লন্ডন, ২৯ জানুয়ারি : প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে কর্মরত বাংলা গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের পেশাগত কাজের স্বীকৃতি দিতে চালু হলো মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। বিলেতের বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের অবদানকে সম্মান জানাতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে বাংলা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব (এলবিপিসি)–এর ৩৩ বছরের গৌরবময় ঐতিহ্যে যুক্ত হলো নতুন এই উদ্যোগ। গত ২৫ জানুয়ারি এলবিপিসির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ও সাধারণ সভায় সংগঠনটির ইতিহাসে এই প্রথম অঞ্চলভিত্তিক বিভাগ ও মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে সাংবাদিকদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা প্রবাসী বাংলা সাংবাদিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বেন্ট ইন বার্মিংহাম ক্যাটাগরির মিডিয়ায় অসাধারণ অবদানের জন্য বিজয়ী হয়েছেন ‘বাংলা ভয়েস’-এর সম্পাদক মোহাম্মদ মারুফ। এই পুরস্কারটি নির্দিষ্ট ছিল ন্যূনতম ১৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিনিয়র সাংবাদিকদের জন্য, যা তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত অবদান ও সাংবাদিকতায় ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মোহাম্মদ মারুফ একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক, লেখক ও প্রাবন্ধিক। নব্বইয়ের দশক থেকে তিনি পেশাগতভাবে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি দেশের বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত রিপোর্টিংয়ের পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কলাম লিখে পাঠকমহলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
সমাজ, রাজনীতি এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিষয়ে তাঁর লেখালেখিতে গভীর বিশ্লেষণ, তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন এবং দায়বদ্ধ চিন্তাধারার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়। তাঁর কলাম ও প্রবন্ধে সমকালীন ঘটনাবলির অন্তর্নিহিত কারণ ও প্রভাব তুলে ধরার প্রয়াস পাঠক ও গবেষকদের কাছে সমাদৃত হয়েছে।
লেখালেখির পাশাপাশি গ্রন্থ প্রণয়নেও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সাম্রাজ্যবাদের বিশ্বায়ন ও উম্মাহ চেতনা’ চিন্তাশীল ও মননশীল পাঠকদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন যৌথ কাব্যগ্রন্থে তাঁর কবিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা একজন সাংবাদিকের পাশাপাশি তাঁর সাহিত্যিক বহুমাত্রিকতা ও সৃজনশীলতার পরিচয় বহন করে।
২০০৩ সাল থেকে তিনি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম শহরে বসবাস করছেন। প্রবাসজীবনের শুরু থেকেই তিনি লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকায় বার্মিংহাম প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদসহ একাধিক সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। লেখালেখি আর সাংবাদিকতার পাশাপাশি বার্মিংহাম তথা বৃটেনের অনেক সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত মোহাম্মদ মারুফ একাধারে বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহামের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি, হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকের উপদেষ্টা, হবিগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন দীর্ঘদিন ধরে।
বার্মিংহাম যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং বাঙালি জনবসতির দিক দিয়েও গুরুত্বপূর্ণ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে এখানে লন্ডন শহরের মতো কোনো পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত বাংলা সংবাদপত্র ছিল না। এই শূন্যতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে মোহাম্মদ মারুফ ২০০৯ সালে বাংলা ভয়েস প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এটি বার্মিংহামের প্রথম উদ্যোগ ছিল না; তবে এই প্রথম কোনো স্থানীয় বাংলা পত্রিকা প্রকাশনা মান, সম্পাদকীয় নীতি ও পেশাদার বিপণন কাঠামোর দিক থেকে লন্ডনের অন্যান্য মূলধারার বাংলা সংবাদপত্রের মানদণ্ডে উন্নীত হয়। বাংলা ভয়েস দ্রুতই বার্মিংহামের বাঙালি কমিউনিটির আস্থা অর্জন করে। এর পিছনের মূল ও একক কারিগর ছিলেন মোহাম্মদ মারুফ।
গত পনেরো বছর ধরে মোহাম্মদ মারুফ পেশাদোরিত্বের সাথে নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টায় কমিউনিটির বিভিন্ন ইস্যুতে জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। এলবিপিসির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ও সাধারণ সভায় উৎসবমুখর এবং আডম্বরপূর্ণ আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় বিশটি এ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর করা হয়।
যুক্তরাজ্যে বাংলা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব (এলবিপিসি)–এর ৩৩ বছরের গৌরবময় ঐতিহ্যে যুক্ত হলো নতুন এই উদ্যোগ। গত ২৫ জানুয়ারি এলবিপিসির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ও সাধারণ সভায় সংগঠনটির ইতিহাসে এই প্রথম অঞ্চলভিত্তিক বিভাগ ও মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে সাংবাদিকদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা প্রবাসী বাংলা সাংবাদিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বেন্ট ইন বার্মিংহাম ক্যাটাগরির মিডিয়ায় অসাধারণ অবদানের জন্য বিজয়ী হয়েছেন ‘বাংলা ভয়েস’-এর সম্পাদক মোহাম্মদ মারুফ। এই পুরস্কারটি নির্দিষ্ট ছিল ন্যূনতম ১৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিনিয়র সাংবাদিকদের জন্য, যা তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত অবদান ও সাংবাদিকতায় ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মোহাম্মদ মারুফ একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক, লেখক ও প্রাবন্ধিক। নব্বইয়ের দশক থেকে তিনি পেশাগতভাবে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি দেশের বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত রিপোর্টিংয়ের পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কলাম লিখে পাঠকমহলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
সমাজ, রাজনীতি এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিষয়ে তাঁর লেখালেখিতে গভীর বিশ্লেষণ, তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন এবং দায়বদ্ধ চিন্তাধারার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়। তাঁর কলাম ও প্রবন্ধে সমকালীন ঘটনাবলির অন্তর্নিহিত কারণ ও প্রভাব তুলে ধরার প্রয়াস পাঠক ও গবেষকদের কাছে সমাদৃত হয়েছে।
লেখালেখির পাশাপাশি গ্রন্থ প্রণয়নেও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সাম্রাজ্যবাদের বিশ্বায়ন ও উম্মাহ চেতনা’ চিন্তাশীল ও মননশীল পাঠকদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন যৌথ কাব্যগ্রন্থে তাঁর কবিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা একজন সাংবাদিকের পাশাপাশি তাঁর সাহিত্যিক বহুমাত্রিকতা ও সৃজনশীলতার পরিচয় বহন করে।
২০০৩ সাল থেকে তিনি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম শহরে বসবাস করছেন। প্রবাসজীবনের শুরু থেকেই তিনি লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকায় বার্মিংহাম প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদসহ একাধিক সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। লেখালেখি আর সাংবাদিকতার পাশাপাশি বার্মিংহাম তথা বৃটেনের অনেক সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত মোহাম্মদ মারুফ একাধারে বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহামের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি, হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকের উপদেষ্টা, হবিগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন দীর্ঘদিন ধরে।
বার্মিংহাম যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং বাঙালি জনবসতির দিক দিয়েও গুরুত্বপূর্ণ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে এখানে লন্ডন শহরের মতো কোনো পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত বাংলা সংবাদপত্র ছিল না। এই শূন্যতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে মোহাম্মদ মারুফ ২০০৯ সালে বাংলা ভয়েস প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এটি বার্মিংহামের প্রথম উদ্যোগ ছিল না; তবে এই প্রথম কোনো স্থানীয় বাংলা পত্রিকা প্রকাশনা মান, সম্পাদকীয় নীতি ও পেশাদার বিপণন কাঠামোর দিক থেকে লন্ডনের অন্যান্য মূলধারার বাংলা সংবাদপত্রের মানদণ্ডে উন্নীত হয়। বাংলা ভয়েস দ্রুতই বার্মিংহামের বাঙালি কমিউনিটির আস্থা অর্জন করে। এর পিছনের মূল ও একক কারিগর ছিলেন মোহাম্মদ মারুফ।
গত পনেরো বছর ধরে মোহাম্মদ মারুফ পেশাদোরিত্বের সাথে নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টায় কমিউনিটির বিভিন্ন ইস্যুতে জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। এলবিপিসির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ও সাধারণ সভায় উৎসবমুখর এবং আডম্বরপূর্ণ আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় বিশটি এ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর করা হয়।