ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইশতেহারটি ঘোষণা করা হয়। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এ সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিগত আন্দোলনে বিএনপির শহীদ নেতাকর্মী এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতসহ ৩৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সম্পাদক শফিক রেহমানসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাহিত্যিক ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ প্রত্যয়ে প্রণীত বিএনপির ইশতেহারের স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ক্ষমতায় গেলে ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে দলটি। পাঁচটি ভাগে বিভক্ত ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ৫১ দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
ইশতেহারের প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ‘কৃষক কার্ড’, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, মিড-ডে মিলসহ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সহায়তা, ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নদী-খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদার এবং পেপাল চালুসহ ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইশতেহারটি ঘোষণা করা হয়। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এ সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিগত আন্দোলনে বিএনপির শহীদ নেতাকর্মী এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতসহ ৩৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সম্পাদক শফিক রেহমানসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাহিত্যিক ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ প্রত্যয়ে প্রণীত বিএনপির ইশতেহারের স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ক্ষমতায় গেলে ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে দলটি। পাঁচটি ভাগে বিভক্ত ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ৫১ দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
ইশতেহারের প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ‘কৃষক কার্ড’, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, মিড-ডে মিলসহ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সহায়তা, ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নদী-খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদার এবং পেপাল চালুসহ ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণ।