ওকল্যান্ড কাউন্টি, ২৪ জুন : গত গ্রীষ্মে নিজের দুই ছেলেকে মারধর ও শ্বাসরোধ করার অভিযোগে পন্টিয়াকের এক বাবাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার ওকল্যান্ড কাউন্টি সার্কিট আদালতে সাজা ঘোষণার শুনানিতে বিচারক ন্যান্সি গ্রান্ট ৯ বছর বয়সী ছেলেকে দ্বিতীয়-ডিগ্রি শিশু নির্যাতনের দায়ে সেড্রিক ডিকুয়েল-স্টিফেনস মুরকে ৩ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে চতুর্থ-ডিগ্রি শিশু নির্যাতনের অপরাধে তাকে আরও ২০৯ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় সাজার ক্ষেত্রেই ইতোমধ্যে কারাভোগ করা ২০৯ দিনের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ৩৮ বছর বয়সী মুর গত ডিসেম্বরে উভয় অভিযোগেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করেননি।
ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের তথ্যমতে, শিশুটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তার চোখ ও ঘাড়ের কাছে ক্ষত পাওয়া যায়। গত জুন মাসে মুরের এক প্রতিবেশী পুলিশে ফোন করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি জানতে পারে। পুলিশ জানায়, বাবা দোকানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে শিশুটি ওই প্রতিবেশীর কাছে সাহায্যের জন্য ছুটে যায়।
শেরিফের কার্যালয়ের বরাতে জানা যায়, ৯ বছর বয়সী শিশুটি জানিয়েছে, সে সোফায় ঘুমিয়ে পড়ায় তার বাবা ক্ষুব্ধ হন এবং এর জেরেই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। তাকে বেল্ট ও ঝাড়ু দিয়ে মারধর করা হয় এবং বলা হয়, মারধর “সারারাত” চলবে। পরে তাকে শ্বাসরোধ করা হয়, যতক্ষণ না সে জ্ঞান হারায়। শিশুটি আরও জানায়, ক্ষুধার কারণে কান্না করায় তার বাবা তার এক বছর বয়সী ভাইকেও খাটে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন। এছাড়া শিশুটির পিঠে সিগারেটের পোড়ার ক্ষতের চিহ্ন ছিল, যা পরে সেরে ওঠে।
শেরিফের কার্যালয় আরও জানায়, মুর নাকি এক আত্মীয়কে বলেছিলেন যে চুরির অভিযোগে তিনি তার ছেলেকে মারধর করেছিলেন। মুর ২৭ জুন ২০২৫ সাল থেকে ওকল্যান্ড কাউন্টি জেলে আটক রয়েছেন। বর্তমানে তাকে মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে
Source & Photo: http://detroitnews.com
বুধবার ওকল্যান্ড কাউন্টি সার্কিট আদালতে সাজা ঘোষণার শুনানিতে বিচারক ন্যান্সি গ্রান্ট ৯ বছর বয়সী ছেলেকে দ্বিতীয়-ডিগ্রি শিশু নির্যাতনের দায়ে সেড্রিক ডিকুয়েল-স্টিফেনস মুরকে ৩ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে চতুর্থ-ডিগ্রি শিশু নির্যাতনের অপরাধে তাকে আরও ২০৯ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় সাজার ক্ষেত্রেই ইতোমধ্যে কারাভোগ করা ২০৯ দিনের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ৩৮ বছর বয়সী মুর গত ডিসেম্বরে উভয় অভিযোগেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করেননি।
ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের তথ্যমতে, শিশুটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তার চোখ ও ঘাড়ের কাছে ক্ষত পাওয়া যায়। গত জুন মাসে মুরের এক প্রতিবেশী পুলিশে ফোন করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি জানতে পারে। পুলিশ জানায়, বাবা দোকানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে শিশুটি ওই প্রতিবেশীর কাছে সাহায্যের জন্য ছুটে যায়।
শেরিফের কার্যালয়ের বরাতে জানা যায়, ৯ বছর বয়সী শিশুটি জানিয়েছে, সে সোফায় ঘুমিয়ে পড়ায় তার বাবা ক্ষুব্ধ হন এবং এর জেরেই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। তাকে বেল্ট ও ঝাড়ু দিয়ে মারধর করা হয় এবং বলা হয়, মারধর “সারারাত” চলবে। পরে তাকে শ্বাসরোধ করা হয়, যতক্ষণ না সে জ্ঞান হারায়। শিশুটি আরও জানায়, ক্ষুধার কারণে কান্না করায় তার বাবা তার এক বছর বয়সী ভাইকেও খাটে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন। এছাড়া শিশুটির পিঠে সিগারেটের পোড়ার ক্ষতের চিহ্ন ছিল, যা পরে সেরে ওঠে।
শেরিফের কার্যালয় আরও জানায়, মুর নাকি এক আত্মীয়কে বলেছিলেন যে চুরির অভিযোগে তিনি তার ছেলেকে মারধর করেছিলেন। মুর ২৭ জুন ২০২৫ সাল থেকে ওকল্যান্ড কাউন্টি জেলে আটক রয়েছেন। বর্তমানে তাকে মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে
Source & Photo: http://detroitnews.com