ওয়ারেন, ১৮ জানুয়ারি : মিশিগান কালিবাড়িতে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে আয়োজিত পিঠা উৎসবটি প্রবাসী বাঙালিদের জন্য এক আনন্দঘন মিলনমেলায় রূপ নেয়। গতকাল রোববার দুপুরে কনকনে ঠান্ডার আবহে কালিবাড়ি প্রাঙ্গণজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ আর দেশি সংস্কৃতির উষ্ণ স্পর্শ।
পৌষ সংক্রান্তি বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই আয়োজিত এই পিঠা উৎসবে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, দুধপুলি, তিলের পিঠা, নারকেলের নাড়ুসহ নানা পদের বাহারি পিঠার সমাহার দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। অনেকেই নিজের হাতে তৈরি পিঠা নিয়ে উৎসবে অংশ নেন, আবার অনেকে সপরিবারে এসে পিঠার স্বাদে মেতে ওঠেন। পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে মন্দিরের প্রেসিডেন্ট শ্যামা বি. হালদার শুভেচ্ছাস্বরূপ চাদর বিতরণ করেন।

উৎসবকে ঘিরে কালিবাড়িতে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবহও ছিল স্পষ্ট। মন্দির প্রাঙ্গণে পূজার আয়োজনের পাশাপাশি বাঙালির সামাজিক সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন ফুটে ওঠে। আড্ডা ও আন্তরিক কথোপকথনে প্রবাসে থেকেও নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুভূতি আরও গভীর হয়। অনেকেই বলেন, এই আয়োজন তাঁদের শৈশবের পৌষ সংক্রান্তির স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে। উৎসবে আগত দর্শনার্থীরা দলগত ও পারিবারিকভাবে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকরা জানান, পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি বাঙালি সংস্কৃতি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে এটি প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। মিশিগান কালিবাড়ি শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, বরং প্রবাসী বাঙালিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনকেন্দ্র হিসেবেও ভূমিকা পালন করছে।
সব মিলিয়ে, পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে মিশিগান কালিবাড়ির এই পিঠা উৎসব প্রবাসী বাঙালিদের হৃদয়ে উষ্ণতা ছড়িয়ে দেয় এবং প্রমাণ করে দেশের মাটি থেকে দূরে থাকলেও সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের টান কখনোই ফুরিয়ে যায় না।
পৌষ সংক্রান্তি বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই আয়োজিত এই পিঠা উৎসবে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, দুধপুলি, তিলের পিঠা, নারকেলের নাড়ুসহ নানা পদের বাহারি পিঠার সমাহার দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। অনেকেই নিজের হাতে তৈরি পিঠা নিয়ে উৎসবে অংশ নেন, আবার অনেকে সপরিবারে এসে পিঠার স্বাদে মেতে ওঠেন। পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে মন্দিরের প্রেসিডেন্ট শ্যামা বি. হালদার শুভেচ্ছাস্বরূপ চাদর বিতরণ করেন।

উৎসবকে ঘিরে কালিবাড়িতে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবহও ছিল স্পষ্ট। মন্দির প্রাঙ্গণে পূজার আয়োজনের পাশাপাশি বাঙালির সামাজিক সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন ফুটে ওঠে। আড্ডা ও আন্তরিক কথোপকথনে প্রবাসে থেকেও নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুভূতি আরও গভীর হয়। অনেকেই বলেন, এই আয়োজন তাঁদের শৈশবের পৌষ সংক্রান্তির স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে। উৎসবে আগত দর্শনার্থীরা দলগত ও পারিবারিকভাবে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকরা জানান, পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি বাঙালি সংস্কৃতি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে এটি প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। মিশিগান কালিবাড়ি শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, বরং প্রবাসী বাঙালিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনকেন্দ্র হিসেবেও ভূমিকা পালন করছে।
সব মিলিয়ে, পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে মিশিগান কালিবাড়ির এই পিঠা উৎসব প্রবাসী বাঙালিদের হৃদয়ে উষ্ণতা ছড়িয়ে দেয় এবং প্রমাণ করে দেশের মাটি থেকে দূরে থাকলেও সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের টান কখনোই ফুরিয়ে যায় না।