হ্যামট্রাম্যাক, ১৭ জানুয়ারি : বাংলাদেশি অধ্যুষিত মিশিগানের শহর হ্যামট্রাম্যাকে বিদেশি রাজনৈতিক নেতাদের নামে রাস্তার নামকরণকে ঘিরে টানা কয়েক দিনের উত্তেজনা, বিতর্ক ও রাজনৈতিক মেরুকরণের অবসান ঘটেছে। হ্যামট্রাম্যাক সিটি কাউন্সিলের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভবিষ্যতে শহরের কোনো রাস্তা বা স্থাপনার নাম বিদেশি কোনো রাজনৈতিক নেতার নামে রাখা হবে না। এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাবে বাতিল হয়ে গেছে বাংলাদেশের সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নামে রাস্তার নামকরণের পূর্ববর্তী অনুমোদন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে মেয়র অ্যাডাম আলহারাবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আড়াই ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সিটি কাউন্সিল ৩–২ ভোটের ব্যবধানে বিদেশি রাজনৈতিক নেতাদের নামে রাস্তার নামকরণ নিষিদ্ধ করার বিল পাস করে। সভায় শহরের ছয় কাউন্সিল সদস্যের মধ্যে পাঁচজন উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সিটি ম্যানেজার ও সিটি অ্যাটর্নিও বৈঠকে অংশ নেন।
এই বিল পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পূর্বে গৃহীত দুটি সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়। একটি ছিল কার্পেন্টার স্ট্রিটের নাম বেগম খালেদা জিয়ার নামে রাখার প্রস্তাব, অন্যটি ছিল ক্যানিফ স্ট্রিটের নাম শেখ হাসিনার নামে নামকরণ।
উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি কাউন্সিল সদস্য মোহাম্মদ হাসানের প্রস্তাবে কার্পেন্টার স্ট্রিটের নাম বেগম খালেদা জিয়ার নামে রাখার সিদ্ধান্ত ৪–২ ভোটে অনুমোদিত হয়েছিল। অন্যদিকে, মঙ্গলবারের একই সভায় কাউন্সিল সদস্য আবু আহমেদ মুসা ক্যানিফ স্ট্রিটের নাম শেখ হাসিনার নামে রাখার প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা ৩–২ ভোটে সাময়িকভাবে অনুমোদন পায়।
তবে এই দুই প্রস্তাব অনুমোদনের পরপরই তা বাতিলের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক এবং মতবিরোধের পর আবারও ৩–২ ভোটের ব্যবধানে উভয় সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।
সভাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তারা নিজ নিজ নেতার পক্ষে জোরালো যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও বক্তব্য দেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে যেসব ব্যক্তি হ্যামট্রাম্যাক শহরের উন্নয়নে প্রত্যক্ষ কোনো অবদান রাখেননি, তাঁদের নামে রাস্তার নামকরণ শহরের জন্য বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে।
গত কয়েক দিন ধরে খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নামে রাস্তার নামকরণ নিয়ে শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনা ও সামাজিক উত্তেজনা বিরাজ করছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সেই বিতর্কের কার্যত ইতি ঘটল।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে হ্যামট্রাম্যাক শহরের কোনো রাস্তা, সড়ক বা স্থাপনার নাম বিদেশি কোনো রাজনৈতিক নেতার নামে রাখা যাবে না। সিটি কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরের সাধারণ বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপ সামাজিক ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
অনেক বাসিন্দা এই সিদ্ধান্তের জন্য মেয়র অ্যাডাম আলহারাবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, হ্যামট্রাম্যাককে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ রাখাই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে মেয়র অ্যাডাম আলহারাবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আড়াই ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সিটি কাউন্সিল ৩–২ ভোটের ব্যবধানে বিদেশি রাজনৈতিক নেতাদের নামে রাস্তার নামকরণ নিষিদ্ধ করার বিল পাস করে। সভায় শহরের ছয় কাউন্সিল সদস্যের মধ্যে পাঁচজন উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সিটি ম্যানেজার ও সিটি অ্যাটর্নিও বৈঠকে অংশ নেন।
এই বিল পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পূর্বে গৃহীত দুটি সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়। একটি ছিল কার্পেন্টার স্ট্রিটের নাম বেগম খালেদা জিয়ার নামে রাখার প্রস্তাব, অন্যটি ছিল ক্যানিফ স্ট্রিটের নাম শেখ হাসিনার নামে নামকরণ।
উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি কাউন্সিল সদস্য মোহাম্মদ হাসানের প্রস্তাবে কার্পেন্টার স্ট্রিটের নাম বেগম খালেদা জিয়ার নামে রাখার সিদ্ধান্ত ৪–২ ভোটে অনুমোদিত হয়েছিল। অন্যদিকে, মঙ্গলবারের একই সভায় কাউন্সিল সদস্য আবু আহমেদ মুসা ক্যানিফ স্ট্রিটের নাম শেখ হাসিনার নামে রাখার প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা ৩–২ ভোটে সাময়িকভাবে অনুমোদন পায়।
তবে এই দুই প্রস্তাব অনুমোদনের পরপরই তা বাতিলের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক এবং মতবিরোধের পর আবারও ৩–২ ভোটের ব্যবধানে উভয় সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।
সভাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তারা নিজ নিজ নেতার পক্ষে জোরালো যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও বক্তব্য দেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে যেসব ব্যক্তি হ্যামট্রাম্যাক শহরের উন্নয়নে প্রত্যক্ষ কোনো অবদান রাখেননি, তাঁদের নামে রাস্তার নামকরণ শহরের জন্য বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে।
গত কয়েক দিন ধরে খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নামে রাস্তার নামকরণ নিয়ে শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনা ও সামাজিক উত্তেজনা বিরাজ করছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সেই বিতর্কের কার্যত ইতি ঘটল।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে হ্যামট্রাম্যাক শহরের কোনো রাস্তা, সড়ক বা স্থাপনার নাম বিদেশি কোনো রাজনৈতিক নেতার নামে রাখা যাবে না। সিটি কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরের সাধারণ বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপ সামাজিক ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
অনেক বাসিন্দা এই সিদ্ধান্তের জন্য মেয়র অ্যাডাম আলহারাবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, হ্যামট্রাম্যাককে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ রাখাই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।