎকালীন প্রশাসনের নিয়োগ করা তদন্তকারীরা ২০২৫ সালে জানিয়েছিলেন, মুহিত মাহমুদ প্রকৃতপক্ষে ট্রয় শহরে বসবাস করেন।
তবে মুহিত মাহমুদ বরাবরই দাবি করে আসছেন, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা ট্রয় শহরে বসবাস করলেও মেয়র নির্বাচনের প্রচারণাকালে তিনি হ্যামট্রাম্যাকেই থাকতেন। সেখানে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমানোসহ দিনের অধিকাংশ সময় তিনি শহরটিতেই কাটাতেন।
নির্বাচনে অ্যাডাম আলহারবি বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার পর জানুয়ারি থেকে মেয়রের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে গত অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্স ২০২৫ সালের নভেম্বরের মেয়র নির্বাচনের আগে গণনা না হওয়া ৩৭টি ব্যালট পুনরায় গণনা করে। ওই ব্যালটগুলোর গণনায় মুহিত মাহমুদ আলহারবির চেয়ে এগিয়ে যান।
আলহারবির আইনজীবী নাবিহ আয়াদ জানিয়েছেন, তাঁরা মিশিগান কোর্ট অব আপিলসে জরুরি আপিল দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আদালতের রায়কে ‘অত্যন্ত বাজে সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে আয়াদ বলেন, “বিচারক (ম্যাকার্থি) কি মনে করেন, আমাদের সাক্ষীরা বিশ্বাসযোগ্য নন? তাঁর কি ধারণা, সবাই মিথ্যা বলছেন? এটি হাস্যকর।”
অন্যদিকে, মুহিত মাহমুদের আইনজীবী মার্ক ব্রিউয়ার ‘দ্য ডেট্রয়েট নিউজ’-কে পাঠানো এক ইমেইলে বলেন, “এই রায় মিশিগানের সব ভোটারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সততার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, প্রতিটি ভোট গণনা করা হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারের মতামতকে সম্মান জানানো হবে।”
রায়ে বিচারক ম্যাকার্থি উল্লেখ করেন, হ্যামট্রাম্যাকের সিটি ক্লার্ক ও সিটি কাউন্সিল—উভয় পক্ষই বিষয়টি তদন্ত করেছে। তবে ব্যালট থেকে মুহিত মাহমুদের নাম বাদ দেওয়ার মতো কোনো কারণ তারা খুঁজে পায়নি। বিচারক আরও বলেন, মাহমুদের বসবাসের ঠিকানা নিয়ে আলহারবির আপত্তি থাকলে আদালতের পরিবর্তে ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্স (Wayne County Board of Canvassers) এবং ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটরস অফিসে অভিযোগ জানানো উচিত ছিল।
রায়ে বিচারক আরও লেখেন, “হ্যামট্রাম্যাকের বাসিন্দাদের স্বার্থে এই বিরোধের অবসান হওয়া প্রয়োজন, যাতে শহরটি ক্ষত কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারে। আদালত ও জনগণের সামনে আলহারবি দাবি করেছিলেন, ‘সবাই জানে মাহমুদ হ্যামট্রাম্যাকে বসবাস করেন না।’ এই অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তিনি দেড় বছরেরও বেশি সময় পেয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বিলম্ব, ব্যাপক অনুসন্ধান, দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং ভোট পুনর্গণনার পরও নিজের দাবির পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।”
মামলাটি যেভাবে এই পর্যায়ে পৌঁছাল
২০২৫ সালের মেয়র নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট গণনা শেষে ১১ ভোটের ব্যবধানে অ্যাডাম আলহারবিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পরে খুঁজে পাওয়া ৩৭টি ভোটপত্র গণনা করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিষয়টি ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্সে উত্থাপন করা হয়। বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে ২-২ ভোটে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় ভোটপত্রগুলো গণনা না করার সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আলহারবি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, মুহিত মাহমুদ ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টে মামলা দায়ের করেন। আদালত প্রথমে বোর্ডের সিদ্ধান্তের পক্ষে রায় দিয়ে ভোটপত্রগুলো গণনা না করার সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মাহমুদ আপিল করলে ২০২৬ সালের মার্চে মিশিগান কোর্ট অব আপিলস সার্কিট কোর্টের সিদ্ধান্ত উল্টে দেন।
এরপর আলহারবি মিশিগান সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। কিন্তু আগস্টে সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে আপিল আদালতের রায় বহাল থাকে এবং মামলাটি পুনরায় ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টে ফিরে আসে।
পরবর্তী সময়ে বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি ৩০ সেপ্টেম্বর এক আদেশে বোর্ড অব ক্যানভাসার্সকে ওই ৩৭টি ভোটপত্র গণনার নির্দেশ দেন। পুনর্গণনায় দেখা যায়, মুহিত মাহমুদ পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯টি ভোট এবং অ্যাডাম আলহারবি পেয়েছেন ২ হাজার ৭৭টি ভোট। অর্থাৎ, পুনর্গণনার পর মাহমুদ ১২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে যান।
আলহারবি জানিয়েছেন, তিনি পরাজয় মেনে নেবেন না এবং ভোট গণনার প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করবেন। এদিকে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটপত্রগুলো উদ্ধারের সময় খামগুলো সিল করা ছিল না এবং সেগুলো কোনো সিল করা পাত্রেও সংরক্ষিত ছিল না, যা রাজ্যের নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতেও ভোটপত্রের হেফাজত ও সংরক্ষণের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বা ‘চেইন অব কাস্টডি’ (Chain of Custody) বজায় রাখার ক্ষেত্রে ত্রুটির কারণে ভোটপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এরপর কী হবে?
গত ১৬ অক্টোবর গণনা করা ভোটগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত (সার্টিফায়েড) হয়নি। বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে দায়ের করা মামলায় বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি রায় না দেওয়া পর্যন্ত ভোটের সংশোধিত ফলাফল অনুমোদন না করতে কাউন্টিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, সংশোধিত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা কবে বৈঠকে বসবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আদালতের রায়ের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং নির্বাচনী ফলাফলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের ওপরই এখন হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র পদে দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টি নির্ভর করছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
৩০ অক্টোবর দেওয়া এক আদেশে ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক ক্যাথলিন এম. ম্যাকার্থি বলেন, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত মনে করে, মুহিত মাহমুদ হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় বসবাসের শর্ত পূরণ করেছেন।
আলহারবির অভিযোগ ছিল, মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আবাসিক যোগ্যতা মুহিত মাহমুদের নেই। ডেট্রয়েট শহরবেষ্টিত বহুজাতিক শহর হ্যামট্রাম্যাকের তৎকালীন প্রশাসনের নিয়োগ করা তদন্তকারীরা ২০২৫ সালে জানিয়েছিলেন, মুহিত মাহমুদ প্রকৃতপক্ষে ট্রয় শহরে বসবাস করেন।
তবে মুহিত মাহমুদ বরাবরই দাবি করে আসছেন, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা ট্রয় শহরে বসবাস করলেও মেয়র নির্বাচনের প্রচারণাকালে তিনি হ্যামট্রাম্যাকেই থাকতেন। সেখানে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমানোসহ দিনের অধিকাংশ সময় তিনি শহরটিতেই কাটাতেন।
নির্বাচনে অ্যাডাম আলহারবি বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার পর জানুয়ারি থেকে মেয়রের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে গত অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্স ২০২৫ সালের নভেম্বরের মেয়র নির্বাচনের আগে গণনা না হওয়া ৩৭টি ব্যালট পুনরায় গণনা করে। ওই ব্যালটগুলোর গণনায় মুহিত মাহমুদ আলহারবির চেয়ে এগিয়ে যান।
আলহারবির আইনজীবী নাবিহ আয়াদ জানিয়েছেন, তাঁরা মিশিগান কোর্ট অব আপিলসে জরুরি আপিল দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আদালতের রায়কে ‘অত্যন্ত বাজে সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে আয়াদ বলেন, “বিচারক (ম্যাকার্থি) কি মনে করেন, আমাদের সাক্ষীরা বিশ্বাসযোগ্য নন? তাঁর কি ধারণা, সবাই মিথ্যা বলছেন? এটি হাস্যকর।”
অন্যদিকে, মুহিত মাহমুদের আইনজীবী মার্ক ব্রিউয়ার ‘দ্য ডেট্রয়েট নিউজ’-কে পাঠানো এক ইমেইলে বলেন, “এই রায় মিশিগানের সব ভোটারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সততার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, প্রতিটি ভোট গণনা করা হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারের মতামতকে সম্মান জানানো হবে।”
রায়ে বিচারক ম্যাকার্থি উল্লেখ করেন, হ্যামট্রাম্যাকের সিটি ক্লার্ক ও সিটি কাউন্সিল—উভয় পক্ষই বিষয়টি তদন্ত করেছে। তবে ব্যালট থেকে মুহিত মাহমুদের নাম বাদ দেওয়ার মতো কোনো কারণ তারা খুঁজে পায়নি। বিচারক আরও বলেন, মাহমুদের বসবাসের ঠিকানা নিয়ে আলহারবির আপত্তি থাকলে আদালতের পরিবর্তে ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্স (Wayne County Board of Canvassers) এবং ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটরস অফিসে অভিযোগ জানানো উচিত ছিল।
রায়ে বিচারক আরও লেখেন, “হ্যামট্রাম্যাকের বাসিন্দাদের স্বার্থে এই বিরোধের অবসান হওয়া প্রয়োজন, যাতে শহরটি ক্ষত কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারে। আদালত ও জনগণের সামনে আলহারবি দাবি করেছিলেন, ‘সবাই জানে মাহমুদ হ্যামট্রাম্যাকে বসবাস করেন না।’ এই অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তিনি দেড় বছরেরও বেশি সময় পেয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বিলম্ব, ব্যাপক অনুসন্ধান, দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং ভোট পুনর্গণনার পরও নিজের দাবির পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।”
মামলাটি যেভাবে এই পর্যায়ে পৌঁছাল
২০২৫ সালের মেয়র নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট গণনা শেষে ১১ ভোটের ব্যবধানে অ্যাডাম আলহারবিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পরে খুঁজে পাওয়া ৩৭টি ভোটপত্র গণনা করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিষয়টি ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্সে উত্থাপন করা হয়। বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে ২-২ ভোটে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় ভোটপত্রগুলো গণনা না করার সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আলহারবি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, মুহিত মাহমুদ ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টে মামলা দায়ের করেন। আদালত প্রথমে বোর্ডের সিদ্ধান্তের পক্ষে রায় দিয়ে ভোটপত্রগুলো গণনা না করার সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মাহমুদ আপিল করলে ২০২৬ সালের মার্চে মিশিগান কোর্ট অব আপিলস সার্কিট কোর্টের সিদ্ধান্ত উল্টে দেন।
এরপর আলহারবি মিশিগান সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। কিন্তু আগস্টে সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে আপিল আদালতের রায় বহাল থাকে এবং মামলাটি পুনরায় ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টে ফিরে আসে।
পরবর্তী সময়ে বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি ৩০ সেপ্টেম্বর এক আদেশে বোর্ড অব ক্যানভাসার্সকে ওই ৩৭টি ভোটপত্র গণনার নির্দেশ দেন। পুনর্গণনায় দেখা যায়, মুহিত মাহমুদ পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯টি ভোট এবং অ্যাডাম আলহারবি পেয়েছেন ২ হাজার ৭৭টি ভোট। অর্থাৎ, পুনর্গণনার পর মাহমুদ ১২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে যান।
আলহারবি জানিয়েছেন, তিনি পরাজয় মেনে নেবেন না এবং ভোট গণনার প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করবেন। এদিকে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটপত্রগুলো উদ্ধারের সময় খামগুলো সিল করা ছিল না এবং সেগুলো কোনো সিল করা পাত্রেও সংরক্ষিত ছিল না, যা রাজ্যের নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতেও ভোটপত্রের হেফাজত ও সংরক্ষণের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বা ‘চেইন অব কাস্টডি’ (Chain of Custody) বজায় রাখার ক্ষেত্রে ত্রুটির কারণে ভোটপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এরপর কী হবে?
গত ১৬ অক্টোবর গণনা করা ভোটগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত (সার্টিফায়েড) হয়নি। বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে দায়ের করা মামলায় বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি রায় না দেওয়া পর্যন্ত ভোটের সংশোধিত ফলাফল অনুমোদন না করতে কাউন্টিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, সংশোধিত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা কবে বৈঠকে বসবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আদালতের রায়ের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং নির্বাচনী ফলাফলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের ওপরই এখন হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র পদে দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টি নির্ভর করছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com