ঢাকা, ১২ জানুয়ারি : রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে ফাতেমা আক্তার লিলি নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হোটেল কর্মী মিলনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে, গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে বাবা-মা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করত। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায়। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রী এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন।
নিহতের বড় বোন শোভা জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে গত ৭ জানুয়ারি তাদের বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে যান। পরিবারটির একটি হোটেল ব্যবসা রয়েছে। ঘটনার আগের দিন রাতে খাবার নিতে আসার সময় ফাতেমা হোটেল কর্মী মিলনের সঙ্গে একটু কঠিনভাবে কথা বলেছিল বলে তিনি জানান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনার সময় রেস্তোরাঁর কর্মী মিলনকে ওই বাসায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসায় লুটপাটের চেষ্টার সময় মেয়েটি বাধা দিলে একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। তবে ঘটনাটিতে ধর্ষণের কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে, গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে বাবা-মা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করত। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায়। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রী এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন।
নিহতের বড় বোন শোভা জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে গত ৭ জানুয়ারি তাদের বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে যান। পরিবারটির একটি হোটেল ব্যবসা রয়েছে। ঘটনার আগের দিন রাতে খাবার নিতে আসার সময় ফাতেমা হোটেল কর্মী মিলনের সঙ্গে একটু কঠিনভাবে কথা বলেছিল বলে তিনি জানান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনার সময় রেস্তোরাঁর কর্মী মিলনকে ওই বাসায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসায় লুটপাটের চেষ্টার সময় মেয়েটি বাধা দিলে একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। তবে ঘটনাটিতে ধর্ষণের কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।