কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) ২ ফেব্রুয়ারি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থী অনন্য গাঙ্গুলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর শহরের বাজার পাড়াস্থ নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অনন্য গাঙ্গুলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলার শিক্ষক দম্পতি প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলী ও রাধারানী ভট্টাচার্য্যের বড় সন্তান। তার বাবা কোটচাঁদপুর পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং মা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। পরিবারের ছোট মেয়ে লিথি মনি গাঙ্গুলীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।
অনন্য গাঙ্গুলী পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি-এই তিনটি পরীক্ষাতেই কৃতিত্বের সঙ্গে বৃত্তি লাভ করেছিলেন। তবে কলেজে অধ্যয়নকালে মানসিক অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় পাঁচ বছর পড়ালেখা থেকে দূরে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনায় ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন অনন্য। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ছিল ১০৩ দশমিক ৯৫, যার মধ্যে মূল পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন ৮৩ দশমিক ৯৫ নম্বর।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অনন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, মানসিক যন্ত্রণার কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। অনন্যর বাবা জানান, তার ছেলে অত্যন্ত মেধাবী হলেও বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
অনন্য গাঙ্গুলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলার শিক্ষক দম্পতি প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলী ও রাধারানী ভট্টাচার্য্যের বড় সন্তান। তার বাবা কোটচাঁদপুর পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং মা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। পরিবারের ছোট মেয়ে লিথি মনি গাঙ্গুলীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।
অনন্য গাঙ্গুলী পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি-এই তিনটি পরীক্ষাতেই কৃতিত্বের সঙ্গে বৃত্তি লাভ করেছিলেন। তবে কলেজে অধ্যয়নকালে মানসিক অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় পাঁচ বছর পড়ালেখা থেকে দূরে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনায় ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন অনন্য। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ছিল ১০৩ দশমিক ৯৫, যার মধ্যে মূল পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন ৮৩ দশমিক ৯৫ নম্বর।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অনন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, মানসিক যন্ত্রণার কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। অনন্যর বাবা জানান, তার ছেলে অত্যন্ত মেধাবী হলেও বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।