ঢাকা, ১০ জানুয়ারি : বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার বনানীর হোটেল শেরাটনে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে অনুরোধ করেন, তার নামের আগে “মাননীয়” শব্দটি ব্যবহার না করার জন্য।
তারেক রহমান অনুষ্ঠানে মঞ্চে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে করমর্দন এবং কুশল বিনিময় করেন। মঞ্চে লাল ফিতা দিয়ে ঘেরা বেষ্টনী দেখে তিনি তা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। বক্তৃতার সময় কেউ তাকে “মাননীয়” সম্বোধন করলে তিনি মাইকে বললেন, “আমার নামের আগে মাননীয় বলবেন না।”
তারেক রহমান বলেন, দেশে ফিরে তিনি নতুন প্রজন্মের মধ্যে আশা ও গাইডেন্সের অভাব লক্ষ্য করেছেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি জনগণের সামনে তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে এবং দেশের সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে দেশটির বিভিন্ন শীর্ষ সাংবাদিক ও সম্পাদক তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও সাংবাদিকতার পরিবেশ উন্নয়নের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও সম্পাদকরা তারেক রহমানের ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়তা ও পরিবর্তন সম্পর্কে মন্তব্য করেন। যেসব মন্তব্য করা হয় তার মধ্যে রয়েছে তারেকের ব্যক্তিগত পরিবর্তন, বাংলাদেশের ১৭ বছরের মিডিয়া ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, এবং গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ গঠনের গুরুত্ব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ দৈনিক ও সংবাদপত্রের সম্পাদক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে ছিলেন- যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউ এজ সম্পাদক ও এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি নূরুল কবীর, আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, দৈনিক ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দীন, যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ইনাম আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, বণিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের মো. রেজাউল করিম, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকণ্ঠের শহীদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। অনুষ্ঠানে সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তব্য দেন।
তারেক রহমান অনুষ্ঠানে মঞ্চে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে করমর্দন এবং কুশল বিনিময় করেন। মঞ্চে লাল ফিতা দিয়ে ঘেরা বেষ্টনী দেখে তিনি তা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। বক্তৃতার সময় কেউ তাকে “মাননীয়” সম্বোধন করলে তিনি মাইকে বললেন, “আমার নামের আগে মাননীয় বলবেন না।”
তারেক রহমান বলেন, দেশে ফিরে তিনি নতুন প্রজন্মের মধ্যে আশা ও গাইডেন্সের অভাব লক্ষ্য করেছেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি জনগণের সামনে তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে এবং দেশের সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে দেশটির বিভিন্ন শীর্ষ সাংবাদিক ও সম্পাদক তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও সাংবাদিকতার পরিবেশ উন্নয়নের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও সম্পাদকরা তারেক রহমানের ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়তা ও পরিবর্তন সম্পর্কে মন্তব্য করেন। যেসব মন্তব্য করা হয় তার মধ্যে রয়েছে তারেকের ব্যক্তিগত পরিবর্তন, বাংলাদেশের ১৭ বছরের মিডিয়া ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, এবং গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ গঠনের গুরুত্ব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ দৈনিক ও সংবাদপত্রের সম্পাদক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে ছিলেন- যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউ এজ সম্পাদক ও এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি নূরুল কবীর, আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, দৈনিক ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দীন, যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ইনাম আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, বণিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের মো. রেজাউল করিম, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকণ্ঠের শহীদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। অনুষ্ঠানে সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তব্য দেন।