শুল্ক সহায়তায় প্রতিযোগিতায় ফিরছে মিশিগানের টমেটো চাষীরা

আপলোড সময় : ১৯-০৮-২০২৫ ০১:২৫:৪৭ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-০৮-২০২৫ ০১:২৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
বেরিয়েন কাউন্টিতে লিটজ ফার্মসের জমিতে টমেটো সংগ্রহে ব্যস্ত শ্রমিকরা। ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ১৭% শুল্ক দেশীয় টমেটোর বিক্রি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে হলেও, মিশিগানের কৃষকরা এখনও নিশ্চিত নন এটি তাদের আর্থিক লাভে কতটা সহায়ক হবে/Photo : Mari Maloney, Special To Detroit News  

সোডাস টাউনশিপ, ১৯ আগস্ট : মিশিগানের টমেটো খামারগুলো কানাডা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে হলেও কৃষকদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম মেক্সিকো।
গত প্রায় এক-চতুর্থাংশ শতাব্দী ধরে মেক্সিকো মিশিগানের টমেটো শিল্পে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে। কৃষকদের জন্য একদিকে শ্রমিক সংকট ও অস্থায়ী কাজের ভিসার (H-2A) ক্রমবর্ধমান খরচ, অন্যদিকে বাজারে মেক্সিকো থেকে আসা সস্তা টমেটোর চাপ দ্বিগুণ সংকট তৈরি করেছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম মিশিগানের সোডাস টাউনশিপে ৬০০ একর লেইটজ ফার্মের সহ-মালিক ফ্রেড লিটজ জুনিয়র বলেন,
“আমরা সবসময় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছি। মেক্সিকান চাষিরা কয়েক দশক ধরে দাম কমিয়ে মার্কিন বাজার দখল করছে। কিছু একটা পরিবর্তন করতেই হবে।”
তবে সম্প্রতি কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলেছে। গত মাসে মেক্সিকো থেকে আমদানি করা টমেটোর উপর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ১৭% শুল্ক মিশিগানের কৃষকদের জন্য প্রতিযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
তবুও, চাষিরা এখনো অনিশ্চিত। কারণ মেক্সিকো রপ্তানিকৃত টমেটোর ন্যূনতম মূল্য বাড়িয়েছে। এর মানে আগামী মাসগুলোতে মার্কিন ভোক্তাদের রোমা, রাউন্ড ও চেরি টমেটোর জন্য বেশি দাম দিতে হবে।
৬৮ বছর বয়সী লিটজ বলেন, “আমি সবসময় আশাবাদী থাকি যে লাভ করব, কিন্তু সেটা সবসময় হয় না। ১৯৯৬ সাল থেকে দেশীয় চাষিদের সুরক্ষায় যথেষ্ট কিছু করা হয়নি। এখন হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
 

সম্পাদকীয় :

চিনু মৃধা : সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

সম্পাদক ও প্রকাশক : চিন্ময় আচার্য্য, নির্বাহী সম্পাদক : কামাল মোস্তফা, সহযোগী সম্পাদক : আশিক রহমান,

বার্তা সম্পাদক : তোফায়েল রেজা সোহেল, ফিচার এডিটর : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সোহান, স্টাফ রিপোর্টার : মৃদুল কান্তি সরকার।

যোগাযোগ :

Phone : +1 (313) 312-7006

Email : suprobhatmichigan@gmail.com

Website : www.suprobhatmichigan.com