খুলনা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : খুলনা-১ আসনে ফলাফল ঘিরে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। দাকোপ-বটিয়াঘাটা উপজেলার জনপদজুড়ে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে উত্তাপ তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল ফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে। শেষ পর্যন্ত বিপুল ব্যবধানে জয় তুলে নিলেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমীর এজাজ খান।
ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৫৮ ভোট। দুই প্রার্থীর ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৪৩৪ ভোট—যা এ আসনের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্যবধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই নির্বাচনে বিশেষভাবে আলোচিত ছিলেন কৃষ্ণ নন্দী, কারণ তিনি ছিলেন জামায়াতের একমাত্র হিন্দু প্রার্থী। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক পরিমণ্ডলেও তাকে ঘিরে কৌতূহল ও আলোচনা ছিল লক্ষণীয়। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারেননি তিনি।
ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী শিবিরে আনন্দ-উল্লাস দেখা গেলেও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নীরবতা নেমে আসে।
ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৫৮ ভোট। দুই প্রার্থীর ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৪৩৪ ভোট—যা এ আসনের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্যবধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই নির্বাচনে বিশেষভাবে আলোচিত ছিলেন কৃষ্ণ নন্দী, কারণ তিনি ছিলেন জামায়াতের একমাত্র হিন্দু প্রার্থী। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক পরিমণ্ডলেও তাকে ঘিরে কৌতূহল ও আলোচনা ছিল লক্ষণীয়। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারেননি তিনি।
ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী শিবিরে আনন্দ-উল্লাস দেখা গেলেও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নীরবতা নেমে আসে।