ঠাকুরগাঁও, ১০ ফেব্রুয়ারি: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, বিএনপি তা মেনে নেবে এবং স্বাগত জানাবে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে মাত্র ৩০টি আসন পেয়েও বিএনপি সংসদে যোগ দিয়েছিল এবং ফলাফল গ্রহণ করেছিল।
ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ মোটামুটি অনুকূল। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঠাকুরগাঁও সফর রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং বিএনপির অবস্থান শক্ত করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি দীর্ঘ ১৫–১৬ বছর ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করে আসছে। এই নির্বাচনকে তিনি গণতান্ত্রিক উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ “গেটওয়ে” হিসেবে দেখছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসবে। “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” সম্পর্কিত প্রশ্নে মির্জা ফখরুল আশাবাদী যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রভাব কম পড়বে।
জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা কৌশলী এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে। তবে সাধারণ মানুষ সহজে বিভ্রান্ত হয় না।
সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়া বা আটকানোর সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু সমস্যা হতে পারে, তবে বিএনপি সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছে। তিনি আশাবাদী যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও মুসলিম সবাই ভোট দেবেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাপ অনুভব করছেন কি না—এই প্রশ্নে তিনি বলেন, বিএনপি সব নির্বাচনই সিরিয়াসলি নেয় এবং এবারও অত্যন্ত আশাবাদী। বোরকা বানানোর অভিযোগ নিয়ে দলীয় এজেন্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তবে মিডিয়ায় অতিরিক্ত প্রচার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। মোটকথা, মির্জা ফখরুল এই নির্বাচনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ মোটামুটি অনুকূল। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঠাকুরগাঁও সফর রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং বিএনপির অবস্থান শক্ত করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি দীর্ঘ ১৫–১৬ বছর ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করে আসছে। এই নির্বাচনকে তিনি গণতান্ত্রিক উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ “গেটওয়ে” হিসেবে দেখছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসবে। “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” সম্পর্কিত প্রশ্নে মির্জা ফখরুল আশাবাদী যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রভাব কম পড়বে।
জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা কৌশলী এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে। তবে সাধারণ মানুষ সহজে বিভ্রান্ত হয় না।
সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়া বা আটকানোর সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু সমস্যা হতে পারে, তবে বিএনপি সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছে। তিনি আশাবাদী যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও মুসলিম সবাই ভোট দেবেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাপ অনুভব করছেন কি না—এই প্রশ্নে তিনি বলেন, বিএনপি সব নির্বাচনই সিরিয়াসলি নেয় এবং এবারও অত্যন্ত আশাবাদী। বোরকা বানানোর অভিযোগ নিয়ে দলীয় এজেন্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তবে মিডিয়ায় অতিরিক্ত প্রচার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। মোটকথা, মির্জা ফখরুল এই নির্বাচনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন।