জিল্যান্ড টাউনশিপ, ১৯ জানুয়ারি : পশ্চিম মিশিগানের ইন্টারস্টেট–১৯৬ মহাসড়কে ভয়াবহ এক গণসংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০০টি গাড়ি জড়িয়ে পড়ে। এতে ৯ থেকে ১২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অটোয়া কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের তথ্যমতে, গ্র্যান্ড র্যাপিডস থেকে প্রায় ২৩ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে জিল্যান্ড টাউনশিপের ৬৪তম অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় সোমবার সকাল আনুমানিক ১০টা ১৯ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
হাডসনভিলের বাসিন্দা ৫২ বছর বয়সী পেদ্রো মাতা জানান, তিনি এই ধারাবাহিক সংঘর্ষের একেবারে সামনের দিকে ছিলেন। ঘণ্টায় প্রায় ৩০ মাইল গতিতে জিল্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় তিনি দেখেন, সামনে থাকা কয়েকটি ট্রাক হঠাৎ গতি কমিয়ে দিক পরিবর্তন করছে। এর মধ্যেই একটি ট্রাক্টর-ট্রেলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আড়াআড়িভাবে মহাসড়কে আটকে যায়।
মাতা বলেন, “ঠিক তখনই আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ডিভাইডারের বাম পাশ দিয়ে রাস্তার পাশের খাদে নেমে যাই।” তিনি বলেন, "আমি তখনও আমার পেছনে সংঘর্ষের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি পেছনে উঁকি দিয়ে দেখি (অন্যান্য গাড়িগুলো) তখনও একে অপরের সাথে ধাক্কা খাচ্ছে।"
মাতা আরও জানান, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ৪৫ মিনিটেরও বেশি সময় লেগেছে। তীব্র শীত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আটকে পড়া চালকদের কাছে পৌঁছাতে কোথাও কোথাও স্নোমোবাইল ব্যবহার করা হয়। তাকে অন্য অক্ষত চালকদের সাথে জিল্যান্ড হাই স্কুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
অটোয়া কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, আহতদের সবাইকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মিশিগান স্টেট পুলিশের তথ্যমতে, এই দুর্ঘটনায় আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০টি সেমি-ট্রাক জড়িত ছিল।
এদিকে দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই মহাসড়কের পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে জানান ক্লেয়ার বিচ-পেভার। হাডসনভিল থেকে হল্যান্ড যাওয়ার পথে তিনি ঘন কুয়াশার কারণে ঘণ্টায় মাত্র ২০ মাইল বেগে গাড়ি চালাতে বাধ্য হন।
একটি টেক্সট বার্তায় তিনি বলেন, “চারপাশে এত কুয়াশা ছিল যে সবকিছু সাদা দেখাচ্ছিল। পথে অন্তত ১১টি গাড়িকে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে থাকতে দেখেছি।” দুর্ঘটনার পর হাডসনভিল ও জিল্যান্ডের মধ্যবর্তী আই-১৯৬ মহাসড়ক উভয় দিকেই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে শেরিফের কার্যালয় ফেসবুক পোস্টে নিশ্চিত করেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
হাডসনভিলের বাসিন্দা ৫২ বছর বয়সী পেদ্রো মাতা জানান, তিনি এই ধারাবাহিক সংঘর্ষের একেবারে সামনের দিকে ছিলেন। ঘণ্টায় প্রায় ৩০ মাইল গতিতে জিল্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় তিনি দেখেন, সামনে থাকা কয়েকটি ট্রাক হঠাৎ গতি কমিয়ে দিক পরিবর্তন করছে। এর মধ্যেই একটি ট্রাক্টর-ট্রেলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আড়াআড়িভাবে মহাসড়কে আটকে যায়।
মাতা বলেন, “ঠিক তখনই আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ডিভাইডারের বাম পাশ দিয়ে রাস্তার পাশের খাদে নেমে যাই।” তিনি বলেন, "আমি তখনও আমার পেছনে সংঘর্ষের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি পেছনে উঁকি দিয়ে দেখি (অন্যান্য গাড়িগুলো) তখনও একে অপরের সাথে ধাক্কা খাচ্ছে।"
মাতা আরও জানান, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ৪৫ মিনিটেরও বেশি সময় লেগেছে। তীব্র শীত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আটকে পড়া চালকদের কাছে পৌঁছাতে কোথাও কোথাও স্নোমোবাইল ব্যবহার করা হয়। তাকে অন্য অক্ষত চালকদের সাথে জিল্যান্ড হাই স্কুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
অটোয়া কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, আহতদের সবাইকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মিশিগান স্টেট পুলিশের তথ্যমতে, এই দুর্ঘটনায় আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০টি সেমি-ট্রাক জড়িত ছিল।
এদিকে দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই মহাসড়কের পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে জানান ক্লেয়ার বিচ-পেভার। হাডসনভিল থেকে হল্যান্ড যাওয়ার পথে তিনি ঘন কুয়াশার কারণে ঘণ্টায় মাত্র ২০ মাইল বেগে গাড়ি চালাতে বাধ্য হন।
একটি টেক্সট বার্তায় তিনি বলেন, “চারপাশে এত কুয়াশা ছিল যে সবকিছু সাদা দেখাচ্ছিল। পথে অন্তত ১১টি গাড়িকে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে থাকতে দেখেছি।” দুর্ঘটনার পর হাডসনভিল ও জিল্যান্ডের মধ্যবর্তী আই-১৯৬ মহাসড়ক উভয় দিকেই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে শেরিফের কার্যালয় ফেসবুক পোস্টে নিশ্চিত করেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com