২৭ ডিসেম্বর অবসর নিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি, উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

আপলোড সময় : ০৮-১২-২০২৫ ০২:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-১২-২০২৫ ০২:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন
ঢাকা, ৮ ডিসেম্বর : দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। তার অবসর ঘনিয়ে আসায় আইনাঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি।
বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ছয়জন বিচারপতি দায়িত্ব পালন করছেন। জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে তারা হলেন—বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। এদের মধ্যে সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নাম আলোচনায় রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিনের রীতি অনুসারে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকেই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে বর্তমান প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম ঘটেছিল। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন সরকার পতনের পর প্রধান বিচারপতিসহ ছয়জন বিচারপতি পদত্যাগে বাধ্য হন। সে সময় অন্তর্বর্তী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। অতীতে সব প্রধান বিচারপতিকেই আপিল বিভাগ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এবারও সেই রীতি বহাল থাকবে এবং আপিল বিভাগ থেকেই ২৬তম প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হবে।
সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি অনুপস্থিত থাকলে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন। আর ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন এবং তার পরামর্শে অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করেন।
এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, “বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়োগ বাধ্যতামূলক না হলেও একটি সংস্কার প্রস্তাবে জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।”
বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য মাসদার হোসেন বলেন, “জ্যেষ্ঠ বিচারপতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলে দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।”

সম্পাদকীয় :

চিনু মৃধা : সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

সম্পাদক ও প্রকাশক : চিন্ময় আচার্য্য, নির্বাহী সম্পাদক : কামাল মোস্তফা, সহযোগী সম্পাদক : আশিক রহমান,

বার্তা সম্পাদক : তোফায়েল রেজা সোহেল, ফিচার এডিটর : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সোহান, স্টাফ রিপোর্টার : মৃদুল কান্তি সরকার।

অফিস :

22021 Memphis Ave Warren, MI 48091

Phone : +1 (313) 312-7006

Email : [email protected]

Website : www.suprobhatmichigan.com