ম্যাটসন/Ann Arbor police
অ্যান আরবার, ২৫ জানুয়ারি : কর্তৃপক্ষের সমন্বিত প্রায় ২০ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানের পর অ্যান আরবারে তীব্র শীতের মধ্যে নিখোঁজ এক তরুরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই অ্যান আরবার পুলিশ তার সন্ধানে অভিযান শুরু করে। পুলিশ জানায়, ম্যাটসনকে সর্বশেষ শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিল স্ট্রিটের ১৭০০ ব্লকে একা হাঁটতে দেখা যায়। সে সময় তার পরনে কোনো কোট ছিল না; ছিল হালকা রঙের টি-শার্ট, নীল জিন্স ও সাদা জুতা। এদিকে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত অ্যান আরবারে তাপমাত্রা দ্রুত কমে হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়।
শনিবার দুপুর ১২টা ০৫ মিনিটের দিকে কেমব্রিজ রোডের ১৯০০ ব্লক এলাকা থেকে ম্যাটসনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অ্যান আরবার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আলামতও নেই। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে ওয়াশটেনাও কাউন্টি মেডিকেল পরীক্ষকের কার্যালয় তদন্ত করছে।
এক বিবৃতিতে অ্যান আবোর পুলিশ বিভাগ নিহতের পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তার জন্য উলভারিন ওয়েলনেস, ইউনিভার্সিটি হেলথ সার্ভিস এবং কাউন্সেলিং অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল সার্ভিসেসের মাধ্যমে সংকটকালীন সহায়তা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
Source & Photo: http://detroitnews.com
অ্যান আরবার, ২৫ জানুয়ারি : কর্তৃপক্ষের সমন্বিত প্রায় ২০ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানের পর অ্যান আরবারে তীব্র শীতের মধ্যে নিখোঁজ এক তরুরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই অ্যান আরবার পুলিশ তার সন্ধানে অভিযান শুরু করে। পুলিশ জানায়, ম্যাটসনকে সর্বশেষ শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিল স্ট্রিটের ১৭০০ ব্লকে একা হাঁটতে দেখা যায়। সে সময় তার পরনে কোনো কোট ছিল না; ছিল হালকা রঙের টি-শার্ট, নীল জিন্স ও সাদা জুতা। এদিকে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত অ্যান আরবারে তাপমাত্রা দ্রুত কমে হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়।
শনিবার দুপুর ১২টা ০৫ মিনিটের দিকে কেমব্রিজ রোডের ১৯০০ ব্লক এলাকা থেকে ম্যাটসনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অ্যান আরবার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আলামতও নেই। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে ওয়াশটেনাও কাউন্টি মেডিকেল পরীক্ষকের কার্যালয় তদন্ত করছে।
এক বিবৃতিতে অ্যান আবোর পুলিশ বিভাগ নিহতের পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তার জন্য উলভারিন ওয়েলনেস, ইউনিভার্সিটি হেলথ সার্ভিস এবং কাউন্সেলিং অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল সার্ভিসেসের মাধ্যমে সংকটকালীন সহায়তা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
Source & Photo: http://detroitnews.com