স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন/Photo : Clarence Tabb Jr, The Detroit News
স্টার্লিং হাইটস, ৫ ফেব্রুয়ারি : স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর আবারও মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)-এর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, সংস্থাটির এজেন্টরা নিয়মিতভাবে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
মঙ্গলবার স্টার্লিং হাইটস সিটি কাউন্সিলের এক বৈঠকে মিশিগানের চতুর্থ বৃহত্তম শহরটির মেয়র টেলর বলেন, তিনি আইসিই এজেন্টদের অসহায় মানুষের ওপর হামলার শত শত ভিডিও দেখেছেন। এ সময় তাঁর আগের করা মন্তব্য নিয়ে জনসাধারণের কয়েকজন সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করলে সভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মেয়র আইসিই এজেন্টদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অন্তত দুজন বাসিন্দার সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
টেলর বলেন, “আমি শত শত ভিডিও দেখেছি—যেখানে আইসিই এজেন্টরা অসহায় মানুষের ওপর আক্রমণ করছে, তাদের নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।”
২০১৪ সাল থেকে স্টার্লিং হাইটসের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা টেলর জানুয়ারিতে আইসিই-এর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে সংবাদ শিরোনামে আসেন। সে সময় তিনি পুলিশ বিভাগকে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ট্র্যাফিক থামানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন।
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুলিশ বিভাগ সম্প্রতি ট্র্যাফিক থামানোর প্রোটোকল “পুনরায় জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে” তাদের নীতিমালা স্পষ্ট করেছে। তবে স্টার্লিং হাইটস পুলিশের একজন মুখপাত্র দ্য ডেট্রয়েট নিউজকে বলেন, সংশোধিত নির্দেশনা মূলত কয়েক দশক ধরে অনুসৃত নীতিরই পুনরাবৃত্তি, এবং এতে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তন আসছে না।
মেয়রের প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়ন হবে কি না—এ প্রশ্নে পুলিশের ক্যাপ্টেন মারিও বাস্টিয়ানেলি দ্য নিউজকে বলেন, “এটা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “মেয়র হয়তো কিছু পরিবর্তন দেখতে চান, কিন্তু তিনি কিছু চাইছেন বলেই যে আমরা তা করব—এমন নয়। অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বিষয়ে আমাদের নীতি অপরিবর্তিত থাকবে।”
সভায় জনমত প্রকাশের সময় আইসিই-এর টুপি পরা এক ব্যক্তি, যিনি নিজের নাম জানাননি, দাবি করেন—ফেডারেল সংস্থাটি “সংবিধানের বাইরে কাজ করছে না কিংবা সম্প্রদায়কে আতঙ্কিত করছে না।” তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিই মূলত “সহিংস ও গুরুতর অপরাধমূলক ইতিহাস” রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে।
অ্যালিসিয়া সোয়েজকোস্কি নামের এক বাসিন্দা টেলরের মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইসিই-এর সঙ্গে শহরের সহযোগিতার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, তাঁর পরিবার অপরাধের শিকার হয়েছে। গত বছর তাঁর ছেলেকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যখন ছেলেটি তার চাচাতো ভাইকে অপহরণের চেষ্টা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছিল। পরে এ ঘটনায় এন্ডি বালার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা চাই নির্বাচিত কর্মকর্তারা আমাদের কণ্ঠস্বর হোন এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সমর্থন দিতে সব বৈধ ও সহযোগিতামূলক উপায় ব্যবহার করুন। এর মধ্যে ফেডারেল এজেন্টদের সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে তাদের জন্য যারা এখানে অবৈধভাবে অবস্থান করছে এবং জঘন্য অপরাধ করছে। এই ধরনের অপরাধের মধ্যে রয়েছে এমন গুরুতর ঘটনা, যেখানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নেতাদের জীবননাশের মতো হুমকি তৈরি হয়েছে।
তবে টেলর বলেন, আইসিই এজেন্টদের সেই প্রশিক্ষণ নেই, যা শহরের পুলিশ কর্মকর্তাদের রয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিবাসন বিচারকদের অনেক ক্ষেত্রেই আইসিই-এর আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
সভা চলাকালে এক পর্যায়ে টেলর দর্শকসারিতে থাকা একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “মুখ বন্ধ করুন, মশাই।” পরে তিনি যোগ করেন, “আমি আপনাকে বাধা দিইনি; আপনি কেন মনে করছেন যে আপনি আমাকে বাধা দিতে পারেন?”
টেলর দ্য নিউজকে বলেন, “আলোচনাটি এমন দিকে মোড় নিচ্ছিল যেন আমি স্টার্লিং হাইটস পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করি—যা এখানে কখনোই আলোচ্য বিষয় ছিল না।” তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে তার ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের রেকর্ড রয়েছে।
টেলর আরও বলেন, “আমাদের পুলিশ বিভাগ নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা প্রতিদিন সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করি না, মানবাধিকার লঙ্ঘন করি না, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করি না। আমরা নিয়মিতভাবে আমেরিকান নাগরিকদের ওপর হামলা করি না, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করি না এবং হত্যা করি না।”
আইসিই নিয়ে আবারও সিটি কাউন্সিলে টেলরের কঠোর মন্তব্য
স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন/Photo : Clarence Tabb Jr, The Detroit News
স্টার্লিং হাইটস, ৫ ফেব্রুয়ারি : স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর আবারও মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)-এর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, সংস্থাটির এজেন্টরা নিয়মিতভাবে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
মঙ্গলবার স্টার্লিং হাইটস সিটি কাউন্সিলের এক বৈঠকে মিশিগানের চতুর্থ বৃহত্তম শহরটির মেয়র টেলর বলেন, তিনি আইসিই এজেন্টদের অসহায় মানুষের ওপর হামলার শত শত ভিডিও দেখেছেন। এ সময় তাঁর আগের করা মন্তব্য নিয়ে জনসাধারণের কয়েকজন সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করলে সভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মেয়র আইসিই এজেন্টদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অন্তত দুজন বাসিন্দার সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
টেলর বলেন, “আমি শত শত ভিডিও দেখেছি—যেখানে আইসিই এজেন্টরা অসহায় মানুষের ওপর আক্রমণ করছে, তাদের নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।”
২০১৪ সাল থেকে স্টার্লিং হাইটসের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা টেলর জানুয়ারিতে আইসিই-এর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে সংবাদ শিরোনামে আসেন। সে সময় তিনি পুলিশ বিভাগকে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ট্র্যাফিক থামানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন।
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুলিশ বিভাগ সম্প্রতি ট্র্যাফিক থামানোর প্রোটোকল “পুনরায় জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে” তাদের নীতিমালা স্পষ্ট করেছে। তবে স্টার্লিং হাইটস পুলিশের একজন মুখপাত্র দ্য ডেট্রয়েট নিউজকে বলেন, সংশোধিত নির্দেশনা মূলত কয়েক দশক ধরে অনুসৃত নীতিরই পুনরাবৃত্তি, এবং এতে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তন আসছে না।
মেয়রের প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়ন হবে কি না—এ প্রশ্নে পুলিশের ক্যাপ্টেন মারিও বাস্টিয়ানেলি দ্য নিউজকে বলেন, “এটা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “মেয়র হয়তো কিছু পরিবর্তন দেখতে চান, কিন্তু তিনি কিছু চাইছেন বলেই যে আমরা তা করব—এমন নয়। অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বিষয়ে আমাদের নীতি অপরিবর্তিত থাকবে।”
সভায় জনমত প্রকাশের সময় আইসিই-এর টুপি পরা এক ব্যক্তি, যিনি নিজের নাম জানাননি, দাবি করেন—ফেডারেল সংস্থাটি “সংবিধানের বাইরে কাজ করছে না কিংবা সম্প্রদায়কে আতঙ্কিত করছে না।” তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিই মূলত “সহিংস ও গুরুতর অপরাধমূলক ইতিহাস” রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে।
অ্যালিসিয়া সোয়েজকোস্কি নামের এক বাসিন্দা টেলরের মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইসিই-এর সঙ্গে শহরের সহযোগিতার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, তাঁর পরিবার অপরাধের শিকার হয়েছে। গত বছর তাঁর ছেলেকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যখন ছেলেটি তার চাচাতো ভাইকে অপহরণের চেষ্টা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছিল। পরে এ ঘটনায় এন্ডি বালার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা চাই নির্বাচিত কর্মকর্তারা আমাদের কণ্ঠস্বর হোন এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সমর্থন দিতে সব বৈধ ও সহযোগিতামূলক উপায় ব্যবহার করুন। এর মধ্যে ফেডারেল এজেন্টদের সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে তাদের জন্য যারা এখানে অবৈধভাবে অবস্থান করছে এবং জঘন্য অপরাধ করছে। এই ধরনের অপরাধের মধ্যে রয়েছে এমন গুরুতর ঘটনা, যেখানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নেতাদের জীবননাশের মতো হুমকি তৈরি হয়েছে।
তবে টেলর বলেন, আইসিই এজেন্টদের সেই প্রশিক্ষণ নেই, যা শহরের পুলিশ কর্মকর্তাদের রয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিবাসন বিচারকদের অনেক ক্ষেত্রেই আইসিই-এর আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
সভা চলাকালে এক পর্যায়ে টেলর দর্শকসারিতে থাকা একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “মুখ বন্ধ করুন, মশাই।” পরে তিনি যোগ করেন, “আমি আপনাকে বাধা দিইনি; আপনি কেন মনে করছেন যে আপনি আমাকে বাধা দিতে পারেন?”
টেলর দ্য নিউজকে বলেন, “আলোচনাটি এমন দিকে মোড় নিচ্ছিল যেন আমি স্টার্লিং হাইটস পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করি—যা এখানে কখনোই আলোচ্য বিষয় ছিল না।” তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে তার ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের রেকর্ড রয়েছে।
টেলর আরও বলেন, “আমাদের পুলিশ বিভাগ নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা প্রতিদিন সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করি না, মানবাধিকার লঙ্ঘন করি না, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করি না। আমরা নিয়মিতভাবে আমেরিকান নাগরিকদের ওপর হামলা করি না, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করি না এবং হত্যা করি না।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
স্টার্লিং হাইটস, ৫ ফেব্রুয়ারি : স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর আবারও মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)-এর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, সংস্থাটির এজেন্টরা নিয়মিতভাবে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
মঙ্গলবার স্টার্লিং হাইটস সিটি কাউন্সিলের এক বৈঠকে মিশিগানের চতুর্থ বৃহত্তম শহরটির মেয়র টেলর বলেন, তিনি আইসিই এজেন্টদের অসহায় মানুষের ওপর হামলার শত শত ভিডিও দেখেছেন। এ সময় তাঁর আগের করা মন্তব্য নিয়ে জনসাধারণের কয়েকজন সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করলে সভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মেয়র আইসিই এজেন্টদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অন্তত দুজন বাসিন্দার সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
টেলর বলেন, “আমি শত শত ভিডিও দেখেছি—যেখানে আইসিই এজেন্টরা অসহায় মানুষের ওপর আক্রমণ করছে, তাদের নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।”
২০১৪ সাল থেকে স্টার্লিং হাইটসের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা টেলর জানুয়ারিতে আইসিই-এর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে সংবাদ শিরোনামে আসেন। সে সময় তিনি পুলিশ বিভাগকে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ট্র্যাফিক থামানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন।
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুলিশ বিভাগ সম্প্রতি ট্র্যাফিক থামানোর প্রোটোকল “পুনরায় জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে” তাদের নীতিমালা স্পষ্ট করেছে। তবে স্টার্লিং হাইটস পুলিশের একজন মুখপাত্র দ্য ডেট্রয়েট নিউজকে বলেন, সংশোধিত নির্দেশনা মূলত কয়েক দশক ধরে অনুসৃত নীতিরই পুনরাবৃত্তি, এবং এতে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তন আসছে না।
মেয়রের প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়ন হবে কি না—এ প্রশ্নে পুলিশের ক্যাপ্টেন মারিও বাস্টিয়ানেলি দ্য নিউজকে বলেন, “এটা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “মেয়র হয়তো কিছু পরিবর্তন দেখতে চান, কিন্তু তিনি কিছু চাইছেন বলেই যে আমরা তা করব—এমন নয়। অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বিষয়ে আমাদের নীতি অপরিবর্তিত থাকবে।”
সভায় জনমত প্রকাশের সময় আইসিই-এর টুপি পরা এক ব্যক্তি, যিনি নিজের নাম জানাননি, দাবি করেন—ফেডারেল সংস্থাটি “সংবিধানের বাইরে কাজ করছে না কিংবা সম্প্রদায়কে আতঙ্কিত করছে না।” তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিই মূলত “সহিংস ও গুরুতর অপরাধমূলক ইতিহাস” রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে।
অ্যালিসিয়া সোয়েজকোস্কি নামের এক বাসিন্দা টেলরের মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইসিই-এর সঙ্গে শহরের সহযোগিতার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, তাঁর পরিবার অপরাধের শিকার হয়েছে। গত বছর তাঁর ছেলেকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যখন ছেলেটি তার চাচাতো ভাইকে অপহরণের চেষ্টা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছিল। পরে এ ঘটনায় এন্ডি বালার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা চাই নির্বাচিত কর্মকর্তারা আমাদের কণ্ঠস্বর হোন এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সমর্থন দিতে সব বৈধ ও সহযোগিতামূলক উপায় ব্যবহার করুন। এর মধ্যে ফেডারেল এজেন্টদের সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে তাদের জন্য যারা এখানে অবৈধভাবে অবস্থান করছে এবং জঘন্য অপরাধ করছে। এই ধরনের অপরাধের মধ্যে রয়েছে এমন গুরুতর ঘটনা, যেখানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নেতাদের জীবননাশের মতো হুমকি তৈরি হয়েছে।
তবে টেলর বলেন, আইসিই এজেন্টদের সেই প্রশিক্ষণ নেই, যা শহরের পুলিশ কর্মকর্তাদের রয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিবাসন বিচারকদের অনেক ক্ষেত্রেই আইসিই-এর আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
সভা চলাকালে এক পর্যায়ে টেলর দর্শকসারিতে থাকা একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “মুখ বন্ধ করুন, মশাই।” পরে তিনি যোগ করেন, “আমি আপনাকে বাধা দিইনি; আপনি কেন মনে করছেন যে আপনি আমাকে বাধা দিতে পারেন?”
টেলর দ্য নিউজকে বলেন, “আলোচনাটি এমন দিকে মোড় নিচ্ছিল যেন আমি স্টার্লিং হাইটস পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করি—যা এখানে কখনোই আলোচ্য বিষয় ছিল না।” তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে তার ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের রেকর্ড রয়েছে।
টেলর আরও বলেন, “আমাদের পুলিশ বিভাগ নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা প্রতিদিন সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করি না, মানবাধিকার লঙ্ঘন করি না, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করি না। আমরা নিয়মিতভাবে আমেরিকান নাগরিকদের ওপর হামলা করি না, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করি না এবং হত্যা করি না।”
আইসিই নিয়ে আবারও সিটি কাউন্সিলে টেলরের কঠোর মন্তব্য
স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন/Photo : Clarence Tabb Jr, The Detroit News
স্টার্লিং হাইটস, ৫ ফেব্রুয়ারি : স্টার্লিং হাইটসের মেয়র মাইকেল টেলর আবারও মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)-এর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, সংস্থাটির এজেন্টরা নিয়মিতভাবে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
মঙ্গলবার স্টার্লিং হাইটস সিটি কাউন্সিলের এক বৈঠকে মিশিগানের চতুর্থ বৃহত্তম শহরটির মেয়র টেলর বলেন, তিনি আইসিই এজেন্টদের অসহায় মানুষের ওপর হামলার শত শত ভিডিও দেখেছেন। এ সময় তাঁর আগের করা মন্তব্য নিয়ে জনসাধারণের কয়েকজন সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করলে সভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মেয়র আইসিই এজেন্টদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অন্তত দুজন বাসিন্দার সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
টেলর বলেন, “আমি শত শত ভিডিও দেখেছি—যেখানে আইসিই এজেন্টরা অসহায় মানুষের ওপর আক্রমণ করছে, তাদের নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।”
২০১৪ সাল থেকে স্টার্লিং হাইটসের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা টেলর জানুয়ারিতে আইসিই-এর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে সংবাদ শিরোনামে আসেন। সে সময় তিনি পুলিশ বিভাগকে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ট্র্যাফিক থামানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন।
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুলিশ বিভাগ সম্প্রতি ট্র্যাফিক থামানোর প্রোটোকল “পুনরায় জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে” তাদের নীতিমালা স্পষ্ট করেছে। তবে স্টার্লিং হাইটস পুলিশের একজন মুখপাত্র দ্য ডেট্রয়েট নিউজকে বলেন, সংশোধিত নির্দেশনা মূলত কয়েক দশক ধরে অনুসৃত নীতিরই পুনরাবৃত্তি, এবং এতে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তন আসছে না।
মেয়রের প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়ন হবে কি না—এ প্রশ্নে পুলিশের ক্যাপ্টেন মারিও বাস্টিয়ানেলি দ্য নিউজকে বলেন, “এটা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “মেয়র হয়তো কিছু পরিবর্তন দেখতে চান, কিন্তু তিনি কিছু চাইছেন বলেই যে আমরা তা করব—এমন নয়। অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বিষয়ে আমাদের নীতি অপরিবর্তিত থাকবে।”
সভায় জনমত প্রকাশের সময় আইসিই-এর টুপি পরা এক ব্যক্তি, যিনি নিজের নাম জানাননি, দাবি করেন—ফেডারেল সংস্থাটি “সংবিধানের বাইরে কাজ করছে না কিংবা সম্প্রদায়কে আতঙ্কিত করছে না।” তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিই মূলত “সহিংস ও গুরুতর অপরাধমূলক ইতিহাস” রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে।
অ্যালিসিয়া সোয়েজকোস্কি নামের এক বাসিন্দা টেলরের মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইসিই-এর সঙ্গে শহরের সহযোগিতার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, তাঁর পরিবার অপরাধের শিকার হয়েছে। গত বছর তাঁর ছেলেকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যখন ছেলেটি তার চাচাতো ভাইকে অপহরণের চেষ্টা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছিল। পরে এ ঘটনায় এন্ডি বালার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা চাই নির্বাচিত কর্মকর্তারা আমাদের কণ্ঠস্বর হোন এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সমর্থন দিতে সব বৈধ ও সহযোগিতামূলক উপায় ব্যবহার করুন। এর মধ্যে ফেডারেল এজেন্টদের সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে তাদের জন্য যারা এখানে অবৈধভাবে অবস্থান করছে এবং জঘন্য অপরাধ করছে। এই ধরনের অপরাধের মধ্যে রয়েছে এমন গুরুতর ঘটনা, যেখানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নেতাদের জীবননাশের মতো হুমকি তৈরি হয়েছে।
তবে টেলর বলেন, আইসিই এজেন্টদের সেই প্রশিক্ষণ নেই, যা শহরের পুলিশ কর্মকর্তাদের রয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিবাসন বিচারকদের অনেক ক্ষেত্রেই আইসিই-এর আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
সভা চলাকালে এক পর্যায়ে টেলর দর্শকসারিতে থাকা একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “মুখ বন্ধ করুন, মশাই।” পরে তিনি যোগ করেন, “আমি আপনাকে বাধা দিইনি; আপনি কেন মনে করছেন যে আপনি আমাকে বাধা দিতে পারেন?”
টেলর দ্য নিউজকে বলেন, “আলোচনাটি এমন দিকে মোড় নিচ্ছিল যেন আমি স্টার্লিং হাইটস পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করি—যা এখানে কখনোই আলোচ্য বিষয় ছিল না।” তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ বিভাগকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে তার ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের রেকর্ড রয়েছে।
টেলর আরও বলেন, “আমাদের পুলিশ বিভাগ নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা প্রতিদিন সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করি না, মানবাধিকার লঙ্ঘন করি না, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করি না। আমরা নিয়মিতভাবে আমেরিকান নাগরিকদের ওপর হামলা করি না, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করি না এবং হত্যা করি না।”
Source & Photo: http://detroitnews.com