ডেট্রয়েট, ৪ নভেম্বর : মিশিগানের পরবর্তী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোসেলিন বেনসন। এর মধ্য দিয়ে টানা আট বছর ক্ষমতায় থাকার পরও অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর পদ ধরে রাখার বিরল সুযোগ পেল ডেমোক্র্যাটরা।
রিপাবলিকান দলের মার্কিন প্রতিনিধি জন জেমসের বিরুদ্ধে বেনসনের এই জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গত ৬০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম মিশিগানে কোনো গভর্নর প্রার্থী একই দলের বিদায়ী গভর্নরের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন।
দ্য ডেট্রয়েট নিউজ জানিয়েছে, বুধবার, ৪ নভেম্বর রাত ১টার পর সিএনএন (CNN), এনবিসি নিউজ (NBC News) ও ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ (Decision Desk HQ) বেনসনের জয় নিশ্চিত বলে ঘোষণা করে।
বুধবার রাত ১টা ১০ মিনিটের হিসাব অনুযায়ী, বেনসন পেয়েছেন ৫৫ শতাংশ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জন জেমস পেয়েছেন ৪৩ শতাংশ। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে লিবার্টারিয়ান পার্টির অ্যান্থনি হাডসন পেয়েছেন ১ শতাংশ, ইউ.এস. ট্যাক্সপেয়ার্স পার্টির ডোনা ব্র্যান্ডেনবার্গ ০.৫ শতাংশ এবং গ্রিন পার্টির ডাগ ক্যাম্পবেল ০.৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ৪৯ বছর বয়সী বেনসন বর্তমানে মিশিগানের সেক্রেটারি অব স্টেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি অঙ্গরাজ্যটির তৃতীয় নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন।
বেনসনের চেয়ে পিছিয়ে থাকা
সত্ত্বেও জেমস আশাবাদী
শেলবি টাউনশিপ থেকে নির্বাচিত মার্কিন প্রতিনিধি জন জেমস মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত ডেট্রয়েটের ‘ওয়েস্টিন বুক ক্যাডিলাক’ হোটেলে অবস্থান করেন। সেখানে নির্বাচনের ফলাফল দেখার জন্য জড়ো হয়েছিলেন রিপাবলিকান দলের সমর্থকেরা। ৪৫ বছর বয়সী জেমস নির্বাচনে জয়ী হলে মিশিগানের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর হওয়ার ইতিহাস গড়তেন। হোটেলে উপস্থিত রিপাবলিকানরা তখনও আশাবাদী ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানের সামনের বড় পর্দায় প্রদর্শিত জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছিল, সারা দেশে রিপাবলিকানদের দখলে থাকা আসনগুলো একে একে ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে যাচ্ছে।
মধ্যরাতের কিছু আগে ডেট্রয়েটে আয়োজিত রিপাবলিকানদের নির্বাচনী অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে জেমস তাঁর পরিবার, নির্বাচনী প্রচারকর্মী ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এখনো তিনি “আশাবাদী”। জেমস আরও বলেন, “এখন অনেক রাত হয়েছে। আমরা এখনও ফলাফল পাচ্ছি। সর্বশেষ পরিস্থিতি আপনাদের জানাতে থাকব।”
মিশিগানের বর্তমান গভর্নর ডেমোক্র্যাট গ্রেচেন হুইটমার মেয়াদসীমার কারণে এবার পুনর্নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি অঙ্গরাজ্যটির গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন।
গভর্নর প্রার্থী জোসেলিন বেনসন মঙ্গলবার সকালে ডেট্রয়েটে সাংবাদিকদের বলেন, অঙ্গরাজ্যে আগাম ভোটের ব্যাপক উপস্থিতি ভোটারদের অসাধারণ আগ্রহেরই বহিঃপ্রকাশ।
বেনসন বলেন, “এটি প্রমাণ করে যে, মানুষের গণতন্ত্রের ওপর আস্থা রয়েছে এবং তারা ভোট দিতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমি আশা করছি, আজ রেকর্ডসংখ্যক ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।”
দিনের পরবর্তী সময়ে জন জেমস ফেন্টন টাউনশিপের লেক ফেন্টন হাই স্কুলে অবস্থিত একটি ভোটকেন্দ্রে প্রচারণা চালান। নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিকে জনমত জরিপগুলোতে বেনসন এগিয়ে থাকলেও জেমসের ধারণা ছিল, নির্বাচনের দিন ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি তাঁর পক্ষে ফল বয়ে আনতে পারে। ২০১৬ ও ২০২৪ সালের ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের প্রসঙ্গ টেনে জেমস বলেন, “অতীতেও দেখা গেছে, হিলারি ক্লিনটন কিংবা কমলা হ্যারিসের জয় নিশ্চিত ধরে নিয়ে অনেকে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছিলেন—এমনকি হোয়াইট হাউসে তাঁদের জন্য পর্দার মাপ নেওয়ার মতো প্রস্তুতিও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই জয়ী হয়েছিলেন। রিপাবলিকানরা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হন।” তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের বলছি, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যদি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হই, তবেই জয়ী হতে পারব।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
রিপাবলিকান দলের মার্কিন প্রতিনিধি জন জেমসের বিরুদ্ধে বেনসনের এই জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গত ৬০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম মিশিগানে কোনো গভর্নর প্রার্থী একই দলের বিদায়ী গভর্নরের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন।
দ্য ডেট্রয়েট নিউজ জানিয়েছে, বুধবার, ৪ নভেম্বর রাত ১টার পর সিএনএন (CNN), এনবিসি নিউজ (NBC News) ও ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ (Decision Desk HQ) বেনসনের জয় নিশ্চিত বলে ঘোষণা করে।
বুধবার রাত ১টা ১০ মিনিটের হিসাব অনুযায়ী, বেনসন পেয়েছেন ৫৫ শতাংশ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জন জেমস পেয়েছেন ৪৩ শতাংশ। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে লিবার্টারিয়ান পার্টির অ্যান্থনি হাডসন পেয়েছেন ১ শতাংশ, ইউ.এস. ট্যাক্সপেয়ার্স পার্টির ডোনা ব্র্যান্ডেনবার্গ ০.৫ শতাংশ এবং গ্রিন পার্টির ডাগ ক্যাম্পবেল ০.৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ৪৯ বছর বয়সী বেনসন বর্তমানে মিশিগানের সেক্রেটারি অব স্টেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি অঙ্গরাজ্যটির তৃতীয় নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন।
বেনসনের চেয়ে পিছিয়ে থাকা
সত্ত্বেও জেমস আশাবাদী
শেলবি টাউনশিপ থেকে নির্বাচিত মার্কিন প্রতিনিধি জন জেমস মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত ডেট্রয়েটের ‘ওয়েস্টিন বুক ক্যাডিলাক’ হোটেলে অবস্থান করেন। সেখানে নির্বাচনের ফলাফল দেখার জন্য জড়ো হয়েছিলেন রিপাবলিকান দলের সমর্থকেরা। ৪৫ বছর বয়সী জেমস নির্বাচনে জয়ী হলে মিশিগানের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর হওয়ার ইতিহাস গড়তেন। হোটেলে উপস্থিত রিপাবলিকানরা তখনও আশাবাদী ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানের সামনের বড় পর্দায় প্রদর্শিত জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছিল, সারা দেশে রিপাবলিকানদের দখলে থাকা আসনগুলো একে একে ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে যাচ্ছে।
মধ্যরাতের কিছু আগে ডেট্রয়েটে আয়োজিত রিপাবলিকানদের নির্বাচনী অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে জেমস তাঁর পরিবার, নির্বাচনী প্রচারকর্মী ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এখনো তিনি “আশাবাদী”। জেমস আরও বলেন, “এখন অনেক রাত হয়েছে। আমরা এখনও ফলাফল পাচ্ছি। সর্বশেষ পরিস্থিতি আপনাদের জানাতে থাকব।”
মিশিগানের বর্তমান গভর্নর ডেমোক্র্যাট গ্রেচেন হুইটমার মেয়াদসীমার কারণে এবার পুনর্নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি অঙ্গরাজ্যটির গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন।
গভর্নর প্রার্থী জোসেলিন বেনসন মঙ্গলবার সকালে ডেট্রয়েটে সাংবাদিকদের বলেন, অঙ্গরাজ্যে আগাম ভোটের ব্যাপক উপস্থিতি ভোটারদের অসাধারণ আগ্রহেরই বহিঃপ্রকাশ।
বেনসন বলেন, “এটি প্রমাণ করে যে, মানুষের গণতন্ত্রের ওপর আস্থা রয়েছে এবং তারা ভোট দিতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমি আশা করছি, আজ রেকর্ডসংখ্যক ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।”
দিনের পরবর্তী সময়ে জন জেমস ফেন্টন টাউনশিপের লেক ফেন্টন হাই স্কুলে অবস্থিত একটি ভোটকেন্দ্রে প্রচারণা চালান। নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিকে জনমত জরিপগুলোতে বেনসন এগিয়ে থাকলেও জেমসের ধারণা ছিল, নির্বাচনের দিন ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি তাঁর পক্ষে ফল বয়ে আনতে পারে। ২০১৬ ও ২০২৪ সালের ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের প্রসঙ্গ টেনে জেমস বলেন, “অতীতেও দেখা গেছে, হিলারি ক্লিনটন কিংবা কমলা হ্যারিসের জয় নিশ্চিত ধরে নিয়ে অনেকে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছিলেন—এমনকি হোয়াইট হাউসে তাঁদের জন্য পর্দার মাপ নেওয়ার মতো প্রস্তুতিও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই জয়ী হয়েছিলেন। রিপাবলিকানরা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হন।” তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের বলছি, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যদি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হই, তবেই জয়ী হতে পারব।”
Source & Photo: http://detroitnews.com