মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ৪ জানুয়ারি : হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল বলেছেন, তিনি ক্ষমতার মোহে নয়, বরং জনগণের সেবক ও পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চান।
আজ বুধবার বিকেলে মাধবপুর উপজেলার সুরমা তেলিয়াপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত সভায় তিনি নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সৈয়দ ফয়সল বলেন, মাধবপুর–চুনারুঘাট এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা ও অবহেলার শিকার। বিশেষ করে চা-বাগান শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। নির্বাচিত হলে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ সমান অধিকার ও সুবিধা পাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, চা-বাগান শ্রমিক, সনাতন ধর্মাবলম্বী, আদিবাসী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় তিনি দৃঢ়ভাবে কাজ করবেন। তাঁর ভাষায়, “এখানে কেউ নিপীড়িত হবে না, কেউ জুলুমের শিকার হবে না—সবাই নাগরিক মর্যাদায় বাঁচবে।”
সভায় তিনি জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকবে না। স্থানীয় তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আলফাজ মিয়া, হোসাইন মো. রফিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী অনিল রায়, মানিক সরকার, রায়ধন সরকার ও বিকাশ সরকার প্রমুখ।
আজ বুধবার বিকেলে মাধবপুর উপজেলার সুরমা তেলিয়াপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত সভায় তিনি নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সৈয়দ ফয়সল বলেন, মাধবপুর–চুনারুঘাট এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা ও অবহেলার শিকার। বিশেষ করে চা-বাগান শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। নির্বাচিত হলে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ সমান অধিকার ও সুবিধা পাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, চা-বাগান শ্রমিক, সনাতন ধর্মাবলম্বী, আদিবাসী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় তিনি দৃঢ়ভাবে কাজ করবেন। তাঁর ভাষায়, “এখানে কেউ নিপীড়িত হবে না, কেউ জুলুমের শিকার হবে না—সবাই নাগরিক মর্যাদায় বাঁচবে।”
সভায় তিনি জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকবে না। স্থানীয় তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আলফাজ মিয়া, হোসাইন মো. রফিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী অনিল রায়, মানিক সরকার, রায়ধন সরকার ও বিকাশ সরকার প্রমুখ।