
ওয়াশিংটন, ৩ এপ্রিল : যুক্তরাষ্ট্রে সব আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমধ্যে, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৫ শতাংশ। এ সিদ্ধান্তকে অনেক দেশই ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বুধবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন করে শুল্ক ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নতুন শুল্কারোপকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, 'এই দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করছে।'
এদিন হোয়াইট হাউসে সাংবাদিককদের মুখোমুখি হয়ে একটি বড় চার্ট দেখান ট্রাম্প। যেখানে কোন দেশের উপরে কত শতাংশ শুল্ক চাপানো হচ্ছে তার উল্লেখ রয়েছে। ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক রাখা হয়েছে। সর্বাধিক শুল্ক ৪৯ শতাংশ, যা কম্বোডিয়ার উপরে চাপিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়াও মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এই শুল্ক প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ৩ এপ্রিল মধ্যরাতেই কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধান দুই রফতানি বাজারের একটি যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের একটি বড় অংশ রফতানি হয় দেশটিতে। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে বাংলাদেশে থেকে রফতানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলালের পণ্য, এর বড় অংশই তৈরি পোশাক।
এই দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নতুন শুল্কারোপকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, 'এই দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করছে।'
এদিন হোয়াইট হাউসে সাংবাদিককদের মুখোমুখি হয়ে একটি বড় চার্ট দেখান ট্রাম্প। যেখানে কোন দেশের উপরে কত শতাংশ শুল্ক চাপানো হচ্ছে তার উল্লেখ রয়েছে। ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক রাখা হয়েছে। সর্বাধিক শুল্ক ৪৯ শতাংশ, যা কম্বোডিয়ার উপরে চাপিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়াও মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এই শুল্ক প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ৩ এপ্রিল মধ্যরাতেই কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধান দুই রফতানি বাজারের একটি যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের একটি বড় অংশ রফতানি হয় দেশটিতে। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে বাংলাদেশে থেকে রফতানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলালের পণ্য, এর বড় অংশই তৈরি পোশাক।