ওয়ারেন/হ্যামট্রাম্যাক, ১ নভেম্বর : অশুভ শক্তির বিনাশ, শুভশক্তির জাগরণ এবং অন্ধকারের বুকে আলোর বার্তা নিয়ে আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) উদ্যাপিত হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা ও দীপাবলি। এ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট, ওয়ারেন, ট্রয়, ক্যান্টন, পন্টিয়াকসহ বিভিন্ন শহরে দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব আয়োজনের মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলি, আরতি, শ্যামাসংগীত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আতশবাজি। শক্তি ও শান্তির প্রতীক দেবী শ্যামার আরাধনাকে ঘিরে প্রবাসী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে এখন উৎসবের আমেজ।
শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে ওয়ারেন সিটির মিশিগান কালী বাড়িতে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পূজা-অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি থাকছে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টায় একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন মুম্বাই ও কলকাতার প্লেব্যাক গায়িকা ও লাইভ পারফর্মার তৃষা চাটার্জি। বিচিত্রা ও মিশিগান কালী বাড়ির যৌথ স্পন্সরশিপে অনুষ্ঠিত হবে এ বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান। এ ছাড়া থাকছে ফায়ারওয়ার্কস ও শ্যামাসংগীত।
মিশিগান কালী বাড়ির
দুই দিনের কর্মসূচি
উৎসবের প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় পূজার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। দুপুর ১২টায় কালী শরণম, দুপুর ১টায় পুষ্পাঞ্জলি, বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৬টায় পুনরায় পূজা এবং সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হবে। রাত ৮টায় তৃষা চাটার্জির একক সংগীতানুষ্ঠান, রাত ৯টায় ফায়ারওয়ার্কস, রাত ১০টায় শ্যামাসংগীত এবং রাত ১১টায় নিশিপূজার আয়োজন রয়েছে। রাত ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে পুষ্পাঞ্জলি।
পরদিন রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় পূজা, দুপুর ১টায় পুষ্পাঞ্জলি এবং সন্ধ্যা ৬টায় পুনরায় পূজা ও সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে পুষ্পাঞ্জলি অনুষ্ঠিত হবে। দুই দিনই ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে।
এদিকে শ্যামাপূজা উপলক্ষে ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পল, হ্যামট্রাম্যাক সিটির রাধাকৃষ্ণ টেম্পলসহ মিশিগানের বিভিন্ন মন্দিরেও নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত ভারতীয় অভিবাসী ও প্রবাসী বাঙালিরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা বা কালীপূজা। বাংলা পঞ্জিকার কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গোৎসবের পর শ্যামাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে উদ্যাপিত হয়। একই দিনে উদ্যাপিত হয় আলোর উৎসব দীপাবলি। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবী শ্যামা বা কালী শক্তির প্রতীক। অশুভ শক্তির বিনাশ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে শুভশক্তির প্রতিষ্ঠা এবং ভক্তদের কল্যাণ কামনায় দেবীর আরাধনা করা হয়। অন্যদিকে দীপাবলির প্রতিটি প্রদীপ যেন অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর জয়গান। ঘরে ঘরে প্রদীপ প্রজ্বালন, মন্দিরে পূজা-অর্চনা এবং আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে ভক্তরা শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন ।
শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে ওয়ারেন সিটির মিশিগান কালী বাড়িতে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পূজা-অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি থাকছে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টায় একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন মুম্বাই ও কলকাতার প্লেব্যাক গায়িকা ও লাইভ পারফর্মার তৃষা চাটার্জি। বিচিত্রা ও মিশিগান কালী বাড়ির যৌথ স্পন্সরশিপে অনুষ্ঠিত হবে এ বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান। এ ছাড়া থাকছে ফায়ারওয়ার্কস ও শ্যামাসংগীত।
মিশিগান কালী বাড়ির
দুই দিনের কর্মসূচি
উৎসবের প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় পূজার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। দুপুর ১২টায় কালী শরণম, দুপুর ১টায় পুষ্পাঞ্জলি, বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৬টায় পুনরায় পূজা এবং সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হবে। রাত ৮টায় তৃষা চাটার্জির একক সংগীতানুষ্ঠান, রাত ৯টায় ফায়ারওয়ার্কস, রাত ১০টায় শ্যামাসংগীত এবং রাত ১১টায় নিশিপূজার আয়োজন রয়েছে। রাত ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে পুষ্পাঞ্জলি।
পরদিন রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় পূজা, দুপুর ১টায় পুষ্পাঞ্জলি এবং সন্ধ্যা ৬টায় পুনরায় পূজা ও সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে পুষ্পাঞ্জলি অনুষ্ঠিত হবে। দুই দিনই ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে।
এদিকে শ্যামাপূজা উপলক্ষে ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পল, হ্যামট্রাম্যাক সিটির রাধাকৃষ্ণ টেম্পলসহ মিশিগানের বিভিন্ন মন্দিরেও নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত ভারতীয় অভিবাসী ও প্রবাসী বাঙালিরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা বা কালীপূজা। বাংলা পঞ্জিকার কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গোৎসবের পর শ্যামাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে উদ্যাপিত হয়। একই দিনে উদ্যাপিত হয় আলোর উৎসব দীপাবলি। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবী শ্যামা বা কালী শক্তির প্রতীক। অশুভ শক্তির বিনাশ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে শুভশক্তির প্রতিষ্ঠা এবং ভক্তদের কল্যাণ কামনায় দেবীর আরাধনা করা হয়। অন্যদিকে দীপাবলির প্রতিটি প্রদীপ যেন অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর জয়গান। ঘরে ঘরে প্রদীপ প্রজ্বালন, মন্দিরে পূজা-অর্চনা এবং আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে ভক্তরা শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন ।