ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি : আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে রেকর্ড সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে স্থাপিত সেনাক্যাম্প পরিদর্শন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে প্রায় ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যা আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাই সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নির্বাচনের দিন ও পরবর্তী সময়ে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের নিরাপদ পরিবহনের জন্য সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে সেনাসদরের সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারই প্রথমবারের মতো সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহল দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২টিতে মোট ৫৪৪টি অস্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ২০ জানুয়ারি থেকে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি অবৈধ অস্ত্র, প্রায় ৩ লাখ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে এবং ২১ হাজারের বেশি সন্ত্রাসীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের দিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোকে একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেনাপ্রধান সাফ জানিয়ে দেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে, সেজন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সদস্য ব্যারাকে রেখে বাকি সবাইকে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত করা হয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সম্ভাব্য সহিংসতা রোধেও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে স্থাপিত সেনাক্যাম্প পরিদর্শন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে প্রায় ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যা আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাই সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নির্বাচনের দিন ও পরবর্তী সময়ে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের নিরাপদ পরিবহনের জন্য সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে সেনাসদরের সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারই প্রথমবারের মতো সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহল দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২টিতে মোট ৫৪৪টি অস্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ২০ জানুয়ারি থেকে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি অবৈধ অস্ত্র, প্রায় ৩ লাখ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে এবং ২১ হাজারের বেশি সন্ত্রাসীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের দিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোকে একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেনাপ্রধান সাফ জানিয়ে দেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে, সেজন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সদস্য ব্যারাকে রেখে বাকি সবাইকে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত করা হয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সম্ভাব্য সহিংসতা রোধেও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে।