চট্টগ্রাম, ১৯ জানুয়ারি: আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেছেন। চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই আদেশ দেন। এ সময় ২৩ জন হাজতি আসামি আদালতে হাজির হন, আর ১৬ জন এখনও পলাতক রয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, মামলাটি সংবেদনশীল ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। মামলার এজাহার, চার্জশিট, সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি, জব্দকৃত আলামত, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করেই আদালত অভিযোগ গঠন করেছেন। তিনি জানান, আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগিতাকারী ও প্রত্যক্ষ উস্কানিদাতা। তার নির্দেশ ও প্ররোচনায় অন্যান্য আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। তাই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর বিরুদ্ধে হত্যা ও প্ররোচনার (৩০২/১০৯) ধারায় এবং অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৭-এর অবৈধ সংঘবদ্ধ সহিংসতা, ৪৪৮-এর অনধিকার প্রবেশ, ৪৪৯-এর গুরুতর অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ, ৩০২-এর হত্যা এবং ৩৪-এর যৌথ অভিপ্রায়কে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনের ঘটনায় সংঘর্ষের সময় সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। পরবর্তী তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ায় আসামির সংখ্যা বাড়িয়ে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, মামলাটি সংবেদনশীল ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। মামলার এজাহার, চার্জশিট, সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি, জব্দকৃত আলামত, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করেই আদালত অভিযোগ গঠন করেছেন। তিনি জানান, আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগিতাকারী ও প্রত্যক্ষ উস্কানিদাতা। তার নির্দেশ ও প্ররোচনায় অন্যান্য আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। তাই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর বিরুদ্ধে হত্যা ও প্ররোচনার (৩০২/১০৯) ধারায় এবং অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৭-এর অবৈধ সংঘবদ্ধ সহিংসতা, ৪৪৮-এর অনধিকার প্রবেশ, ৪৪৯-এর গুরুতর অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ, ৩০২-এর হত্যা এবং ৩৪-এর যৌথ অভিপ্রায়কে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনের ঘটনায় সংঘর্ষের সময় সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। পরবর্তী তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ায় আসামির সংখ্যা বাড়িয়ে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।