মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ৫ ফেব্রুয়ারি : “আমি টাকা, ক্ষমতা কিংবা পদ–পদবির জন্য রাজনীতি করি না; মানুষের প্রতি মায়া ও ভালোবাসা থেকেই চুনারুঘাট–মাধবপুরবাসীর জন্য রাজনীতি করি”—এমন মন্তব্য করেছেন হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল। বৃহস্পতিবার বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার সাদ্দাম বাজার, ছয়শ্রী, রাজারবাজার ও কালিশিরি বাজারে অনুষ্ঠিত একাধিক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ ফয়সল বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ–দুঃখে পাশে আছেন এবং নানা রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও এলাকাবাসীকে ছেড়ে যাননি। তিনি বলেন, “বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে ধানের শীষ প্রতীক আমানত হিসেবে দিয়েছেন। এই আমানত রক্ষার দায়িত্ব এখন আপনাদের হাতে।”
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষই তাঁর রাজনীতির মূল শক্তি। “খালেদা জিয়ার পবিত্র আমানত আজ আপনাদের কাছে তুলে দিলাম। আপনারা যদি এই আমানত রক্ষা করেন, তাহলে আমি আজীবন মাধবপুর–চুনারুঘাটবাসীর কাছে ঋণী থাকব,” বলেন তিনি।
নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সৈয়দ ফয়সল বলেন, তিনি কখনো কারও ক্ষতি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। “আমি আপনাদের ঘরের সন্তান। আমি ভুল করলে আপনারা আমাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারবেন,” যোগ করেন তিনি।
ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর কোনো ধরনের নিপীড়ন সহ্য করা হবে না। তিনি নিজেকে “সবার পাহারাদার” হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং দল–মত–ধর্ম নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ইতিবাচক সাড়া মিলছে। বিশেষ করে চা–বাগান ও গ্রামীণ বাজারগুলোতে ভোটারদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
জনসভাগুলোতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে চৌমুহনী বাজারে গণসংযোগ ও পথসভা করেন তরুণ নেতা ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মো. ইশতিয়াক আহমেদ। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, মাধবপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান মাধবপুর বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
সৈয়দ ফয়সল বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ–দুঃখে পাশে আছেন এবং নানা রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও এলাকাবাসীকে ছেড়ে যাননি। তিনি বলেন, “বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে ধানের শীষ প্রতীক আমানত হিসেবে দিয়েছেন। এই আমানত রক্ষার দায়িত্ব এখন আপনাদের হাতে।”
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষই তাঁর রাজনীতির মূল শক্তি। “খালেদা জিয়ার পবিত্র আমানত আজ আপনাদের কাছে তুলে দিলাম। আপনারা যদি এই আমানত রক্ষা করেন, তাহলে আমি আজীবন মাধবপুর–চুনারুঘাটবাসীর কাছে ঋণী থাকব,” বলেন তিনি।
নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সৈয়দ ফয়সল বলেন, তিনি কখনো কারও ক্ষতি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। “আমি আপনাদের ঘরের সন্তান। আমি ভুল করলে আপনারা আমাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারবেন,” যোগ করেন তিনি।
ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর কোনো ধরনের নিপীড়ন সহ্য করা হবে না। তিনি নিজেকে “সবার পাহারাদার” হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং দল–মত–ধর্ম নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ইতিবাচক সাড়া মিলছে। বিশেষ করে চা–বাগান ও গ্রামীণ বাজারগুলোতে ভোটারদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
জনসভাগুলোতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে চৌমুহনী বাজারে গণসংযোগ ও পথসভা করেন তরুণ নেতা ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মো. ইশতিয়াক আহমেদ। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, মাধবপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান মাধবপুর বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।