মাধবপুর, হবিগঞ্জ, ১৫ ফেব্রুয়ারি: গণমানুষের প্রত্যক্ষ রায়ে হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়সল বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১,৮৮,৭২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি পেয়েছেন ৮৪,৩২৩ ভোট। প্রায় ১,০৩,৭৪৯ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে তিনি কাঙ্ক্ষিত বিজয় নিশ্চিত করেছেন। ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকায় আনন্দ-উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
১৯৯১ সাল থেকে তিনি এ আসনে একাধিকবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জয়-পরাজয়কে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে তিনি সবসময় মাধবপুর ও চুনারুঘাটের মানুষের পাশে থেকেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সময় তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন হামলা, মামলা ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তবুও তিনি রাজনীতির মাঠ ছাড়েননি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা, ধৈর্য ও ত্যাগের ফলস্বরূপ এবারের নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় এসেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি নেতাকর্মীরা সুসংগঠিতভাবে মাঠে কাজ করেছেন। দলীয় নেতাদের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যরাও ব্যাপক গণসংযোগে অংশ নিয়েছেন। বিশেষভাবে তার ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ২৮টি চা বাগানে নিয়মিত প্রচারণা চালিয়েছেন, চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন। অপর ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ও ভাই সৈয়দ মোঃ শাহজাহানও বিরামহীন পরিশ্রম করে নির্বাচনের ফলাফলকে আরও শক্তিশালী করেছেন।
বিজয়ের পর নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, লাখো ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধিকে মন্ত্রিপরিষদে স্থান দেওয়া হলে তা হবিগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের বিষয় হবে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সৈয়দ মোঃ ফয়সল একজন সৎ, কর্মঠ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির রাজনীতিক, যার রাজনৈতিক জীবনে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই।
মাধবপুর জগদীশপুর হাইস্কুলের সাবেক অধ্যক্ষ আজগর আলী বলেন, “সৈয়দ ফয়সল বিএনপির একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। জনগণের বিপুল সমর্থনে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা আশা করি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তার অভিজ্ঞতা ও সততাকে মূল্যায়ন করে তাকে মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব দেবেন। তিনি মন্ত্রী হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং সরকারের সফলতা আরও দৃশ্যমান হবে।”
১৯৯১ সাল থেকে তিনি এ আসনে একাধিকবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জয়-পরাজয়কে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে তিনি সবসময় মাধবপুর ও চুনারুঘাটের মানুষের পাশে থেকেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সময় তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন হামলা, মামলা ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তবুও তিনি রাজনীতির মাঠ ছাড়েননি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা, ধৈর্য ও ত্যাগের ফলস্বরূপ এবারের নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় এসেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি নেতাকর্মীরা সুসংগঠিতভাবে মাঠে কাজ করেছেন। দলীয় নেতাদের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যরাও ব্যাপক গণসংযোগে অংশ নিয়েছেন। বিশেষভাবে তার ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ২৮টি চা বাগানে নিয়মিত প্রচারণা চালিয়েছেন, চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন। অপর ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ও ভাই সৈয়দ মোঃ শাহজাহানও বিরামহীন পরিশ্রম করে নির্বাচনের ফলাফলকে আরও শক্তিশালী করেছেন।
বিজয়ের পর নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, লাখো ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধিকে মন্ত্রিপরিষদে স্থান দেওয়া হলে তা হবিগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের বিষয় হবে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সৈয়দ মোঃ ফয়সল একজন সৎ, কর্মঠ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির রাজনীতিক, যার রাজনৈতিক জীবনে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই।
মাধবপুর জগদীশপুর হাইস্কুলের সাবেক অধ্যক্ষ আজগর আলী বলেন, “সৈয়দ ফয়সল বিএনপির একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। জনগণের বিপুল সমর্থনে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা আশা করি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তার অভিজ্ঞতা ও সততাকে মূল্যায়ন করে তাকে মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব দেবেন। তিনি মন্ত্রী হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং সরকারের সফলতা আরও দৃশ্যমান হবে।”