বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর জীবনাবসান

আপলোড সময় : ২৯-১২-২০২৫ ১১:২০:৪৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-১২-২০২৫ ১১:২০:৪৫ অপরাহ্ন
ঢাকা : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, “বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের কাছে তার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।” এ তথ্য বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানও নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বেগম জিয়াকে জরুরি ভিত্তিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে নিউমোনিয়ার পাশাপাশি কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিস–জনিত জটিলতা দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা চললেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে আর বিদেশে নেওয়া সম্ভব হয়নি। বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি–সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাদের আদি বাড়ি ফেনীতে। শিক্ষাজীবনে তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।
১৯৬০ সালে তিনি বীর উত্তম জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তিনি ফার্স্ট লেডি হিসেবে মার্গারেট থ্যাচার, ডাচ রানি জুলিয়ানাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন ও সফরসঙ্গী হন।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দিয়ে দ্রুত রাজনীতিতে উঠে আসেন তিনি। ১৯৮৩ সালে ভাইস চেয়ারম্যান, ১৯৮৪ সালে দলের চেয়ারপারসন হন। তার রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো নির্বাচনে পরাজিত হননি—১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে পাঁচটি আসন থেকে এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।

সম্পাদকীয় :

চিনু মৃধা : সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

সম্পাদক ও প্রকাশক : চিন্ময় আচার্য্য, নির্বাহী সম্পাদক : কামাল মোস্তফা, সহযোগী সম্পাদক : আশিক রহমান,

বার্তা সম্পাদক : তোফায়েল রেজা সোহেল, ফিচার এডিটর : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সোহান, স্টাফ রিপোর্টার : মৃদুল কান্তি সরকার।

অফিস :

22021 Memphis Ave Warren, MI 48091

Phone : +1 (313) 312-7006

Email : [email protected]

Website : www.suprobhatmichigan.com